রাজাপুরে স্বামী পরিত্যক্তা রেহেনা বেগমকে নতুন ঘর তুলে দিলেন আ.লীগ কেন্দ্রীয় নেতা মনির

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির রাজাপুরের নৈকাঠি এলাকায় দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপনকারী স্বামী পরিত্যাক্তা রেহেনা বেগমকে নতুন ঘর তুলে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও কর্ণফুলি গ্যাস ডিস্ট্রিভিউশন কোম্পানির পরিচালক এম মনিরুজ্জামান মনির।

বিকেলে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মনিরুজ্জামান মনির রেহেনা বেগমের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন। নতুন ঘর পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে রেহেনা বেগম। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার জন্য দোয়া করেন রেহেনা বেগমসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়রা জানান, রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের নৈকাঠি বাজার এলাকার সিকদার পাড়ার বাসিন্দা রিকশাচালক দুলাল সিকদার তঁার স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে এক বছর আগে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। ভাঙা বেড়া এবং পলিথিনে মোড়ানো ছোট্ট একটি ঘরে কোন রকমের মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন স্বামী পরিত্যক্তা রেহেনা বেগম। রেহেনা মানুষের বাসা বাড়িতে কাজ করে দুই সন্তানের মুখে দুবেলা দুমুঠো খাবার তুলে দেন। তাদের বড় ছেলে আলী হোসেন এবং মেয়ে তহমিনা কাঠিপাড়া মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। তাদের দুরবস্থার খবর শুনে এগিয়ে আসেন রাজাপুরের কৃতিসন্তান কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম মনিরুজ্জামান মনির। তিনি দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি টিনসেট ঘর উত্তোলন করে রেহেনা বেগমের হাতে চাবি তুলে দেন।

এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক ডেজলিং তালুকদার, রিয়াজ উদ্দিন মাতুব্বর, সাতুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মাইনুল হায়দার নিপুসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য. কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম মনিরুজ্জামান মনির এর আগেও একাধিক অসহায় পরিবারকে ঘর উত্তোলন করে দিয়েছেন। তিনি সবসময় রাজাপুর-কাঁঠালিয়ার অবহেলিত মানুষের ভাগ্যউন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম মনিরুজ্জামান মনির বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করবো। অসহায় মানুষের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।

বাধন রায়/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »