ভিয়েনা ০১:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে হামলা, পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে আগুন জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সরকার: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী সংসদে মুলতবি অধিবেশনে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লালমোহনে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত অবরোধের ৩৬ দিন পার হলেও চাল পায়নি লালমোহনের জেলেরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইইউ প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেক সভায় সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের দক্ষিণে রুশ হামলায় নিহত ৩ কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা মোকবিলায় বিমান প্রতিরক্ষা সক্রিয় : সেনাবাহিনী

লালমোহনে জরাজীর্ণ ব্রিজ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন-পথচারী, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩
  • ৪২ সময় দেখুন

জাহিদ দুলাল, লালমোহন (ভোলা): ভোলার লালমোহনে একটি ব্রিজ যেনো এক মরণ ফাঁদ। ব্রিজটির কোন প্রান্তেই ঝুঁকিপূর্ণ কিংবা ‘সাবধান’! সাইনবোর্ড টাঙানো নেই। ফলে প্রতিনিয়ত হচ্ছে দূর্ঘটনা। ব্রিজের নিচের লোহার এঙ্গেল ভেঙ্গে পড়েছে আর উপরের অংশের ইট বালি সিমেন্টের ঢালাই নাজুঁক ও পরিত্যক্ত বললেই চলে। বিভিন্ন অংশ ক্ষয় হয়ে ভেতরের রডও বেরিয়ে গেছে। এরপরও ব্রিজটির ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ছোট যানবাহন ও এলাকাবাসী চলাচল করছে। যানবাহন উঠলেই কেঁপে ওঠে ব্রিজটি। যে কোনো সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা হতে পারে বলছেন স্থানীয়রা।

লালমোহন উপজেলা থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে পৌরসভার  ৮নং ওয়ার্ড ও কালমা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড রিপুজি পাড়া খালের ওপর নির্মিত এই ব্রিজটি গত ৫ বছর ধরে বেহাল দশা। জানা যায়, প্রায় ৩৫ বছর আগে এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হলেও যথাযথ রক্ষনাবেক্ষন ও মেরামতের অভাবে ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় কবির জানান, ১৫ দিন আগে রাতের বেলায় একটি রিক্সা উল্টে একজন পথচারী ব্রিজ থেকে খালে পড়ে যায়। তাকে উঠাতে গিয়ে আরো দুজন খালের পানিতে পড়েছে। একই এলাকার মুশফিক, আনোয়ার, রহিম জানান, ব্রিজ ভাঙা থাকায় স্থানীয়রা বাশঁ, গাছ ও মাটি ভর্তি বস্তা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। এতে করে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন ব্রিজ দিয়ে চলাচলকারীরা। ব্রিজটির মাঝখানে ভেঙে পড়ায় এখান দিয়ে বড় কোনো ধরনের যানবাহন চলছে না। ফলে কৃষি পন্য নিয়ে বহু পথ ঘুরে বাজারে পৌঁছাতে হয়। স্থানীয়দের দাবি ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন ব্রিজটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়।

কালমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন হাওলাদার জানান, প্রায় ৫ বছর ধরে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। সরকারি ভাবে কেনো বরাদ্দ না থাকায় মেরামত কিংবা নুতন ব্রীজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে এলজিইডির লালমোহন উপজেলা প্রকৌশলী রাজীব শাহ বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর ব্রিজটির জন্য বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই ব্রিজটি নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএস

জনপ্রিয়

সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে হামলা, পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে আগুন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে জরাজীর্ণ ব্রিজ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন-পথচারী, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

আপডেটের সময় ০৫:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩

জাহিদ দুলাল, লালমোহন (ভোলা): ভোলার লালমোহনে একটি ব্রিজ যেনো এক মরণ ফাঁদ। ব্রিজটির কোন প্রান্তেই ঝুঁকিপূর্ণ কিংবা ‘সাবধান’! সাইনবোর্ড টাঙানো নেই। ফলে প্রতিনিয়ত হচ্ছে দূর্ঘটনা। ব্রিজের নিচের লোহার এঙ্গেল ভেঙ্গে পড়েছে আর উপরের অংশের ইট বালি সিমেন্টের ঢালাই নাজুঁক ও পরিত্যক্ত বললেই চলে। বিভিন্ন অংশ ক্ষয় হয়ে ভেতরের রডও বেরিয়ে গেছে। এরপরও ব্রিজটির ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ছোট যানবাহন ও এলাকাবাসী চলাচল করছে। যানবাহন উঠলেই কেঁপে ওঠে ব্রিজটি। যে কোনো সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা হতে পারে বলছেন স্থানীয়রা।

লালমোহন উপজেলা থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে পৌরসভার  ৮নং ওয়ার্ড ও কালমা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড রিপুজি পাড়া খালের ওপর নির্মিত এই ব্রিজটি গত ৫ বছর ধরে বেহাল দশা। জানা যায়, প্রায় ৩৫ বছর আগে এ ব্রিজটি নির্মাণ করা হলেও যথাযথ রক্ষনাবেক্ষন ও মেরামতের অভাবে ব্রিজটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় কবির জানান, ১৫ দিন আগে রাতের বেলায় একটি রিক্সা উল্টে একজন পথচারী ব্রিজ থেকে খালে পড়ে যায়। তাকে উঠাতে গিয়ে আরো দুজন খালের পানিতে পড়েছে। একই এলাকার মুশফিক, আনোয়ার, রহিম জানান, ব্রিজ ভাঙা থাকায় স্থানীয়রা বাশঁ, গাছ ও মাটি ভর্তি বস্তা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। এতে করে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন ব্রিজ দিয়ে চলাচলকারীরা। ব্রিজটির মাঝখানে ভেঙে পড়ায় এখান দিয়ে বড় কোনো ধরনের যানবাহন চলছে না। ফলে কৃষি পন্য নিয়ে বহু পথ ঘুরে বাজারে পৌঁছাতে হয়। স্থানীয়দের দাবি ভোগান্তি দূর করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন ব্রিজটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়।

কালমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন হাওলাদার জানান, প্রায় ৫ বছর ধরে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে আছে। সরকারি ভাবে কেনো বরাদ্দ না থাকায় মেরামত কিংবা নুতন ব্রীজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে এলজিইডির লালমোহন উপজেলা প্রকৌশলী রাজীব শাহ বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর ব্রিজটির জন্য বরাদ্দের আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই ব্রিজটি নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/আরএস