চরফ্যাসন প্রতিবেদক: আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কৃষকের চাষের জমি দখল করে নিয়েছেন প্রভাবশালীরা। ভোলার চরফ্যাসনের শশীভূষণ থানার নাংলাপাতা গ্রামের হানিফ চকিদারদের এ অভিযোগ করেছেন জমির মালিক হেজু মিয়া। দখলকৃত জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তার। দখলকৃত জমি উদ্ধার করতে না পেরে আদালতে মামলা করেছেন হেজু মিয়া। পরে অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দেন। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই কৃষকের জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
অভিযোগে জানা গেছে, নাংলাপাতা গ্রামের এসএ ৬৫ খতিয়ানের ১৮ শতাংশ জমির দখল নিয়ে স্থানীয় আব্দুর রব পন্ডিত ওরফে হেজু মিয়া বেপারী এবং হানিফ চৌকিদারের মধ্যে বিরোধ চলছে। ১৯৭৮ সনে মূল মালিক তাজল ইসলাম গংদের থেকে দলিলমূলে ক্রয় করেন আবদুর রব পন্ডিত। কিন্তু কয়েকদিন আগে দাপট দেখিয়ে জমিটি দখলে নেন হানিফ চৌকিদার। একইসঙ্গে জমিতে নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
আবদুর রব পন্ডিত জানান, রেকর্ডীয় মূল মালিক থেকে ক্রয় করে দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে জমিটি ভোগদখলে ছিলেন তিনি। কিন্ত সম্প্রতি হানিফ চৌকিদারকে সামনে রেখে একদল দুবৃর্ত্ত ওই জমি জবর দখলের তৎপরতা শুরু করে। যার ফলে তিনি চরফ্যাসন সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১২৫/২০২৩ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের একদিন পর গত ২০ মার্চ হানিফ চৌকিদার ও তার সহযোগিরা জমিতে একটি একচালা ঘর তুলে দখল নেয়ার তৎপরতা চালায়। যার প্রেক্ষিতে আদালত নির্মাণে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন। কিন্তু আদালতের এই আদেশ না মেনেই হানিফ চৌকিদার ও তার সহযোগিরা জমিতে মাটি ভরাট এবং ঘর নির্মাণ শুরু করেন।
অভিযুক্ত হানিফ চকিদার জানান, তিনি রেকর্ড সুত্রে জমির মালিক। এটি এতোদিন হেজু মিয়া দখলে কের রেখেছিলেন। এখন তিনি সেটি উদ্ধার করে ঘর নির্মাণ করছেন।
এদিকে, এ ব্যাপারে শশীভূষণ থানার ওসি মিজানুর রহমান পাটওয়ারী জানান, কোন পক্ষই বিষয়টিতে থানায় অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
শহিদুল ইসলাম জামাল/ইবিটাইমস/আরএস