ধান ক্ষেতে পড়েছিলো ব্যবসায়ীর মরদেহ, পরিবারের দাবী হত্যা

চরফ্যাশন(ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাশনে নিখোঁজের তিনদিন পর ধান ক্ষেত থেকে আবদুল খালেক(৪৫) নামের এক ঔষাধ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে শশীভূষণ থানা পুলিশ। গতকাল রোববার সকালে ওই থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের মুনসীগঞ্জ এলাকার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আবদুল খালেক ওই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল আজিজের ছেলে। তবে তিনি পৌরসভায় আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

নিহতের স্ত্রী রাজিয়া বেগম জানান, জায়গা জমি নিয়ে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সাথে স্বামী আবদুল খালেকের মামলা মোকদ্দমা চলমান ছিলো। সেকারনেই তিনি ভাড়া বাসা নিয়ে পৌর সদরের বসবাস করতেন। পাশাপাশি তিনি পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে হরিবাড়ি এলাকায় ঔষাধের ফার্মেসি পরিচালনা করে আসছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে অজ্ঞাত ফোন কলে বাসা থেকে বের হয়ে স্বামী আবদুল খালেক আর বাসায় ফিরেননি। অনেক খুঁজে তার হদিস না পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় তিনি বাদী হয়ে শশীভূষণ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। গতকাল রোববার সকালে শশীভূষণ থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের মুনসীগঞ্জ এলাকায় একটি ধান থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর থানা পুলিশের খবরে তিনি গিয়ে স্বামীর সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন কল দিয়ে তার স্বামীর অর্ধগলিত মরদেহ সনাক্ত করেন তিনি।

তিনি আরও দাবী করেন, হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের একাধিক ব্যক্তির সাথে তার মামলা মোকদ্দমা চলমান থাকায় ডেকে নিয়ে তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে মরদেহটি ওই ইউনিয়নের তার গ্রামের বাড়ির পার্শ্ববর্তী ২ নম্বর ওয়ার্ডের ধান ক্ষেতে ফেলে রেখে যান দূর্বৃত্তরা। তবে জমিজামা নিয়ে মামলা মোকদ্দমার কারনেই তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে দাবী নিহত আবদুল খালেকের পরিবারের।

শশীভূষণ থানার ওসি মিজানুর রহমান পাটোয়ারী জানান, নিহতের শরীরের আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। এবং মরদেহের প্যান্টের পকেটে একটি স্মাটফোনসহ দুটি মোবাইল ও প্রায় লক্ষাধিক টাকা এবং একটি টর্চ লাইট পাওয়া যায়। তবে মৃত্যুর কারন এখনও সনাক্ত করা যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ভোলা মর্গে পাঠনো হয়েছে।

শহিদুল ইসলাম জামাল/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »