ভিয়েনা ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৯,৩৯৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত হলেন যারা পুলিশ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা দেবে ইউনেস্কো ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট কাল তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী সংসদ সচিবালয় কমিশনের ৩৭তম বৈঠকে বাজেট অনুমোদন

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য কোকোর মৃত্যু-মির্জা ফখরুল

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৬৯ সময় দেখুন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো

বাংলাদেশ ডেস্কঃ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় কোকোর মৃত্যু হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান এবং বর্তমান চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট সন্তান। তার বড় ভাই বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। কোকো রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন না। তিনি ছিলেন ক্রীড়াবিদ। তথাপি রাজনীতিবিদ না হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় ঘটনা ওয়ান-ইলেভেনের পরে আরাফাত রহমান কোকোকে মিথ্যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়। আরাফাত রহমান কোকো অসাধারণ ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে আদরের ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। দেশের মাটিতে ভালো চিকিৎসা না পেয়ে করুণ অবস্থায় তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। জিয়া পরিবার সব সময় এ দেশের মানুষের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, গণতন্ত্রের প্রতীক। আমরা আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাকে বেহেস্ত নসিব করেন।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশের মানুষ আজ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে, সংগ্রাম করছে। বিএনপিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের অসংখ্য নেতাকর্মী কারাগারে আছেন। এ চলমান আন্দোলনে আমাদের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী শহিদ হয়েছেন। তারপরও মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা সফল হবো, জয়ী হবো এবং এ অনির্বাচিত সরকারকে পরাজিত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।

এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর নেতা নবী উল্লাহ নবী, আব্দুল আলিম নকি, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এখানে উল্লেখ্য যে,২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ইন্তেকাল করেন বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকো। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। মৃত্যুর চার দিন পর ২৮ জানুয়ারি তাঁর মরদেহ দেশে আনা হয়। ওই দিনই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৯,৩৯৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য কোকোর মৃত্যু-মির্জা ফখরুল

আপডেটের সময় ০৪:৩৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো

বাংলাদেশ ডেস্কঃ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় কোকোর মৃত্যু হয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান এবং বর্তমান চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট সন্তান। তার বড় ভাই বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। কোকো রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন না। তিনি ছিলেন ক্রীড়াবিদ। তথাপি রাজনীতিবিদ না হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় ঘটনা ওয়ান-ইলেভেনের পরে আরাফাত রহমান কোকোকে মিথ্যে মামলায় গ্রেফতার করা হয়। আরাফাত রহমান কোকো অসাধারণ ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে আদরের ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। দেশের মাটিতে ভালো চিকিৎসা না পেয়ে করুণ অবস্থায় তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। জিয়া পরিবার সব সময় এ দেশের মানুষের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, গণতন্ত্রের প্রতীক। আমরা আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাকে বেহেস্ত নসিব করেন।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশের মানুষ আজ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে, সংগ্রাম করছে। বিএনপিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের অসংখ্য নেতাকর্মী কারাগারে আছেন। এ চলমান আন্দোলনে আমাদের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী শহিদ হয়েছেন। তারপরও মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা সফল হবো, জয়ী হবো এবং এ অনির্বাচিত সরকারকে পরাজিত করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করব।

এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর নেতা নবী উল্লাহ নবী, আব্দুল আলিম নকি, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এখানে উল্লেখ্য যে,২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ইন্তেকাল করেন বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকো। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। মৃত্যুর চার দিন পর ২৮ জানুয়ারি তাঁর মরদেহ দেশে আনা হয়। ওই দিনই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস