বিনোদন ডেস্ক: জয়া আহসান। এই সময়ের বাংলার সিনে দর্শকের কাছে ভীষণ প্রিয় একটি নাম। এক সময় ছোট পর্দা মাতিয়েছেন দাপটের সাথে। এখন সমান দাপট নিয়ে শাসন করছেন বড় পর্দা, শুধু বাংলাদেশ নয়- জয়া এখন সমান জনপ্রিয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সিনেপ্রেমীদের কাছেও।
শুক্রবার (১ জুলাই) দেশের জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বাংলাদেশ, ভারতের তারকা নির্মাতা, অভিনেতা থেকে শুরু করে সাধারণ ভক্ত অনুরাগীরাও। আলোচনায় উঠে আসছে জয়া অভিনীত টেলিভিশন-সিনেমার অতীত কাজগুলোর কথাও, যে কাজগুলো নিয়ে দর্শকের আছে মুগ্ধতা।
জয়া নিজের কাজ দিয়ে পৌঁছে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। পরিচয়ের জন্য তার নামটাই যথষ্ট। দুই বাংলাতেই রয়েছে তার অভিনয়ের সুখ্যাতি। জয়া যেন অভিনয়ে একজন সাক্ষাৎ দেবী। তার সুনিপুণ অভিনয়ে মুগ্ধ করে যাচ্ছে দুই দেশের কোটি ভক্তের মনকে।
১৯৮৩ সালের ১ জুলাই গোপালগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন জয়া আহসান। এই অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার শুরু হয় নব্বই দশকের শেষদিকে মডেল হিসেবে। এরপর অভিনয় করেন নাটক-টেলিছবিতে। এরপর আসেন বড় পর্দায়। ২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ব্যাচেলর’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় নাম লেখান তিনি।
২০১১ সালে জয়া তানিম নূর পরিচালিত ‘ফিরে এসো বেহুলা’ এবং নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু পরিচালিত ‘গেরিলা’-য় অভিনয় করেন। এর মধ্যে ‘গেরিলা’ তাকে এনে দেয় দারুণ গ্রহণযোগ্যতা। এই সিনেমার জন্য জয়া ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জুরিদের বিচারে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করেন। একই বছর প্রদত্ত মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে সমালোচকদের বিচারে শ্রেষ্ঠ নারী চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী বিভাগে পুরস্কার জিতে নেন তিনি। এছাড়া ২০১৩ সালে পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
ব্যক্তিগত জীবনে জয়া আহসান বিয়ে করেছিলেন মডেল-অভিনেতা ফয়সাল আহসানকে। তবে ২০১১ সালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর আর নতুন করে বিয়ে করেননি তিনি।
সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেয়েছে জয় আহসান অভিনীত সিনেমা ‘ঝরা পালক’। কবি জীবনানন্দ দাশের জীবনের ঘটনা নিয়ে সায়ন্তন মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ছবিটি তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ব্রাত্য বসু।
ডেস্ক/ইবিটাইমস/এমএইচ