ভিয়েনা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে সড়ক সম্প্রসারণে অনিয়মের অভিযোগ, নিম্নমানের ইট-বালিতে ঝুঁকিতে ৪০ লাখ টাকার প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে ব্যয় সংকোচনে সাধনে এসি ব্যবহার করি না : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী লালমোহনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবদল কর্মী নিহত লালমোহনে জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কলেজ ছাত্র রিজওয়ান রশীদের বানানো ‘রেসিং কার’ চালিয়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে দমকলকর্মীরা রাজধানীর বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সরকার মানুষের আশার প্রতিফলন: প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ‘বাল্লা লোকাল’ ট্রেন এখন শুধুই স্মৃতি

ঝালকাঠির পরবিত্তলোভি, মাছের ঘের থেকে জোরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মে ২০২২
  • ৫১ সময় দেখুন

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার বৈচন্ডি গ্রামের রতন কুমার রয়ের মাছের চাষ বাধাগ্রস্থ করছে একই এলাকার পরবিত্তলোভি একটি চক্র। এরা বার বার রতন রায়ের চাষ করা মাছের খামার থেকে জেরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের সাথে সরকার দলের এক শ্রেণীর নামধারি ব্যাক্তিরা মদত দিচ্ছে। ফলে রতন কুমার রায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এই চক্রটি আইন-আদালতের নির্দেশও তোয়াক্কা করে না।

একই এলাকার এই চক্রের শহিদুল ইসলাম হাওলাদার, ফরুক আকন, শহিদুল আকন, আবুল হোসেন হাওলাদার, জসিম হাওলাদার ও রুবেল হাওলাদারের সমন্বয়ে এই চক্রটি রতন রায়ের বৈচন্ডি মৌজার এস.এ-৭৪০ খতিয়ানের ৩.৪৬ একরের মাছের ঘের থেকে অবৈধ পেশি শক্তি খাটিয়ে এই ধরনের কাজ করে যাচ্ছে। তারা মাছের ঘেরের জায়গাটি ভোগ দখলের পায়তারা হিসেবে রাতন রায়কে হয়রানি করে চলেছে। এই চক্রটি জাল নিলামের কাগজপত্র রয়েছে বলে দাবী করলেও আদালতে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি এবং রাতন রায়ের পক্ষে মালিকানা স্বত্ত্ব বজায় রয়েছে।

রাতন কুমার রায় জানান, ৬ বছর ধরে সে মাছের চাষ করে আসছে এবং মাছ বাজারজাত করার পর্যায় এলে তারা লোকজন নিয়ে মাছ ধরে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে বারবার পুলিশ-প্রশাসন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের কাছে সহায়তা চাইতে হচ্ছে। পুলিশ তাড়া দিলে এই পরবিত্তলোভিরা কিছুদিন থেমে থেকে পুনরায় একই কাজ করে চলেছে।

পরবিত্তলোভি চক্রের আবুল হাওলাদারের পিতা মালেক হাওলাদার দাবী করেন তাদের এই জায়গার নিলাম ক্রয়ের কাগজপত্র রয়েছে কিন্তু তারা ভুয়া জাল-জালিয়াতির কাগজপত্র পুলিশ ও আইন-আদালতে দাখিল করতে পারছে না।

একই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর মোঃ মনিরুজ্জামান মনির জানান, এই জায়গার প্রকৃত মালিক রতন কুমার রায়। তিনি ৬ বছর ধরে মাছের চাষ করে আসছে। তার প্রতিপক্ষ পরবিত্তলোভি চক্র পেশি শক্তি প্রদর্শন করে বারবার মাছের ঘের থেকে মাছ ধরে নিয়ে রতন কুমার রায়কে হয়রানি করে চলেছে।

নলছিটি বহুমুখি মৎস হ্যাচারি ফার্মের মালিক আলো চৌধুরি জানান, রতন কুমার রায় তার কাছ থেকে মাছ চাষের জন্য মাছের পোনা ক্রয় করছে এবং বারবার তার মাছের চাষ থেকে মাছ ধরে নেয়ায় রতন কুমার রায় আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কারনে মাছের পোনা বিক্রির টাকাও দিতে পারছে না।

এলাকায় সরজমিনে ইউরো বাংলা টাইমসের প্রতিনিধি গেলে, এলাকাবাসি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং এই চক্রটি একটি জামাত পন্থি ও তারা সরকারি দলের কিছু নামধারি ব্যাক্তির পরোক্ষ মদতে সংখ্যালঘু বিধায় রতন কুমার রায়কে হয়রানি ও নিযার্তন করে এই জায়গাটি দখলের পায়তারা করছে।

ঝালকাঠি /ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

লালমোহনে সড়ক সম্প্রসারণে অনিয়মের অভিযোগ, নিম্নমানের ইট-বালিতে ঝুঁকিতে ৪০ লাখ টাকার প্রকল্প

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝালকাঠির পরবিত্তলোভি, মাছের ঘের থেকে জোরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে

আপডেটের সময় ০২:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মে ২০২২

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার বৈচন্ডি গ্রামের রতন কুমার রয়ের মাছের চাষ বাধাগ্রস্থ করছে একই এলাকার পরবিত্তলোভি একটি চক্র। এরা বার বার রতন রায়ের চাষ করা মাছের খামার থেকে জেরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের সাথে সরকার দলের এক শ্রেণীর নামধারি ব্যাক্তিরা মদত দিচ্ছে। ফলে রতন কুমার রায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এই চক্রটি আইন-আদালতের নির্দেশও তোয়াক্কা করে না।

একই এলাকার এই চক্রের শহিদুল ইসলাম হাওলাদার, ফরুক আকন, শহিদুল আকন, আবুল হোসেন হাওলাদার, জসিম হাওলাদার ও রুবেল হাওলাদারের সমন্বয়ে এই চক্রটি রতন রায়ের বৈচন্ডি মৌজার এস.এ-৭৪০ খতিয়ানের ৩.৪৬ একরের মাছের ঘের থেকে অবৈধ পেশি শক্তি খাটিয়ে এই ধরনের কাজ করে যাচ্ছে। তারা মাছের ঘেরের জায়গাটি ভোগ দখলের পায়তারা হিসেবে রাতন রায়কে হয়রানি করে চলেছে। এই চক্রটি জাল নিলামের কাগজপত্র রয়েছে বলে দাবী করলেও আদালতে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি এবং রাতন রায়ের পক্ষে মালিকানা স্বত্ত্ব বজায় রয়েছে।

রাতন কুমার রায় জানান, ৬ বছর ধরে সে মাছের চাষ করে আসছে এবং মাছ বাজারজাত করার পর্যায় এলে তারা লোকজন নিয়ে মাছ ধরে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে বারবার পুলিশ-প্রশাসন ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিদের কাছে সহায়তা চাইতে হচ্ছে। পুলিশ তাড়া দিলে এই পরবিত্তলোভিরা কিছুদিন থেমে থেকে পুনরায় একই কাজ করে চলেছে।

পরবিত্তলোভি চক্রের আবুল হাওলাদারের পিতা মালেক হাওলাদার দাবী করেন তাদের এই জায়গার নিলাম ক্রয়ের কাগজপত্র রয়েছে কিন্তু তারা ভুয়া জাল-জালিয়াতির কাগজপত্র পুলিশ ও আইন-আদালতে দাখিল করতে পারছে না।

একই এলাকার সাবেক কাউন্সিলর মোঃ মনিরুজ্জামান মনির জানান, এই জায়গার প্রকৃত মালিক রতন কুমার রায়। তিনি ৬ বছর ধরে মাছের চাষ করে আসছে। তার প্রতিপক্ষ পরবিত্তলোভি চক্র পেশি শক্তি প্রদর্শন করে বারবার মাছের ঘের থেকে মাছ ধরে নিয়ে রতন কুমার রায়কে হয়রানি করে চলেছে।

নলছিটি বহুমুখি মৎস হ্যাচারি ফার্মের মালিক আলো চৌধুরি জানান, রতন কুমার রায় তার কাছ থেকে মাছ চাষের জন্য মাছের পোনা ক্রয় করছে এবং বারবার তার মাছের চাষ থেকে মাছ ধরে নেয়ায় রতন কুমার রায় আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কারনে মাছের পোনা বিক্রির টাকাও দিতে পারছে না।

এলাকায় সরজমিনে ইউরো বাংলা টাইমসের প্রতিনিধি গেলে, এলাকাবাসি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং এই চক্রটি একটি জামাত পন্থি ও তারা সরকারি দলের কিছু নামধারি ব্যাক্তির পরোক্ষ মদতে সংখ্যালঘু বিধায় রতন কুমার রায়কে হয়রানি ও নিযার্তন করে এই জায়গাটি দখলের পায়তারা করছে।

ঝালকাঠি /ইবিটাইমস