ভিয়েনা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই বান্দরবানে ৪ পর্যটককে উদ্ধার করেছে বিজিবি সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে: মাহদী আমিন লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের ৩৭৬টি ড্রোন প্রতিহতের দাবি রাশিয়ার চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ ব্যক্তির মৃত্যু পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

অস্ট্রিয়ায় করোনার নতুন বিধিনিষেধের ফলে সংক্রমণের বিস্তার কমে আসছে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২
  • ১০০ সময় দেখুন

অস্ট্রিয়ার সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, সরকার সমগ্র দেশে পুনরায় FFP2 মাস্ক বাধ্যতামূলক সহ আরও কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করায় করার ফলে সংক্রমণের বিস্তার দ্রুত কমে আসছে

ইউরোপ ডেস্কঃ অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানিয়েছেন দেশের কোভিড প্রগনোসিস কনসোর্টিয়াম আশা করছে নতুন করোনা সংক্রমণের সংখ্যা আরও কমবে এবং “নিবিড় পরিচর্যা এবং স্বাভাবিক হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে আসবে।কমিটি অস্ট্রিয়ার জন্য তার বর্তমান করোনা পূর্বাভাসে এমন আশার কথাই জানালেন।

আজ বুধবার দেশে আইসিইউ রোগীর সংখ্যা ২৪৫ এবং হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আজ রোগীর সংখ্যা ৩,৩০১ জন।বিশেষজ্ঞদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী উভয় সংখ্যাই পরের সপ্তাহে লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পাবে। এপিএ – এর মতে দেশের সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞদের পরিসংখ্যান সঠিক হলে, এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত করোনার সংক্রমণের বিস্তার হ্রাস অব্যাহত থাকবে।যাই হোক না কেন, দুই সপ্তাহে (১৩ এপ্রিল পর্যন্ত) নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) ২০০ জনেরও কম রোগী ভর্তি থাকতে হবে। আর ততক্ষণে, স্বাভাবিক ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা ১,৫০০ থেকে ২,৩৫০-এর মধ্যে নেমে যাওয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোভিড প্রগনোসিস কনসোর্টিয়াম নিশ্চিত করেছেন যে,FFP2 মাস্ক পড়ার নিয়ম বাধ্যতামূলক ও রাতের গ্যাস্ট্রোনমিতে 3G নিয়ম ফিরিয়ে আনায় সংক্রমণের বিস্তার রোধে ভালো প্রভাব ফেলছে।বর্তমানে অস্ট্রিয়া সহ ইউরোপের অধিকাংশ দেশে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সাব ভ্যারিয়েন্ট BA.2 এর প্রাদুর্ভাব চলছে।

অস্ট্রিয়ায় গত সাত দিনে প্রতি ১,০০,০০০ লাখ জনপদে করোনায় আক্রান্ত প্রায় ২,৪৪৬ জন।আশা করা হচ্ছে এই সংখ্যা আগামী সপ্তাহে ১,২০০ থেকে ১,৫০০ হাজারের মধ্যে নেমে আসবে।

এদিকে আজ অস্ট্রিয়ায় নতুন করে করোনায় সংক্রামিত শনাক্ত হয়েছেন ৩৪,৭৪৩ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৮ জন। রাজধানী ভিয়েনায় আজ নতুন করে সংক্রামিত শনাক্ত হয়েছেন ৭,৯১০ জন।

অন্যান্য ফেডারেল রাজ্যের মধ্যে NÖ রাজ্যে ৯,০৯৭ জন,OÖ রাজ্যে ৬,০১০ জন,Steiermark রাজ্যে ৪,৫৩৭ জন,Salzburg রাজ্যে ২,০৩৭ জন,Vorarlberg রাজ্যে ১,৫৬২ জন,Tirol রাজ্যে ১,৫০৫ জন,Kärnten রাজ্যে ১,১৪১ জন এবং Burgenland রাজ্যে ৯৪৪ জন নতুন করে করোনায় সংক্রামিত শনাক্ত হয়েছেন।

অস্ট্রিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী আজ সমগ্র অস্ট্রিয়ায় করোনার প্রতিষেধক টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ১৭৫ জন এবং করোনার বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেছেন ২,৩৭৮ জন। অস্ট্রিয়ায় বর্তমানে করোনার প্রতিষেধক টিকার বৈধ সনদের অধিকারী ৬২,০৫,১১০ জন,যা দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬৯,১ শতাংশ।

অস্ট্রিয়ায় এই পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮,০৫,১৫৫ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১৫,৮১২ জন। করোনার থেকে এই পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করেছেন ৩৪,১৫,৮৬৯ জন। বর্তমানে করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩,৭৩,৪৭৪ জন।এর মধ্যে আইসিইউতে আছেন ২৪৫ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৩,৩০১ জন। বাকীরা নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

অস্ট্রিয়ায় করোনার নতুন বিধিনিষেধের ফলে সংক্রমণের বিস্তার কমে আসছে

আপডেটের সময় ০৬:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২

অস্ট্রিয়ার সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, সরকার সমগ্র দেশে পুনরায় FFP2 মাস্ক বাধ্যতামূলক সহ আরও কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করায় করার ফলে সংক্রমণের বিস্তার দ্রুত কমে আসছে

ইউরোপ ডেস্কঃ অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানিয়েছেন দেশের কোভিড প্রগনোসিস কনসোর্টিয়াম আশা করছে নতুন করোনা সংক্রমণের সংখ্যা আরও কমবে এবং “নিবিড় পরিচর্যা এবং স্বাভাবিক হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে আসবে।কমিটি অস্ট্রিয়ার জন্য তার বর্তমান করোনা পূর্বাভাসে এমন আশার কথাই জানালেন।

আজ বুধবার দেশে আইসিইউ রোগীর সংখ্যা ২৪৫ এবং হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আজ রোগীর সংখ্যা ৩,৩০১ জন।বিশেষজ্ঞদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী উভয় সংখ্যাই পরের সপ্তাহে লক্ষণীয়ভাবে হ্রাস পাবে। এপিএ – এর মতে দেশের সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞদের পরিসংখ্যান সঠিক হলে, এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত করোনার সংক্রমণের বিস্তার হ্রাস অব্যাহত থাকবে।যাই হোক না কেন, দুই সপ্তাহে (১৩ এপ্রিল পর্যন্ত) নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) ২০০ জনেরও কম রোগী ভর্তি থাকতে হবে। আর ততক্ষণে, স্বাভাবিক ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা ১,৫০০ থেকে ২,৩৫০-এর মধ্যে নেমে যাওয়া উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোভিড প্রগনোসিস কনসোর্টিয়াম নিশ্চিত করেছেন যে,FFP2 মাস্ক পড়ার নিয়ম বাধ্যতামূলক ও রাতের গ্যাস্ট্রোনমিতে 3G নিয়ম ফিরিয়ে আনায় সংক্রমণের বিস্তার রোধে ভালো প্রভাব ফেলছে।বর্তমানে অস্ট্রিয়া সহ ইউরোপের অধিকাংশ দেশে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সাব ভ্যারিয়েন্ট BA.2 এর প্রাদুর্ভাব চলছে।

অস্ট্রিয়ায় গত সাত দিনে প্রতি ১,০০,০০০ লাখ জনপদে করোনায় আক্রান্ত প্রায় ২,৪৪৬ জন।আশা করা হচ্ছে এই সংখ্যা আগামী সপ্তাহে ১,২০০ থেকে ১,৫০০ হাজারের মধ্যে নেমে আসবে।

এদিকে আজ অস্ট্রিয়ায় নতুন করে করোনায় সংক্রামিত শনাক্ত হয়েছেন ৩৪,৭৪৩ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৮ জন। রাজধানী ভিয়েনায় আজ নতুন করে সংক্রামিত শনাক্ত হয়েছেন ৭,৯১০ জন।

অন্যান্য ফেডারেল রাজ্যের মধ্যে NÖ রাজ্যে ৯,০৯৭ জন,OÖ রাজ্যে ৬,০১০ জন,Steiermark রাজ্যে ৪,৫৩৭ জন,Salzburg রাজ্যে ২,০৩৭ জন,Vorarlberg রাজ্যে ১,৫৬২ জন,Tirol রাজ্যে ১,৫০৫ জন,Kärnten রাজ্যে ১,১৪১ জন এবং Burgenland রাজ্যে ৯৪৪ জন নতুন করে করোনায় সংক্রামিত শনাক্ত হয়েছেন।

অস্ট্রিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী আজ সমগ্র অস্ট্রিয়ায় করোনার প্রতিষেধক টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ১৭৫ জন এবং করোনার বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেছেন ২,৩৭৮ জন। অস্ট্রিয়ায় বর্তমানে করোনার প্রতিষেধক টিকার বৈধ সনদের অধিকারী ৬২,০৫,১১০ জন,যা দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৬৯,১ শতাংশ।

অস্ট্রিয়ায় এই পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮,০৫,১৫৫ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ১৫,৮১২ জন। করোনার থেকে এই পর্যন্ত আরোগ্য লাভ করেছেন ৩৪,১৫,৮৬৯ জন। বর্তমানে করোনার সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩,৭৩,৪৭৪ জন।এর মধ্যে আইসিইউতে আছেন ২৪৫ জন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৩,৩০১ জন। বাকীরা নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস