ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে তৈল জাতীয় ফসল হিসেবে সরিষার পাশা-পাশি সূর্য্যমূখী চাষের আবাদ সম্প্রসারিত হচ্ছে। ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ধারাখানা গ্রামে হায়দার মাঝিসহ একাধিক কৃষক এই গ্রামের ৫বিঘা জমিতে সূর্য্যমূখির আবাদ করেছে।
সূর্য্যমূখি চাষাবাদে কৃষকরা ভালো ফলন পাবেন আশা করছে। তবে, এই জাতীয় সূর্য্যমূখি চাষের ক্ষেত্রে বড় বাধা ও হুমকী টিয়া পাখির আক্রমন। কৃষকরা জানান, বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝঁকে ঝাঁকে টিয়া পাখি সূর্য্যমূখির ফল খেয়ে যায়। এ জন্য তাদের সকাল বিকাল সব সময় খেত পাহাড়া দিতে হয়।
কৃষি বিভাগের হিসাব মতে, এ অঞ্চলে সূর্য্যমূখির উৎপাদন হেক্টর প্রতি ১.৮ মে.টন থেকে ২ মে.টন। এ অঞ্চলে হাইব্রিড, হাইসন্স-৩৩, বারি সূর্য্যমূখি-২ এ জাতীয় সূর্যমূখির চাষ হচ্ছে।
মঙ্গলবার বিকালে হায়দার মাঝির বাড়ির উঠানে রবি মৌসুমের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় তৈল প্যাটান ভিত্তিক তৈল জাতীয় ফসলের মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা হয়েছে।
আলোচনা ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বরিশাল অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ তাওফিকুল আলম প্রধান অতিথি ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মনিরুল ইসলাম তৈল জাতীয় ফসল উৎপাদন প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার রথিন্দ্রনাথ বিশ্বাস, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ রিফাত সিকদার। সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সুলতানা আফরোজ।
অন্যদের মধ্যে প্রকল্প চাষির হায়দার মাঝি বক্তব্য রাখেন। মাঠ দিবসে এলাকার কৃষক-কৃষানিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাধন রায়/ইবিটাইমস