ভিয়েনা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৯,৩৯৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত হলেন যারা পুলিশ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা দেবে ইউনেস্কো ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট কাল তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী সংসদ সচিবালয় কমিশনের ৩৭তম বৈঠকে বাজেট অনুমোদন

কাউখালীতে নির্মানের একমাসের মধ্যে ধসে পড়েছে দেয়াল

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:২২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৪৪ সময় দেখুন

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট;পিরোজপুর : পিরোজপুরের কাউখালীতে নির্মানের এক মাসের মধ্যে দেয়াল ভেঙ্গে পড়েছে। নির্মান কাজে অনিয়মের কারনে এমনটি ঘটেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা সদরের সরকারী বালক বিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠ সংলগ্ন স্থানে নির্মান কার দেয়াল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদরের সরকারী  বালক বিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠ ও রাস্তার ভাঙ্গন রোধে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে ১০ টন খাদ্য শষ্যের বিনিময় ওই গাইড ওয়াল নির্মান করা হয়। ওই নির্মান কাজের সিপিসি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় স্থানীয় মো. দুলাল হোসেন নামের এক সাবেক সেনা সদস্যকে।

স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার  (১৬ ফেব্রুয়ারী) সেখানে মেশিন দিয়ে বালু ভরাটের সময় দেয়ালটি ভেঙ্গে পড়ে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে নির্মিত ওই দেয়ালে নেই কোন পিলার। ওই কাজের নির্মান মিস্ত্রী মজনু জানান, গাইড ওয়ালটিতে কোন পিলার না থাকায় বালু দেয়ার সময় চাপের কারনে তা ভেঙ্গে গেছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, কাজটি কাবিখা প্রকল্পের আওতায় চলমান রয়েছে। কাজের কোন বিল দেয়া হয় নি। কাজ পুনরায় ঠিক করে দেয়া হবে। কাজের সিপিসি মো. দুলাল হোসেন জানান, আমাকে কাজের সিপিসি রাখা হয়েছে বলে জানি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিএম সাইফুল ইসলামের সাথে কথা বলতে একাধীকবার তার মুঠোফোনে দিলেও তিনি তা রিসিভ করেন নি। তবে এ ব্যাপারে ওই অফিসের প্রকৌশলী আসাদুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ ব্যাপরে কিছুই জানেন না বলে জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মাৎ খালেদা খাতুন রেখা জানান, ওই কাজটি স্থানীয় এমপি’র মাধ্যমে বরাদ্দ  আনা  হয়েছে। কাজটি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান করাচ্ছেন। কাজ এখনো  শেষ হয় নি, বিলও দেই নি। কাজেই কাজ বুঝে নিয়েই এর বরাদ্দ প্রদান কার হবে।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস/এম আর

জনপ্রিয়

সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩৯,৩৯৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

কাউখালীতে নির্মানের একমাসের মধ্যে ধসে পড়েছে দেয়াল

আপডেটের সময় ০৪:২২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট;পিরোজপুর : পিরোজপুরের কাউখালীতে নির্মানের এক মাসের মধ্যে দেয়াল ভেঙ্গে পড়েছে। নির্মান কাজে অনিয়মের কারনে এমনটি ঘটেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা সদরের সরকারী বালক বিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠ সংলগ্ন স্থানে নির্মান কার দেয়াল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদরের সরকারী  বালক বিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠ ও রাস্তার ভাঙ্গন রোধে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে ১০ টন খাদ্য শষ্যের বিনিময় ওই গাইড ওয়াল নির্মান করা হয়। ওই নির্মান কাজের সিপিসি হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয় স্থানীয় মো. দুলাল হোসেন নামের এক সাবেক সেনা সদস্যকে।

স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার  (১৬ ফেব্রুয়ারী) সেখানে মেশিন দিয়ে বালু ভরাটের সময় দেয়ালটি ভেঙ্গে পড়ে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে নির্মিত ওই দেয়ালে নেই কোন পিলার। ওই কাজের নির্মান মিস্ত্রী মজনু জানান, গাইড ওয়ালটিতে কোন পিলার না থাকায় বালু দেয়ার সময় চাপের কারনে তা ভেঙ্গে গেছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, কাজটি কাবিখা প্রকল্পের আওতায় চলমান রয়েছে। কাজের কোন বিল দেয়া হয় নি। কাজ পুনরায় ঠিক করে দেয়া হবে। কাজের সিপিসি মো. দুলাল হোসেন জানান, আমাকে কাজের সিপিসি রাখা হয়েছে বলে জানি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিএম সাইফুল ইসলামের সাথে কথা বলতে একাধীকবার তার মুঠোফোনে দিলেও তিনি তা রিসিভ করেন নি। তবে এ ব্যাপারে ওই অফিসের প্রকৌশলী আসাদুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি এ ব্যাপরে কিছুই জানেন না বলে জানান।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মাৎ খালেদা খাতুন রেখা জানান, ওই কাজটি স্থানীয় এমপি’র মাধ্যমে বরাদ্দ  আনা  হয়েছে। কাজটি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান করাচ্ছেন। কাজ এখনো  শেষ হয় নি, বিলও দেই নি। কাজেই কাজ বুঝে নিয়েই এর বরাদ্দ প্রদান কার হবে।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস/এম আর