ভিয়েনা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই বান্দরবানে ৪ পর্যটককে উদ্ধার করেছে বিজিবি সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে: মাহদী আমিন লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের ৩৭৬টি ড্রোন প্রতিহতের দাবি রাশিয়ার চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ ব্যক্তির মৃত্যু পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ভিয়েনায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এঁর ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালন

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অগাস্ট ২০২১
  • ৭০ সময় দেখুন

নিউজ  ডেস্কঃ ভিয়েনায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এঁর ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। করোনা মহামারীর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে এ উপলক্ষ্যে একটি অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবনের ওপর সাধারণ আলোচনা হয়। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতার আন্দোলন সংগ্রামের প্রতিটি ক্ষেত্রে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রেরণা ও অবদান রয়েছে। বক্তরা আরও বলেন, বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুর কারাগারে বন্দীকালীন সময়ে এবং সংগ্রাম মুখর জীবনে কোন প্রকার চাপের মধ্যে নতিস্বীকার না করতে বঙ্গবন্ধুকে সরাসরি সাহস জুগিয়েছেন। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব রাষ্ট্রপ্রধানের সহধর্মিনী হয়েও আজীবন সাধারণ জীবনযাপন করেছেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবনের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে বলেন, শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হওয়ার পেছনে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অনন্য অবদান রয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদানের ক্ষেত্রেও বঙ্গমাতার পরামর্শ নিয়েছিলেন, যা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত। জেলাখানায় বসে বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লিখতে উৎসাহ প্রদানের ক্ষেত্রেও বেগম মুজিবের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, মাত্র পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে বঙ্গমাতা পিতা-মাতাকে হারিয়ে সংগ্রামী জীবনের মধ্যে বেড়ে উঠেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে অনবদ্য অবদান রেখে তিনিও হয়ে উঠেন বঙ্গমাতা। তাঁর মত মহিয়সী নারীর জীবনদর্শন অনুসরণ করার মাধ্যমে নারী উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। মান্যবর রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের সকল শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

পরিশেষে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

নি ডে /ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ভিয়েনায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এঁর ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালন

আপডেটের সময় ০১:৪১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অগাস্ট ২০২১

নিউজ  ডেস্কঃ ভিয়েনায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্য দিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এঁর ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। করোনা মহামারীর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে এ উপলক্ষ্যে একটি অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবনের ওপর সাধারণ আলোচনা হয়। বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতার আন্দোলন সংগ্রামের প্রতিটি ক্ষেত্রে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রেরণা ও অবদান রয়েছে। বক্তরা আরও বলেন, বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুর কারাগারে বন্দীকালীন সময়ে এবং সংগ্রাম মুখর জীবনে কোন প্রকার চাপের মধ্যে নতিস্বীকার না করতে বঙ্গবন্ধুকে সরাসরি সাহস জুগিয়েছেন। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব রাষ্ট্রপ্রধানের সহধর্মিনী হয়েও আজীবন সাধারণ জীবনযাপন করেছেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবনের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে বলেন, শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা হওয়ার পেছনে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অনন্য অবদান রয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদানের ক্ষেত্রেও বঙ্গমাতার পরামর্শ নিয়েছিলেন, যা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত। জেলাখানায় বসে বঙ্গবন্ধুকে তাঁর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লিখতে উৎসাহ প্রদানের ক্ষেত্রেও বেগম মুজিবের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, মাত্র পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে বঙ্গমাতা পিতা-মাতাকে হারিয়ে সংগ্রামী জীবনের মধ্যে বেড়ে উঠেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে অনবদ্য অবদান রেখে তিনিও হয়ে উঠেন বঙ্গমাতা। তাঁর মত মহিয়সী নারীর জীবনদর্শন অনুসরণ করার মাধ্যমে নারী উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। মান্যবর রাষ্ট্রদূত জাতির পিতা, তাঁর পরিবারের সকল শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

পরিশেষে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

নি ডে /ইবিটাইমস