ভিয়েনা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে গাছ কর্তন করতে গিয়ে ১ বনদস্যু কুখ্যাত গাছ চোর আটক প্রতিবেশী দেশ মাদক ঢুকিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে চায় : প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু হবিগঞ্জের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ইসরাইলের ৩টি ট্যাংক ধ্বংসের দাবি হিজবুল্লাহর, লেবাননে নিহত ৩ সরকারের লক্ষ্য নগর ও পৌর এলাকায় নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা : প্রতিমন্ত্রীর টুকু রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে নকআউটে মেক্সিকো কাতারকে ৬-০ তে উড়িয়ে কানাডার ঐতিহাসিক জয় বসনিয়াকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে সুইজারল্যান্ডের জয়

রাজনৈতিক আশ্রয়াপ্রার্থীদের নির্বাসনে পাঠনোর পরিকল্পনা বৃটেনের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:০৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১
  • ১২০ সময় দেখুন

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে বৃটেন তার অভিবাসন নীতি কঠোর করার সিদ্ধান্ত 

ইউরোপ ডেস্কঃ দি টাইমস এবং দি সানডে টাইমসের উদ্ধৃতি দিয়ে জার্মানির সংবাদ সংস্থা ডয়েচে ভেলে (DW) জানিয়েছেন যুক্তরাজ্য (বৃটেন) তার নতুন আইনে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থীদের দ্বীপে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এখন থেকে যুক্তরাজ্যে কোন আশ্রয়প্রার্থী যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করলে তাদেরকে দেশটির অধীনে থাকা বিভিন্ন দ্বীপে স্থানান্তর করা হবে৷ এমন একটি আইন সংসদে তুলতে যাচ্ছে ব্রিটিশ সরকার, যাকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক বলে অভিহিত করেছেন বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।

সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়েছে আগামী সপ্তাহে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ‘ন্যাশনালিটি অ্যান্ড বর্ডার্স বিল’ (জাতীয়তা ও সীমান্ত আইন) নামের নতুন আইন তুলতে যাচ্ছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল৷ এই আইনের একটি পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশটিতে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের ভূখণ্ডের বাইরে কেন্দ্র খোলা হবে৷ অনিয়মিত পথে কেউ যুক্তরাজ্যে আসলে তাকে পাঠানো হবে সেখানে৷ প্রস্তাবিত দ্বীপগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আটলান্টিক সমুদ্রের অ্যাসসেনশন, জিব্রাল্টার ও আইল অব ম্যান৷

বৃটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর বিপুল সংখ্যক অভিবাসী অনিয়মিত পথে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেনে এসেছেন৷ ইতিমধ্যেই এই সংখ্যা ৫ হাজার ৬০০ জন।  এই স্রোত ঠেকাতে গত মার্চেই প্রাথমিক পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করে বৃটিশ সরকার৷ সাধারণত এই ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে লোকজন মধ্যবর্তী দেশ হিসাবে ডেনমার্কের সমুদ্রের তীর রুট হিসাবে ব্যবহার করছে।

সমস্যাটি দিনের পর দিন এতোটাই প্রকট আকার ধারন করেছে যে, চলতি মাসের শুরুতে প্রায় একই ধরনের একটি আইন পাস করেছে ডেনমার্কও৷ তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশটিতে আসা আশ্রয়াপ্রার্থীদের পাঠিয়ে দেওয়া হবে আফ্রিকার কোন এক তৃতীয় দেশে৷ এই জন্য ডেনিশ সরকার আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডার সাথে সমঝোতা চুক্তিও করেছে৷ এছাড়াও তিউনিসিয়া, ইথিওপিয়া, মিশর ও ইরিত্রিয়ার সাথেও আলোচনা চলছে বলে খবর প্রকাশ করেছে দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম৷ পরিকল্পনা অনুযায়ী আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদনের প্রক্রিয়াটিও সম্পন্ন করবে যেই দেশে তাদেরকে পাঠানো হবে সেই দেশের কর্তৃপক্ষ৷ আশ্রয় আবেদন গৃহীত হলে ডেনমার্কে নয় বরং তাদের থাকতে হবে সেই দেশেই৷ অর্থাৎ, কাউকে যদি রুয়ান্ডায় পাঠানো হয় এবং তার আশ্রয় আবেদন গৃহীত হয় তাহলে সেই অভিবাসীকে রুয়ান্ডাতেই থাকতে হবে৷

যুক্তরাজ্যের সরকার তাদের প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ডেনমার্কের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টাইমস৷ আফ্রিকায় দুই দেশই যাতে একটি আবেদন প্রক্রিয়া কেন্দ্র ভাগাভাগি করতে পারে সেই সম্ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রীতি প্যাটেল আলাপ করেছেন ডেনিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে। ব্রিটিশ টাইমস বলছে, নতুন আইনের মূল লক্ষ্য হল যারা ফ্রান্সের মতো ইউরোপের অন্যদেশগুলো থেকে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমাচ্ছেন সেসব অভিবাসীকে নির্বাসনে পাঠানো৷ মূলত যেকোন উপায়ে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম ঠেকাতে বদ্ধ পরিকর দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ টাইমসের সূত্র বলছে, সরকার এমন একটি ব্যবস্থা করতে চায়, যার মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে যুক্তরাজ্যে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের কাছে আর আকর্ষণীয় থাকবে না৷

ব্রিটিশ সরকারের এই দ্বিপান্তরের পরিকল্পনাটি এনজিও ও অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর প্রবল বিরোধিতায় পড়েছে৷ যুক্তরাজ্যের রিফিউজি কাউন্সিলের প্রধান এনভার সলোমোন একে ‘ঝুঁকিতে থাকার মানুষদের প্রতি নিষ্ঠুর ও নির্মম শত্রুতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন৷ লিবার্টি নামে একটি মানবাধিকার সংস্থা সমালোচনা করে বলেছে পরিকল্পনাটি অভিবাসীদের আরো বড় ধরনের মানবাধিকার ঝুঁকিতে ফেলবে৷

বৃটেনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টিও প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে বলেছে তারা এর বিপক্ষে ভোট দিবে৷ ব্রিটিশ দৈনিক “মিরর”এর এক প্রতিবেদনে লিবারেল ডেমোক্রেট দলের একজন মুখপাত্র প্রস্তাবটিকে ভয়াবহ ও অমানবিক হিসেবে অভিহিত করেছেন৷

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর (UNHCR) এর মুখপাত্র ম্যাথিও সাল্টমার্শ বিবিসি রেডিওকে বলেছেন, এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্য মূলত সমস্যার ভার আরেকজনের কাঁধে চাপাচ্ছে৷ তার মতে আন্তর্জাতিক শরণার্থী ব্যবস্থাপনার বিষয়টি প্রত্যেকের সহযোগিতার উপর নির্ভরশীল৷ তবে ব্রিটিশ সরকারের একটি সূত্র টাইমসকে সমালোচনার জবাবে এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়ে বলেছে, সমালোচনাকারীরা তাদের নিজেদের পরিকল্পনা নিয়ে আসতে ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছেন৷

কবির আহমেদ/ ইবিটাইমস

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে গাছ কর্তন করতে গিয়ে ১ বনদস্যু কুখ্যাত গাছ চোর আটক

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

রাজনৈতিক আশ্রয়াপ্রার্থীদের নির্বাসনে পাঠনোর পরিকল্পনা বৃটেনের

আপডেটের সময় ০৯:০৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুলাই ২০২১

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে বৃটেন তার অভিবাসন নীতি কঠোর করার সিদ্ধান্ত 

ইউরোপ ডেস্কঃ দি টাইমস এবং দি সানডে টাইমসের উদ্ধৃতি দিয়ে জার্মানির সংবাদ সংস্থা ডয়েচে ভেলে (DW) জানিয়েছেন যুক্তরাজ্য (বৃটেন) তার নতুন আইনে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থীদের দ্বীপে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এখন থেকে যুক্তরাজ্যে কোন আশ্রয়প্রার্থী যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করলে তাদেরকে দেশটির অধীনে থাকা বিভিন্ন দ্বীপে স্থানান্তর করা হবে৷ এমন একটি আইন সংসদে তুলতে যাচ্ছে ব্রিটিশ সরকার, যাকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক বলে অভিহিত করেছেন বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।

সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়েছে আগামী সপ্তাহে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ‘ন্যাশনালিটি অ্যান্ড বর্ডার্স বিল’ (জাতীয়তা ও সীমান্ত আইন) নামের নতুন আইন তুলতে যাচ্ছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল৷ এই আইনের একটি পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশটিতে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য যুক্তরাজ্যের ভূখণ্ডের বাইরে কেন্দ্র খোলা হবে৷ অনিয়মিত পথে কেউ যুক্তরাজ্যে আসলে তাকে পাঠানো হবে সেখানে৷ প্রস্তাবিত দ্বীপগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আটলান্টিক সমুদ্রের অ্যাসসেনশন, জিব্রাল্টার ও আইল অব ম্যান৷

বৃটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর বিপুল সংখ্যক অভিবাসী অনিয়মিত পথে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেনে এসেছেন৷ ইতিমধ্যেই এই সংখ্যা ৫ হাজার ৬০০ জন।  এই স্রোত ঠেকাতে গত মার্চেই প্রাথমিক পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করে বৃটিশ সরকার৷ সাধারণত এই ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে লোকজন মধ্যবর্তী দেশ হিসাবে ডেনমার্কের সমুদ্রের তীর রুট হিসাবে ব্যবহার করছে।

সমস্যাটি দিনের পর দিন এতোটাই প্রকট আকার ধারন করেছে যে, চলতি মাসের শুরুতে প্রায় একই ধরনের একটি আইন পাস করেছে ডেনমার্কও৷ তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশটিতে আসা আশ্রয়াপ্রার্থীদের পাঠিয়ে দেওয়া হবে আফ্রিকার কোন এক তৃতীয় দেশে৷ এই জন্য ডেনিশ সরকার আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডার সাথে সমঝোতা চুক্তিও করেছে৷ এছাড়াও তিউনিসিয়া, ইথিওপিয়া, মিশর ও ইরিত্রিয়ার সাথেও আলোচনা চলছে বলে খবর প্রকাশ করেছে দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম৷ পরিকল্পনা অনুযায়ী আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদনের প্রক্রিয়াটিও সম্পন্ন করবে যেই দেশে তাদেরকে পাঠানো হবে সেই দেশের কর্তৃপক্ষ৷ আশ্রয় আবেদন গৃহীত হলে ডেনমার্কে নয় বরং তাদের থাকতে হবে সেই দেশেই৷ অর্থাৎ, কাউকে যদি রুয়ান্ডায় পাঠানো হয় এবং তার আশ্রয় আবেদন গৃহীত হয় তাহলে সেই অভিবাসীকে রুয়ান্ডাতেই থাকতে হবে৷

যুক্তরাজ্যের সরকার তাদের প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ডেনমার্কের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বলে খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টাইমস৷ আফ্রিকায় দুই দেশই যাতে একটি আবেদন প্রক্রিয়া কেন্দ্র ভাগাভাগি করতে পারে সেই সম্ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি বৃটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রীতি প্যাটেল আলাপ করেছেন ডেনিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে। ব্রিটিশ টাইমস বলছে, নতুন আইনের মূল লক্ষ্য হল যারা ফ্রান্সের মতো ইউরোপের অন্যদেশগুলো থেকে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমাচ্ছেন সেসব অভিবাসীকে নির্বাসনে পাঠানো৷ মূলত যেকোন উপায়ে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম ঠেকাতে বদ্ধ পরিকর দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ টাইমসের সূত্র বলছে, সরকার এমন একটি ব্যবস্থা করতে চায়, যার মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে যুক্তরাজ্যে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের কাছে আর আকর্ষণীয় থাকবে না৷

ব্রিটিশ সরকারের এই দ্বিপান্তরের পরিকল্পনাটি এনজিও ও অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর প্রবল বিরোধিতায় পড়েছে৷ যুক্তরাজ্যের রিফিউজি কাউন্সিলের প্রধান এনভার সলোমোন একে ‘ঝুঁকিতে থাকার মানুষদের প্রতি নিষ্ঠুর ও নির্মম শত্রুতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন৷ লিবার্টি নামে একটি মানবাধিকার সংস্থা সমালোচনা করে বলেছে পরিকল্পনাটি অভিবাসীদের আরো বড় ধরনের মানবাধিকার ঝুঁকিতে ফেলবে৷

বৃটেনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টিও প্রস্তাবিত আইন নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে বলেছে তারা এর বিপক্ষে ভোট দিবে৷ ব্রিটিশ দৈনিক “মিরর”এর এক প্রতিবেদনে লিবারেল ডেমোক্রেট দলের একজন মুখপাত্র প্রস্তাবটিকে ভয়াবহ ও অমানবিক হিসেবে অভিহিত করেছেন৷

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর (UNHCR) এর মুখপাত্র ম্যাথিও সাল্টমার্শ বিবিসি রেডিওকে বলেছেন, এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্য মূলত সমস্যার ভার আরেকজনের কাঁধে চাপাচ্ছে৷ তার মতে আন্তর্জাতিক শরণার্থী ব্যবস্থাপনার বিষয়টি প্রত্যেকের সহযোগিতার উপর নির্ভরশীল৷ তবে ব্রিটিশ সরকারের একটি সূত্র টাইমসকে সমালোচনার জবাবে এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়ে বলেছে, সমালোচনাকারীরা তাদের নিজেদের পরিকল্পনা নিয়ে আসতে ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছেন৷

কবির আহমেদ/ ইবিটাইমস