ভিয়েনা ০৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষকের পাশে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি নলছিটিতে গাঁজাসহ ছাত্রদলনেতা আটক লালমোহনে বাস চাপায় শিশু নিহত সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী হাঁস চুরির দায়ে আটক যুবককে নামাজ পড়িয়ে মুক্তি! লালমোহন যুব রেড ক্রিসেন্টের ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন, লালমোহনে আনন্দ মিছিল রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ

সোনালী তরমুজে লাভোবান চাষীরা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১
  • ১১৮ সময় দেখুন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার পল্লীতে মাচায় তাইওয়ানের গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজ চাষ হচ্ছে। উন্নত জাতের এ তরমুজ চাষে ফলন ভাল হওয়ায় খুশি চাষিরা।

দেশি প্রযুক্তিতেই মাচায় এ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মৃত দিয়ানত সর্দারের ছেলে মোশারফ হোসেন। তিনি ৬০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। মাচার নিচেই ঝুলছে নেটে বাঁধা হলুদ শত শত তরমুজ। দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও তেমন সুস্বাদু ও রসালো। রোপণের অল্প সময়ের মধ্যে বাজারে বিক্রি করা যায়। অল্পদিনের এ তরমুজ চাষ বেশ লাভজনক। প্রতিদিন দূর-দুরান্ত থেকে লোকজন ছুটে আসছে এই সোনালী রঙের তরমুজ দেখতে। পরিপাটি মাচায় শোভা পাচ্ছে শত শত সোনালী তরমুজ।

তরমুজ চাষি মোশারফ হোসেন জানান, শখ করে এ জাতের তরমুজ চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছেন। ৬০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করতে তার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা আর বিক্রি করেছেন ১ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা। এখনো মাঠে রয়েছে অনেক তরমুজ। তিনি এবারই প্রথম এ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন, প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তী বছরগুলোতে মাচাসহ কাঠামো থেকে যাওয়ায় খরচ অনেক কমে আসবে। সাধারণত শীতকালে বীজ রোপণ করে বর্ষা মৌসুমের আগেই কেনাবেচা শেষ হয়।

তিনি আরো জানান, এ জাতের তরমুজ বছরে ২ বার হয়ে থাকে। বছরের মাঘ মাসের দিকে রোপণ করা হয়। আবার একই বছরের ভাদ্র আশ্বিন মাসে রোপণ করা হয়। প্রতিবারই ৬০-৭০ দিনের মধ্যে তরমুজ ঘরে চলে আসে। তিনি মাঘ মাসের দিকে তাইওয়ানের গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজ বীজ রোপণ করেন। রোপণের ৩০/৩৫ দিনের মধ্যে মাচায় উঠে যাওয়া গাছে ব্যাপকভাবে ফুল ও কুড়ি চলে আসে। এরপর ৬০-৭০ দিনের মাথায় ফসল ঘরে আসতে শুরু হয়। স্বাদেও অতুলনীয় বলে বাজারে এ তরমুজের ব্যাপক চাহিদা। তরমুজের ওজন ২ কেজি থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রতিটা তরমুজ ১০০- ৪০০ টাকা বিক্রি করছেন বলে জানান মোশারফ হোসেন।

ব্যতিক্রমী এ তরমুজ চাষ নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকরাম হোসেন বলেন, এটা একটি নতুন প্রযুক্তি, এলাকায় একেবারেই নতুন চাষ। এর ফলন ও দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা বেশ লাভবান হবে। কৃষকদের পাশে থেকে সব সময় প্রযুক্তি সহায়তা দিয়ে যাবেন যাতে করে এ তরমুজ চাষে অন্যান্য কৃষকেরা উৎসাহ পায়। ইতিমধ্যে এ কৃষককে ৩ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

শেখ ইমন / ইবি টাইমস

Tag :
জনপ্রিয়

ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষকের পাশে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

সোনালী তরমুজে লাভোবান চাষীরা

আপডেটের সময় ০৭:৩২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ মে ২০২১

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার পল্লীতে মাচায় তাইওয়ানের গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজ চাষ হচ্ছে। উন্নত জাতের এ তরমুজ চাষে ফলন ভাল হওয়ায় খুশি চাষিরা।

দেশি প্রযুক্তিতেই মাচায় এ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মৃত দিয়ানত সর্দারের ছেলে মোশারফ হোসেন। তিনি ৬০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। মাচার নিচেই ঝুলছে নেটে বাঁধা হলুদ শত শত তরমুজ। দেখতে যেমন সুন্দর খেতেও তেমন সুস্বাদু ও রসালো। রোপণের অল্প সময়ের মধ্যে বাজারে বিক্রি করা যায়। অল্পদিনের এ তরমুজ চাষ বেশ লাভজনক। প্রতিদিন দূর-দুরান্ত থেকে লোকজন ছুটে আসছে এই সোনালী রঙের তরমুজ দেখতে। পরিপাটি মাচায় শোভা পাচ্ছে শত শত সোনালী তরমুজ।

তরমুজ চাষি মোশারফ হোসেন জানান, শখ করে এ জাতের তরমুজ চাষ করে বেশ লাভবান হয়েছেন। ৬০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করতে তার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা আর বিক্রি করেছেন ১ লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা। এখনো মাঠে রয়েছে অনেক তরমুজ। তিনি এবারই প্রথম এ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন, প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তী বছরগুলোতে মাচাসহ কাঠামো থেকে যাওয়ায় খরচ অনেক কমে আসবে। সাধারণত শীতকালে বীজ রোপণ করে বর্ষা মৌসুমের আগেই কেনাবেচা শেষ হয়।

তিনি আরো জানান, এ জাতের তরমুজ বছরে ২ বার হয়ে থাকে। বছরের মাঘ মাসের দিকে রোপণ করা হয়। আবার একই বছরের ভাদ্র আশ্বিন মাসে রোপণ করা হয়। প্রতিবারই ৬০-৭০ দিনের মধ্যে তরমুজ ঘরে চলে আসে। তিনি মাঘ মাসের দিকে তাইওয়ানের গোল্ডেন ক্রাউন জাতের তরমুজ বীজ রোপণ করেন। রোপণের ৩০/৩৫ দিনের মধ্যে মাচায় উঠে যাওয়া গাছে ব্যাপকভাবে ফুল ও কুড়ি চলে আসে। এরপর ৬০-৭০ দিনের মাথায় ফসল ঘরে আসতে শুরু হয়। স্বাদেও অতুলনীয় বলে বাজারে এ তরমুজের ব্যাপক চাহিদা। তরমুজের ওজন ২ কেজি থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রতিটা তরমুজ ১০০- ৪০০ টাকা বিক্রি করছেন বলে জানান মোশারফ হোসেন।

ব্যতিক্রমী এ তরমুজ চাষ নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকরাম হোসেন বলেন, এটা একটি নতুন প্রযুক্তি, এলাকায় একেবারেই নতুন চাষ। এর ফলন ও দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা বেশ লাভবান হবে। কৃষকদের পাশে থেকে সব সময় প্রযুক্তি সহায়তা দিয়ে যাবেন যাতে করে এ তরমুজ চাষে অন্যান্য কৃষকেরা উৎসাহ পায়। ইতিমধ্যে এ কৃষককে ৩ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

শেখ ইমন / ইবি টাইমস