ভিয়েনা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোবাইল প্রযুক্তিতে স্বপ্ন গড়ছেন ভোলার মহিমা লালমোহনে ফুটবল খেলা অবস্থায় বজ্রপাতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ! হবিগঞ্জে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: অভিযুক্ত বিজয় গ্রেপ্তার, ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ ঝিনাইদহে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারির ওপর ডিম নিক্ষেপ-হামলা, স্বরাষ্টমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবী ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী কাল ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন ৭ দিনের মধ্যে দেয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী

প্রশান্তির খোঁজে, ভোলার চরাঞ্চলে আসছেন পর্যটকরা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:২০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১
  • ১১৭ সময় দেখুন

চরফ্যাসন (ভোলা) : শঙ্খচিল আর মেঘ ছুয়ে যাওয়া বলাকাদের ডানা ঝাপটে দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছুটে চলা এবং মেঘনার অসীম জলরাশি আর নদীতটে ঢেউয়ের দোলায় চিকমিক করা বালিকনা ছুয়ে দেখতে যে কারো মন ছুটে আসবে ভোলার চরফ্যাসনের বেতুয়ায় মেঘনার পাড়ে অবস্থিত প্রশান্তী পার্ক ও তেতুলিয়ার পাড়ে অবস্থিত খেজুর গাছিয়ার মিনি কক্সবাজারে।

মাঝী মাল্লাদের মাছ ধরার ট্রলার ও রঙ্গিন কাপড়ে পালতোলা নৌকার ছুটে চলা যেন খুজেঁ ফিরে নীড় হারা পাখিদের আপন ঠিকানা। নয়ন মেলে আকাশপানে তাকালেই শতশত প্রজাপতির ডানায় দিগন্তে মিশে যাওয়া নিল আকাশ ছুয়ে যাবে আপনার হারানো মনকে। কিছুক্ষণের জন্য হলেও নদীর কূলে সুরে সুরে গেয়ে উঠতে বাধ্য হবেন “মন মাঝি তোর বৈঠা নেরে আমি আর বাইতে পারলাম না “সেই অঙ্গিকারের বালি আর জলের অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্বই হোক খেজুর গাছিয়ার মিনি কক্সবাজারের বিচে বন্ধুদের সাথে একটু প্রশান্তি খুঁজতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটকদের ভীড় পড়ে যায় ঈদ পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবকে ঘিরে।

উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এ খেজুর গাছিয়ায় রয়েছে দৈর্ঘ্য ও প্রশস্তের দীর্ঘ আয়োতনের বিচ এবং নদী সংলগ্ন পলাশ ও কৃষ্ণচূড়ার ফুলসহ নানান রকমের উদ্ভিদের সবুজ আচ্ছন্নে ঘেরা কেওরা ও ম্যানগ্রোভ বন। পাশাপাশি সমুদ্রের পানে ছুটে চলা রং বেরঙ্গের নৌকা ও ট্রলারে করে মাঝিদের জাল ফেলার ছবিও যেন শিল্পীর তুলিতে জলচিত্রের মতো মনোমুগ্ধকর আঁকা এক প্রাকৃতিক পরিবেশের সৃষ্টি ।

অন্যদিকে বেতুয়ায় মেঘনার পাড়ে গড়ে ওঠা প্রশান্তি পার্কের রেস্টিং বেঞ্চ আর গোলঘরসহ নদীর কিনারায় রেলিং ধরে চা ও কপি’তে চুমুক দিয়ে জলের আলতো ঢেউয়ে শতশত চিলের মাছ শিকারের চিত্র দেখতেও মন্দ লাগবেনা কারোরই।

এছাড়াও বেতুয়ায় ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর বাস্তবায়নে নির্মিত বেড়ি বাঁধের ঢালে ঘুরতে আসছে শত শত পর্যটক। প্রশান্তী পার্কে রয়েছে গোলপাতার বন ও নানান রকমের পাকপাখালীসহ সামুদ্রীক বৈচিত্র।

এছাড়াও চরফ্যাসন থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গপোসাগরের কোলঘেঁষে জেগে ওঠেছে দেশের অন্যতম পর্যটন স্পট কুকরি-মুকরি সী বিচ এবং তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত। ঢাকা নদীবন্দর থেকে চরফ্যাসন টু বেতুয়ার লঞ্চে সরাসরি পর্যটকরা ঘুরতে আসছে চরফ্যাসনে। উপজেলা সদরে ফ্যাসন স্কয়ার ও শেখ রাসেল শিশু বিনোদন পার্ক ঘুরে ২২৫ ফুটের উচ্চতায় ১৬ তলা বিশিষ্ট জ্যাকব টাওয়ার পরিদর্শন করেই পর্যটকদের গন্তব্য থাকে কুকরি ও তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত পানে।

কুকরি-মুকরির কেওরা ও ম্যানগ্রভ বনে রয়েছে ২৭২ প্রজাতির উদ্ভিত, চিত্রা হরিণ,বানর ও বুনো মহিষ সহ ৪৫ প্রজাতির প্রাণী এবং প্রায় ২০৯ প্রজাতির পাখি। এখানকার গহীন অরণ্যের বুক চিড়ে বয়ে যাওয়া সুন্দরবনের আদলে খালের পাড়ে রয়েছে এক নৈসর্গিক দৃশ্য।

বাংলাদেশের মালদ্বীপ খ্যাত প্রকৃতির এ স্বর্গরাজ্যে পর্যটকদের জন্য রয়েছে রেস্টিং বেঞ্চ,ঝুলন্ত সেতু,জিপ ট্রাকিং,মাকরশার জাল,চাইনিজ রেস্তরাসহ হোম স্টে সার্ভিস।

অন্যদিকে বাংলাদেশের একমাত্র ভার্জিন সি বিচ হিসেবে পরিচিত তাড়ুয়া সমুদ্রের অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমীতে রয়েছে লাল কাকড়া ও সমুদ্রের নোনা জলের ঢেউ আর প্রশান্তি যোগানো বৃক্ষরাজির পাশাপাশি দিগন্ত বিস্তৃত অতিথি পাখির মনোমুগ্ধোকর বিচরণ।

চরফ্যাসনের এসব বিনোদন স্পটে প্রতিদিন হাজার,হাজার পর্যটক আসলেও লকডাউনে পর্যটক আসা বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় পর্যটকরা বলছেন অপার সম্ভাবনাময় চরফ্যাসনের উপকূলীয় এলাকাগুলো যদি অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ ও পর্যটক আকর্ষনে আরও বহুমাত্রিক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয় তাহলে কুকরি-মুকরি ও তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত এবং খেজুর গাছিয়াসহ বেতুয়া প্রশান্তী পার্কের পর্যটন এলাকা থেকেও সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে।

চরফ্যাসনের উপকূলীয় অঞ্চলকে বিনোদনের অবকাঠামোয় গড়ে তোলার জন্য উপকূলীয় অঞ্চলকে সম্ভাবনাময় পর্যটনের দ্বারপ্রান্তে নিতে স্থানীয় সাংসদ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করছেন। ইতিমধ্যে তিনি চরফ্যাসন ও মনপুরা অঞ্চলে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের পাশাপাশি অসংখ্য বিনোদনমূলক স্থাপনা নির্মান করেছেন।

এছাড়াও কুকরি-মুকরি ও তারুয়া সমুদ্র সৈকতকে ইকো টুরিজমের আওতায় আনা হচ্ছে। উপকূল সুরক্ষায় উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমেই টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মানে রঙ্গিন পর্যটনমূলক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুললেই দক্ষিনের জনপদ চরফ্যাসন হবে পর্যটনের এক সম্ভানার নতুন দিগন্ত। এমনটাই মনে করছেন উপজেলার পর্যটন প্রিয় মানুষ।

জামাল মোল্লা /ইবি টাইমস

Tag :
জনপ্রিয়

মোবাইল প্রযুক্তিতে স্বপ্ন গড়ছেন ভোলার মহিমা

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

প্রশান্তির খোঁজে, ভোলার চরাঞ্চলে আসছেন পর্যটকরা

আপডেটের সময় ০১:২০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

চরফ্যাসন (ভোলা) : শঙ্খচিল আর মেঘ ছুয়ে যাওয়া বলাকাদের ডানা ঝাপটে দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছুটে চলা এবং মেঘনার অসীম জলরাশি আর নদীতটে ঢেউয়ের দোলায় চিকমিক করা বালিকনা ছুয়ে দেখতে যে কারো মন ছুটে আসবে ভোলার চরফ্যাসনের বেতুয়ায় মেঘনার পাড়ে অবস্থিত প্রশান্তী পার্ক ও তেতুলিয়ার পাড়ে অবস্থিত খেজুর গাছিয়ার মিনি কক্সবাজারে।

মাঝী মাল্লাদের মাছ ধরার ট্রলার ও রঙ্গিন কাপড়ে পালতোলা নৌকার ছুটে চলা যেন খুজেঁ ফিরে নীড় হারা পাখিদের আপন ঠিকানা। নয়ন মেলে আকাশপানে তাকালেই শতশত প্রজাপতির ডানায় দিগন্তে মিশে যাওয়া নিল আকাশ ছুয়ে যাবে আপনার হারানো মনকে। কিছুক্ষণের জন্য হলেও নদীর কূলে সুরে সুরে গেয়ে উঠতে বাধ্য হবেন “মন মাঝি তোর বৈঠা নেরে আমি আর বাইতে পারলাম না “সেই অঙ্গিকারের বালি আর জলের অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্বই হোক খেজুর গাছিয়ার মিনি কক্সবাজারের বিচে বন্ধুদের সাথে একটু প্রশান্তি খুঁজতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটকদের ভীড় পড়ে যায় ঈদ পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবকে ঘিরে।

উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এ খেজুর গাছিয়ায় রয়েছে দৈর্ঘ্য ও প্রশস্তের দীর্ঘ আয়োতনের বিচ এবং নদী সংলগ্ন পলাশ ও কৃষ্ণচূড়ার ফুলসহ নানান রকমের উদ্ভিদের সবুজ আচ্ছন্নে ঘেরা কেওরা ও ম্যানগ্রোভ বন। পাশাপাশি সমুদ্রের পানে ছুটে চলা রং বেরঙ্গের নৌকা ও ট্রলারে করে মাঝিদের জাল ফেলার ছবিও যেন শিল্পীর তুলিতে জলচিত্রের মতো মনোমুগ্ধকর আঁকা এক প্রাকৃতিক পরিবেশের সৃষ্টি ।

অন্যদিকে বেতুয়ায় মেঘনার পাড়ে গড়ে ওঠা প্রশান্তি পার্কের রেস্টিং বেঞ্চ আর গোলঘরসহ নদীর কিনারায় রেলিং ধরে চা ও কপি’তে চুমুক দিয়ে জলের আলতো ঢেউয়ে শতশত চিলের মাছ শিকারের চিত্র দেখতেও মন্দ লাগবেনা কারোরই।

এছাড়াও বেতুয়ায় ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর বাস্তবায়নে নির্মিত বেড়ি বাঁধের ঢালে ঘুরতে আসছে শত শত পর্যটক। প্রশান্তী পার্কে রয়েছে গোলপাতার বন ও নানান রকমের পাকপাখালীসহ সামুদ্রীক বৈচিত্র।

এছাড়াও চরফ্যাসন থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গপোসাগরের কোলঘেঁষে জেগে ওঠেছে দেশের অন্যতম পর্যটন স্পট কুকরি-মুকরি সী বিচ এবং তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত। ঢাকা নদীবন্দর থেকে চরফ্যাসন টু বেতুয়ার লঞ্চে সরাসরি পর্যটকরা ঘুরতে আসছে চরফ্যাসনে। উপজেলা সদরে ফ্যাসন স্কয়ার ও শেখ রাসেল শিশু বিনোদন পার্ক ঘুরে ২২৫ ফুটের উচ্চতায় ১৬ তলা বিশিষ্ট জ্যাকব টাওয়ার পরিদর্শন করেই পর্যটকদের গন্তব্য থাকে কুকরি ও তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত পানে।

কুকরি-মুকরির কেওরা ও ম্যানগ্রভ বনে রয়েছে ২৭২ প্রজাতির উদ্ভিত, চিত্রা হরিণ,বানর ও বুনো মহিষ সহ ৪৫ প্রজাতির প্রাণী এবং প্রায় ২০৯ প্রজাতির পাখি। এখানকার গহীন অরণ্যের বুক চিড়ে বয়ে যাওয়া সুন্দরবনের আদলে খালের পাড়ে রয়েছে এক নৈসর্গিক দৃশ্য।

বাংলাদেশের মালদ্বীপ খ্যাত প্রকৃতির এ স্বর্গরাজ্যে পর্যটকদের জন্য রয়েছে রেস্টিং বেঞ্চ,ঝুলন্ত সেতু,জিপ ট্রাকিং,মাকরশার জাল,চাইনিজ রেস্তরাসহ হোম স্টে সার্ভিস।

অন্যদিকে বাংলাদেশের একমাত্র ভার্জিন সি বিচ হিসেবে পরিচিত তাড়ুয়া সমুদ্রের অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমীতে রয়েছে লাল কাকড়া ও সমুদ্রের নোনা জলের ঢেউ আর প্রশান্তি যোগানো বৃক্ষরাজির পাশাপাশি দিগন্ত বিস্তৃত অতিথি পাখির মনোমুগ্ধোকর বিচরণ।

চরফ্যাসনের এসব বিনোদন স্পটে প্রতিদিন হাজার,হাজার পর্যটক আসলেও লকডাউনে পর্যটক আসা বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় পর্যটকরা বলছেন অপার সম্ভাবনাময় চরফ্যাসনের উপকূলীয় এলাকাগুলো যদি অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ ও পর্যটক আকর্ষনে আরও বহুমাত্রিক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয় তাহলে কুকরি-মুকরি ও তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত এবং খেজুর গাছিয়াসহ বেতুয়া প্রশান্তী পার্কের পর্যটন এলাকা থেকেও সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে।

চরফ্যাসনের উপকূলীয় অঞ্চলকে বিনোদনের অবকাঠামোয় গড়ে তোলার জন্য উপকূলীয় অঞ্চলকে সম্ভাবনাময় পর্যটনের দ্বারপ্রান্তে নিতে স্থানীয় সাংসদ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করছেন। ইতিমধ্যে তিনি চরফ্যাসন ও মনপুরা অঞ্চলে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের পাশাপাশি অসংখ্য বিনোদনমূলক স্থাপনা নির্মান করেছেন।

এছাড়াও কুকরি-মুকরি ও তারুয়া সমুদ্র সৈকতকে ইকো টুরিজমের আওতায় আনা হচ্ছে। উপকূল সুরক্ষায় উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমেই টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মানে রঙ্গিন পর্যটনমূলক ব্যবস্থাপনা গড়ে তুললেই দক্ষিনের জনপদ চরফ্যাসন হবে পর্যটনের এক সম্ভানার নতুন দিগন্ত। এমনটাই মনে করছেন উপজেলার পর্যটন প্রিয় মানুষ।

জামাল মোল্লা /ইবি টাইমস