ভিয়েনা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিঙ্গাপুরকে টাইব্রেকারে হারিয়ে নবম বাংলাদেশ জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে: পুতিন গুলশানে সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪টি মদের গুদাম সিলগালা নিহতের মরদেহ সড়কে রেখে বগুড়ায় স্বজনদের বিক্ষোভ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে লালমোহনে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি চরফ্যাশনে ভূমি বিরোধে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ রমজানের আগে ২ হাজার ইউপি নির্বাচন করার পরিকল্পনা ইসির ফেনীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর মাঝ আকাশে ফ্লাইদুবাইয়ের পাইলটদের মধ্যে মারামারি – সৌদি আরবে জরুরী অবতরণ

জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে: পুতিন

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ সময় দেখুন

জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে: পুতিন

ইবিটাইমস ডেস্ক : মস্কোর জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

বার্ষিক ভালদাই ফোরামে এক প্রশ্নের জবাবে পুতিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া হবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, দেওয়া হবে।’

গত মাসে পুতিন সুইজারল্যান্ডের খাদ্যপণ্য জায়ান্ট নেসলে, ফরাসি খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওশাঁ, সাবেক লেরয় মারলিন ডিআইওয়াই চেইন এবং জার্মান পাইকারি ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতা মেট্রোর ব্যবসা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন।

পুতিন বলেন, রাশিয়া ‘কারও কাছ থেকে কিছু নেয় না, চুরি করে না বা জাতীয়করণ করে না।’

তিনি বলেন, আমরা কিছু প্রতিষ্ঠানকে বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে এনে থাকি। কিন্তু কিছু ইউরোপীয় দেশ কোনো নিয়মনীতির ধার না ধারে সরাসরি আমাদের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিয়েছে।

তিনি রাশিয়ার শীর্ষ তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম, রসনেফ্ট এবং লুকঅয়েলের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রেমলিন ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর অধিকাংশ পশ্চিমা কোম্পানি দ্রুত রাশিয়ায় থাকা তাদের ব্যবসা ও শেয়ার বিক্রি করে দেয়—কিংবা অন্তত নিজেদের সেগুলোর থেকে আলাদা করে নেয়। কারণ নিষেধাজ্ঞার ফলে বেশিরভাগ পণ্যের ব্যবসা বাণিজ্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

অন্যান্য কোম্পানিগুলো কর্মী বা স্থানীয় নাগরিকদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে রাশিয়াতেই অবস্থান করে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই তারা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাপক মাত্রায় সংকুচিত করে ফেলে।

এরপর রাশিয়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর দেশটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া কঠিন করে তোলে। এজন্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পদ সরাসরিও জব্দ করা হয়।
ঢাকা/এসএস

সিঙ্গাপুরকে টাইব্রেকারে হারিয়ে নবম বাংলাদেশ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানির সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে: পুতিন

আপডেটের সময় ১০:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : মস্কোর জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর সম্পদ ফেরত দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

বার্ষিক ভালদাই ফোরামে এক প্রশ্নের জবাবে পুতিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া হবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, দেওয়া হবে।’

গত মাসে পুতিন সুইজারল্যান্ডের খাদ্যপণ্য জায়ান্ট নেসলে, ফরাসি খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওশাঁ, সাবেক লেরয় মারলিন ডিআইওয়াই চেইন এবং জার্মান পাইকারি ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতা মেট্রোর ব্যবসা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন।

পুতিন বলেন, রাশিয়া ‘কারও কাছ থেকে কিছু নেয় না, চুরি করে না বা জাতীয়করণ করে না।’

তিনি বলেন, আমরা কিছু প্রতিষ্ঠানকে বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে এনে থাকি। কিন্তু কিছু ইউরোপীয় দেশ কোনো নিয়মনীতির ধার না ধারে সরাসরি আমাদের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিয়েছে।

তিনি রাশিয়ার শীর্ষ তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম, রসনেফ্ট এবং লুকঅয়েলের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করেন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রেমলিন ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর অধিকাংশ পশ্চিমা কোম্পানি দ্রুত রাশিয়ায় থাকা তাদের ব্যবসা ও শেয়ার বিক্রি করে দেয়—কিংবা অন্তত নিজেদের সেগুলোর থেকে আলাদা করে নেয়। কারণ নিষেধাজ্ঞার ফলে বেশিরভাগ পণ্যের ব্যবসা বাণিজ্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

অন্যান্য কোম্পানিগুলো কর্মী বা স্থানীয় নাগরিকদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে রাশিয়াতেই অবস্থান করে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই তারা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাপক মাত্রায় সংকুচিত করে ফেলে।

এরপর রাশিয়া বিদেশি কোম্পানিগুলোর দেশটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া কঠিন করে তোলে। এজন্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সম্পদ সরাসরিও জব্দ করা হয়।
ঢাকা/এসএস