ইবিটাইমস ডেস্ক : নির্বাসন শেষে ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী ক্লদিয়া মাসেরো।
রোববার দেশটির রাজধানী কারাকাসের প্রধান বিমানবন্দরে পৌঁছালে শত শত সমর্থক উচ্ছ্বাসের সঙ্গে তাকে স্বাগত জানান। খবর এএফপির।
বিমানবন্দরে সমর্থকদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মিলিয়ে মাসেরো বলেন, ‘দেশে ফেরার সময় এসেছে। দেশের নিয়ন্ত্রণ আবার নিজেদের হাতে নেওয়ার সময় এসেছে।’
৩৪ বছর বয়সী মাসেরো মাচাদোর ঘনিষ্ঠ সাত সহযোগীর একজন। মাচাদোর গণমাধ্যমবিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত।
২০২৪ সালের মার্চে গ্রেপ্তার এড়াতে মাচাদোর ওই সাত সহযোগী কারাকাসে আর্জেন্টিনার দূতাবাসে আশ্রয় নেন। ওই বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ভেনেজুয়েলায় রাজনৈতিক দমন-পীড়ন বেড়ে যাওয়ার সময় তারা প্রায় এক বছর দূতাবাসে অবস্থান করেন।
২০২৫ সালের মে মাসে তারা দূতাবাস থেকে বের হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান। তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছিল, একটি গোপন অভিযানের মাধ্যমে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে। তবে ওই অভিযানের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে মাচাদোর রাজনৈতিক দল ভেন্তে পার্টির দাবি, ভেনেজুয়েলায় ফেরার জন্য মাচাদো এ পর্যন্ত সাতবার চেষ্টা করেছেন।
গত ডিসেম্বরে মাচাদো আত্মগোপন থেকে বের হয়ে নরওয়েতে যান এবং সেখানে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেন। পরে অল্প সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের পর বর্তমানে তিনি পানামা সিটিতে বসবাস করছেন।
ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, মাচাদোকে দেশে ফিরতে না দেওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা রয়েছে। তাদের দাবি, ওয়াশিংটন দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সরকারের ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখছে এবং ভেনেজুয়েলার ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ঢাকা/এসএস





















