ভিয়েনা ০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ফুফুর কক্ষের বাক্সে মিলল ৩ বছরের শিশুর মরদেহ স্পিকারের এপিএস সবুজকে নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রতিবাদ শেখ হাসিনাকে ফেরাতে তৃতীয় পক্ষের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা লালমোহনে দুর্গোৎসব ও সরকারি সেবামূলক কর্মসূচি নিয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা আধুনিক প্রযুক্তি খাতে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেবে সরকার : ড. তিতুমীর জং ধরা হ্যান্ডকাফে, রক্তাক্ত হাত ! হাত উঁচিয়ে বললেন পলক বোরকা পরে ভূমি অফিসে হাজির ঢাকা জেলার ডিসি ! লালমোহনে বাগান থেকে জোরপূর্বক সুপারি পাড়ার অভিযোগ

ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনা শুরুর আশা ট্রাম্পের, তবে তেহরানের প্রস্তাব নাকচ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:৫৩:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে আলোচনা আবারও শুরু হতে পারে। তবে এরই মধ্যে তেহরানের দেওয়া যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে আসা ইরানি কর্মকর্তারা সাত দিনের যুদ্ধবিরতি এবং এরপর হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছিলেন।

ট্রাম্প ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আবারও ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর কথা বলেছেন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের সঙ্গে আবারও আলোচনা শুরুর আশা করছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা একটি চুক্তি করতে চায়, কিন্তু তারা যে চুক্তিটি করতে চায়, সেটি আমি করতে চাই না। এক বছর আগে হয়তো আমরা এমন একটি চুক্তিতে রাজি হতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা নিজেদের অবস্থানকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কঠোর করে ফেলেছে।’

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা সোমবার থেকেই শুরু হতে পারে।

রোববারও ইরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের শর্তগুলো বহাল রেখেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ফ্রন্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। একই সময়ে ইয়েমেনেও লড়াই চলছে।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। প্রায় সাত মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর ধারাবাহিক হামলা শুরু করার মধ্য দিয়ে বর্তমান সংঘাতের সূচনা হয়।

ইরানের প্রস্তাবে মধ্যপ্রাচ্যের সব এলাকায়—লেবাননসহ—সব ধরনের সামরিক তৎপরতা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এর আগে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলো পুনর্বহালের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে সংঘাতের সময় ওই আগের চুক্তিটি ভেঙে পড়ে। চুক্তিতে ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়, ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ অবরোধ বন্ধ করার কথা ছিল।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি রোববার বলেন, ‘আমাদের শর্তগুলো স্পষ্ট। এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার কোনো প্রশ্নই নেই। আমরা এসব শর্ত থেকে সরে আসব না।’ ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এ তথ্য জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কখনো কূটনীতি বা আলোচনার দরজা বন্ধ করিনি। একই সঙ্গে নিজেদের অধিকার থেকেও কখনো সরে আসিনি।’

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ অভিযোগ করেছেন, আলোচনায় ফিরতে ইরান অতিরিক্ত দাবি করছে।

রোববার প্রচারিত এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি ছিল এমন কিছু শর্ত সামনে রাখার একটি কৌশল, যেগুলো ইরান জানত যে গ্রহণযোগ্য হবে না।’

ওয়াল্টজ বলেন, আলোচনায় বসার বিনিময়ে অবরোধ প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ইরানের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার দাবি করা হয়েছে।

তার ভাষায়, ‘কয়েক মাস আগে আমরা চেষ্টা করার পর প্রেসিডেন্টের এবার খুব বেশি আস্থা না থাকার বিষয়টি অনেকটাই স্বাভাবিক।’

ইরানের দাবি, মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটক

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) রোববার জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে একটি মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটক করেছে।

ইরানের দাবি, ওই পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোনটি ‘গুপ্তচরবৃত্তির কাজে’ ব্যবহার করা হচ্ছিল। বর্তমানে এটি তাদের বিশেষজ্ঞদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এর তথ্য-উপাত্ত উদ্ধার ও বিশ্লেষণের কাজ চলছে।

যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরুর লক্ষ্যে জুন মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল।

তবে এর কিছুদিন পরই সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ে। হরমুজ প্রণালীতে ইরান বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়। ইরানের অভিযোগ ছিল, এসব জাহাজ তাদের অনুমোদিত পথ থেকে সরে গিয়েছিল।

ইরান নিরাপত্তা ও নিজেদের সার্বভৌমত্বের কারণ দেখিয়ে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের আগে জাহাজগুলোকে অনুমতি নেওয়ার নিয়ম চালু করেছে।

যেসব জাহাজ এই নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তাদের প্রায়ই লক্ষ্যবস্তু করা হয়। অন্যদিকে, এসব হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও মাঝে মাঝে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় বিমান হামলা চালায়।

আলোচনার সিদ্ধান্ত এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে: ইরান

জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাকচি বলেন, কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পাঠিয়েছে তেহরান।

তিনি বলেন, ‘এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।’

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে বলেন, ‘ইরানের সাতটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তি দেওয়া বন্ধ করব না।’

মঙ্গলবার এএফপিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মোহেবি জানিয়েছিলেন, ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের অবসানও তেহরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে।
ঢাকা/এসএস

Tag :
জনপ্রিয়

ফুফুর কক্ষের বাক্সে মিলল ৩ বছরের শিশুর মরদেহ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনা শুরুর আশা ট্রাম্পের, তবে তেহরানের প্রস্তাব নাকচ

আপডেটের সময় ০৯:৫৩:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে আলোচনা আবারও শুরু হতে পারে। তবে এরই মধ্যে তেহরানের দেওয়া যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে আসা ইরানি কর্মকর্তারা সাত দিনের যুদ্ধবিরতি এবং এরপর হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালুর একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছিলেন।

ট্রাম্প ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আবারও ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর কথা বলেছেন। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের সঙ্গে আবারও আলোচনা শুরুর আশা করছেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা একটি চুক্তি করতে চায়, কিন্তু তারা যে চুক্তিটি করতে চায়, সেটি আমি করতে চাই না। এক বছর আগে হয়তো আমরা এমন একটি চুক্তিতে রাজি হতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা নিজেদের অবস্থানকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কঠোর করে ফেলেছে।’

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা সোমবার থেকেই শুরু হতে পারে।

রোববারও ইরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের শর্তগুলো বহাল রেখেছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ফ্রন্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অচলাবস্থা অব্যাহত রয়েছে। একই সময়ে ইয়েমেনেও লড়াই চলছে।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। প্রায় সাত মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের ওপর ধারাবাহিক হামলা শুরু করার মধ্য দিয়ে বর্তমান সংঘাতের সূচনা হয়।

ইরানের প্রস্তাবে মধ্যপ্রাচ্যের সব এলাকায়—লেবাননসহ—সব ধরনের সামরিক তৎপরতা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এর আগে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলো পুনর্বহালের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে সংঘাতের সময় ওই আগের চুক্তিটি ভেঙে পড়ে। চুক্তিতে ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড়, ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ অবরোধ বন্ধ করার কথা ছিল।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি রোববার বলেন, ‘আমাদের শর্তগুলো স্পষ্ট। এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার কোনো প্রশ্নই নেই। আমরা এসব শর্ত থেকে সরে আসব না।’ ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এ তথ্য জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কখনো কূটনীতি বা আলোচনার দরজা বন্ধ করিনি। একই সঙ্গে নিজেদের অধিকার থেকেও কখনো সরে আসিনি।’

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ অভিযোগ করেছেন, আলোচনায় ফিরতে ইরান অতিরিক্ত দাবি করছে।

রোববার প্রচারিত এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি ছিল এমন কিছু শর্ত সামনে রাখার একটি কৌশল, যেগুলো ইরান জানত যে গ্রহণযোগ্য হবে না।’

ওয়াল্টজ বলেন, আলোচনায় বসার বিনিময়ে অবরোধ প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং ইরানের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার দাবি করা হয়েছে।

তার ভাষায়, ‘কয়েক মাস আগে আমরা চেষ্টা করার পর প্রেসিডেন্টের এবার খুব বেশি আস্থা না থাকার বিষয়টি অনেকটাই স্বাভাবিক।’

ইরানের দাবি, মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটক

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) রোববার জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালীতে একটি মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটক করেছে।

ইরানের দাবি, ওই পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোনটি ‘গুপ্তচরবৃত্তির কাজে’ ব্যবহার করা হচ্ছিল। বর্তমানে এটি তাদের বিশেষজ্ঞদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এর তথ্য-উপাত্ত উদ্ধার ও বিশ্লেষণের কাজ চলছে।

যুদ্ধ বন্ধ, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরুর লক্ষ্যে জুন মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল।

তবে এর কিছুদিন পরই সেই সমঝোতা ভেঙে পড়ে। হরমুজ প্রণালীতে ইরান বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়। ইরানের অভিযোগ ছিল, এসব জাহাজ তাদের অনুমোদিত পথ থেকে সরে গিয়েছিল।

ইরান নিরাপত্তা ও নিজেদের সার্বভৌমত্বের কারণ দেখিয়ে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের আগে জাহাজগুলোকে অনুমতি নেওয়ার নিয়ম চালু করেছে।

যেসব জাহাজ এই নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানায়, তাদের প্রায়ই লক্ষ্যবস্তু করা হয়। অন্যদিকে, এসব হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও মাঝে মাঝে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় বিমান হামলা চালায়।

আলোচনার সিদ্ধান্ত এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে: ইরান

জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাকচি বলেন, কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পাঠিয়েছে তেহরান।

তিনি বলেন, ‘এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।’

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে বলেন, ‘ইরানের সাতটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে শাস্তি দেওয়া বন্ধ করব না।’

মঙ্গলবার এএফপিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মোহেবি জানিয়েছিলেন, ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের অবসানও তেহরানের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে।
ঢাকা/এসএস