আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ ডলারেরও বেশি কমেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পরই তেলের দামে বড় পতন দেখা যায়।
এর আগে ইরানে হামলার পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর শর্তে তিনি তেহরানের ওপর পরিকল্পিত সামরিক হামলা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নজিরবিহীন মাত্রার সামরিক শক্তি প্রয়োগের জন্য প্রস্তুত ছিল।
তবে তিনি বলেন, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে হামলা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছে, কারণ একটি সম্ভাব্য চুক্তির মৌলিক কাঠামো বা রূপরেখা নিয়ে সমঝোতা হয়েছে।
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, সম্ভাব্য ওই চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত রাখা হবে এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির অবসান ঘটানো হবে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, রোববার গ্রিনিচ সময় রাত ১১: ৫২ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস-এর দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ০৮ ডলার বা ৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ৮৩ দশমিক ৮৫ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ দশমিক ০১ ডলার বা ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৬৬ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগে গত মাসে হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি কমে যেতে পারে—এমন উদ্বেগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম সাময়িকভাবে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারে পৌঁছেছিল।
তবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের পর গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা স্থগিত করলে তেলের দাম কমতে শুরু করে।
ইবিটাইমস/আরএন















