স্টাফ রিপোর্টার : ভোলার লালমোহন উপজেলায় ভূমিহীনদের খাস জমি নিজের দাবি করে তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিপন মাতাব্বর নামে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া বাজারে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
অভিযোগ করে তরমুজ চাষি আলম, শফিক, রুবেল, আল-আমিন, কালু ও রফিক বলেন, আমরা চর কচুয়াখালীর বাসিন্দা। ওই চরে বিগত কয়েক বছর ধরে জমি লগ্নি রেখে তরমুজ চাষ করছি। এ বছর পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের বিএনপির নেতা শিপন মাতাব্বর আমাদের বলেন যেসব জমিতে তরমুজ চাষ করবো ওই জমি তার। ওই জমিতে তরমুজ চাষ করতে হলে শিপন মাতাব্বরকে লগ্নি বাবদ টাকা দিতে হবে। এরপর তিন ধাপে তাকে মোট ১৫ লাখ টাকা দিয়েছি। তাকে টাকা দিয়ে আমরা জমিতে তরমুজ চাষ শুরু করি। আমাদের থেকে টাকা নিয়ে তিনি ঢাকায় চলে যান।
তারা আরও বলেন, শিপন মাতাব্বর ঢাকায় বসে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রভাষক নূরউদ্দিন আমাদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে বলে নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন। যা পুরোপুরি মিথ্যা। প্রভাষক নূরউদ্দিন আমাদের কাছে কখনো চাঁদা চাননি। আমাদের বরাৎ দিয়ে শিপন মাতাব্বর যে মিথ্যা কথা রটিয়েছে তার জন্য আমরা প্রতিবাদ জানাই। একইসঙ্গে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে অনুরোধ করছি তিনি যেন শিপন মাতাব্বরের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
অভিযোগের ব্যাপারে শিপন মাতাব্বর জানান, ওই চরে আমাদের জমি রয়েছে। ওই জমিই চাষিদের লগ্নি হিসেবে দিয়েছি। তার বাহিরে কোনো জমি আমি লগ্নি লাগাইনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে।
জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস/এম আর




















