ভিয়েনা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জে সুরমা চা বাগান থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে প্রবাসীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে: স্বাস্থ্য মন্ত্রী জলবায়ু বার্তা ও বিশ্ব পরিবেশ দিবসের কর্মসূচি সংক্রান্ত বৈঠকে সভাপতিত্ব করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছেন ২৯,৬৯৪ জন বাংলাদেশি হাজি পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার আহ্বানকে স্বাগত জানালেন মাখোঁ শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় রোববার

লালমোহনে স্ত্রীকে বালিশ চাপায় হত্যা, স্বামী আটক

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৩ সময় দেখুন

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহনে পারিবারিক কলহের জেরে মোসা. রুনা বেগম নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গণেশপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূ রুনা ওই এলাকার মো. হাফিজুর রহমানের মেয়ে। ঘটনার পর পালিয়ে যান স্বামী মো. জিহাদ। তবে বুধবার ভোর রাতের দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশ লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ টিম। জিহাদ একই ইউনিয়নের পাঙাশিয়া এলাকার মো. আলমগির হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, রুনা ও জাহিদ সর্ম্পকে মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন। তবে গত ৭ মাস আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। বিষয়টি একাধিকবার পারিবারিকভাবে মীমাংসা করা হয়। বুধবারও রুনার মা সালিশের উদ্দেশ্যে জিহাদের বাড়িতে যান। সে সময় রুনা বাড়িতে অবস্থান করছিলেন, জিহাদও নিজ বাড়িতে ছিলেন। সালিশের পরপরই জিহাদ রুনার বাড়িতে যান।

রুনার চাচি নূর জাহান বেগম বলেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে রুনার ঘর থেকে শব্দ পেয়ে আমি সেখানে যাই। এরপর ঘরে ঢুকে দেখি বিছানায় পড়ে রয়েছে রুনা। তার শরীর কম্বল দিয়ে ডাকা ছিল এবং বুকের ওপর একটি বালিশ রাখা ছিল। এরপর তাকে ডাকাডাকি করলেও তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে কম্বল সরিয়ে দেখতে পাই রুনার গলায় নখের আঁচড়ের দাগ এবং বিছানা প্রস্রাবে ভিজে রয়েছে। তার মুখে লালা এবং রক্ত ছিল। পরে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে তিনি এসে রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে তার স্বামী জিহাদ পলাতক থাকায় তাকে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী রুনা বেগমকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন জিহাদ। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে স্ত্রীকে বালিশ চাপায় হত্যা, স্বামী আটক

আপডেটের সময় ০২:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : ভোলার লালমোহনে পারিবারিক কলহের জেরে মোসা. রুনা বেগম নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গণেশপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূ রুনা ওই এলাকার মো. হাফিজুর রহমানের মেয়ে। ঘটনার পর পালিয়ে যান স্বামী মো. জিহাদ। তবে বুধবার ভোর রাতের দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশ লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ টিম। জিহাদ একই ইউনিয়নের পাঙাশিয়া এলাকার মো. আলমগির হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, রুনা ও জাহিদ সর্ম্পকে মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন। তবে গত ৭ মাস আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। বিষয়টি একাধিকবার পারিবারিকভাবে মীমাংসা করা হয়। বুধবারও রুনার মা সালিশের উদ্দেশ্যে জিহাদের বাড়িতে যান। সে সময় রুনা বাড়িতে অবস্থান করছিলেন, জিহাদও নিজ বাড়িতে ছিলেন। সালিশের পরপরই জিহাদ রুনার বাড়িতে যান।

রুনার চাচি নূর জাহান বেগম বলেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে রুনার ঘর থেকে শব্দ পেয়ে আমি সেখানে যাই। এরপর ঘরে ঢুকে দেখি বিছানায় পড়ে রয়েছে রুনা। তার শরীর কম্বল দিয়ে ডাকা ছিল এবং বুকের ওপর একটি বালিশ রাখা ছিল। এরপর তাকে ডাকাডাকি করলেও তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে কম্বল সরিয়ে দেখতে পাই রুনার গলায় নখের আঁচড়ের দাগ এবং বিছানা প্রস্রাবে ভিজে রয়েছে। তার মুখে লালা এবং রক্ত ছিল। পরে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে তিনি এসে রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে তার স্বামী জিহাদ পলাতক থাকায় তাকে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী রুনা বেগমকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন জিহাদ। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস