ভিয়েনা ০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমানের যোগদান ক্ষমতার পালাবদলে বদলে গেছে রাজনৈতিক অবস্থান, শৈলকুপায় ইছহাক হোসেনকে নিয়ে তুমুল আলোচনা ছয় বছরে তিন পিলারে আটকে আছে সেতু নির্মাণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে : সিইসি বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির হরমুজ প্রণালীতে ৬টি জাহাজ থামিয়ে দিল ইরান সংসদের সাউন্ড সিস্টেম প্রতিস্থাপনে উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী

বিক্ষোভের দায় স্বার্থান্বেষী মহলের: নেপালের প্রধানমন্ত্রী

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৫২ সময় দেখুন

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি দেশের বিক্ষোভের জন্য বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে কিছু ব্যক্তি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালাচ্ছেন। সোমবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন এবং জানান, সরকার দাবিগুলো মেনে নিলে বিক্ষোভ থেমে যেত।
তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের সংগঠকরা একাধিকবার জনগণকে ঘরে ফেরার আহ্বান দিলেও সহিংসতা কমছে না।’
সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ২০ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক। প্রধানমন্ত্রী অলিরও পদত্যাগের দাবি উঠেছে।
গত বছর নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সক্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সরকারিভাবে নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশের ভিত্তিতে সরকার ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য ২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ঠিক করেছিল। কিন্তু সময়মীমা পার হওয়া সত্ত্বেও নিবন্ধন না হওয়ায় ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ ২৬টি অ্যাপে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
নিষেধাজ্ঞা তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। জেন জি নামে পরিচিত এই প্রজন্মের তরুণরা গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকেই আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। রোববার থেকে আন্দোলন শুরু হয়ে সোমবার তা উত্তাল রূপ নেয়।
সোমবার রাতে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী অলি বিক্ষোভকারীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি টেলিভিশনে বলেন, ‘সরকার কখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে ছিল না, এখনও নেই। আমরা শুধু নেপালের আইন ও সার্বভৌমত্ব মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছিলাম। সংঘর্ষে নিহত ও আহতদের জন্য আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত। তাদের পরিবারদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’

ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

Tag :
জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বিক্ষোভের দায় স্বার্থান্বেষী মহলের: নেপালের প্রধানমন্ত্রী

আপডেটের সময় ০৯:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি দেশের বিক্ষোভের জন্য বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে কিছু ব্যক্তি ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালাচ্ছেন। সোমবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন এবং জানান, সরকার দাবিগুলো মেনে নিলে বিক্ষোভ থেমে যেত।
তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের সংগঠকরা একাধিকবার জনগণকে ঘরে ফেরার আহ্বান দিলেও সহিংসতা কমছে না।’
সোমবার রাজধানী কাঠমান্ডুর বাণেশ্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ২০ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে পদত্যাগ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক। প্রধানমন্ত্রী অলিরও পদত্যাগের দাবি উঠেছে।
গত বছর নেপালের সুপ্রিম কোর্ট সক্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর সরকারিভাবে নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশের ভিত্তিতে সরকার ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য ২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ঠিক করেছিল। কিন্তু সময়মীমা পার হওয়া সত্ত্বেও নিবন্ধন না হওয়ায় ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ ২৬টি অ্যাপে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
নিষেধাজ্ঞা তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। জেন জি নামে পরিচিত এই প্রজন্মের তরুণরা গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকেই আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। রোববার থেকে আন্দোলন শুরু হয়ে সোমবার তা উত্তাল রূপ নেয়।
সোমবার রাতে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী অলি বিক্ষোভকারীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি টেলিভিশনে বলেন, ‘সরকার কখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিরুদ্ধে ছিল না, এখনও নেই। আমরা শুধু নেপালের আইন ও সার্বভৌমত্ব মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছিলাম। সংঘর্ষে নিহত ও আহতদের জন্য আমার হৃদয় ভারাক্রান্ত। তাদের পরিবারদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’

ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস