অষ্ট্রিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশী মাহমুদূর রহমান নয়ন

অষ্ট্রিয়ার সাড়া জাগানো বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত, ভোলা জেলার লালমোহনের সন্তান, অস্ট্রিয়ান  তরুন রাজনীতিবিদ মাহমুদুর রহমান নয়ন

ভিয়েনা ডেস্কঃ আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর অষ্ট্রিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মাহমুদুর রহমান নয়ন। 

বিদেশে বিভিন্ন সংগঠন অথবা মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশীদের অংশগ্রহণ এখন আর নুতন কিছু নয়। মেধা,যোগ্যতা আর সাহসিকতা নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূতরা এখন সগৌরবে মহামান্নিত।

মাহমুদুর রহমান নয়ন ছাত্র রাজনীতি দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু। তিনি হায়ার ট্যাকনিকেল কলেজে ছাত্রবস্তায় ২০১২/২০১৩ ইং পুরু অষ্ট্রিয়ার সেন্ট্রাল স্টুডেন্ট ইউনিয়নের স্পিকার নির্বাচিত হন। সেখানে তিনি ১,১ মিলিয়ন স্টুডেন্ট এর নেতৃত্ব দেন।

অস্ট্রিয়ান তরুন রাজনীতিবিদ মাহমুদুর রহমান নয়ন। মাত্র ২৯ বৎসর বয়সে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এই তরুন অষ্ট্রিয়ার মূলধারার রাজনীতিতে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন অষ্ট্রিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে। ২০১৭ইং সালের অক্টোবরে ব্রিটেনে মাস্টার্স করার সময় তরুন এই রাজনীতিকের ডাক পরে অষ্ট্রিয়ার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অস্ট্রিয়ান পিপলস পার্টি থেকে নির্বাচন করার জন্য। তিনি যথারীতি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেন। কিন্তু সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান।

এরপর মাহমুদুর রহমান নয়ন ২০২০ সালে ভিয়েনার সিটি কর্পোরেশনের ২৩ নং ডিসট্রিক্ট থেকে কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এর মাধ্যমে তিনি অষ্ট্রিয়ার মাটিতে ইতিহাস গড়েছেন।

এবার আবারও অষ্ট্রিয়ার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অস্ট্রিয়ান পিপলস পার্টি(ÖVP) থেকে তাকে মনোনয়ন দেয়া হোল। ইতিপূর্বে তিনি শুধু ভিয়েনার ২৩ নং ডিসট্রিক্ট থেকে নির্বাচন করেছিলেন। এবার তাকে পুরো ভিয়েনা সিটি থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এবার ভিয়েনায় বসবাস করা বাংলাদেশী অস্ট্রিয়ান নাগরিকবৃন্দ মাহমুদুর রহমান নয়ন কে ভোট দিতে পারবেন।

এদিকে নয়ন মনোনয়ন পাওয়ায় অষ্ট্রিয়ার বাংলাদেশীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।

এক সাক্ষাৎকারে মাহমুদুর রহমান নয়ন দলমত নির্বিশেষে  ভোট চেয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »