ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ দেশ জুড়ে শীতের তীব্রতাবৃদ্ধি পাওয়ায় জন জীবনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। বৃদ্ধ ও শিশুরা শীতের তীব্রতা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। হাপানি ও এজমাসহ এ জাতীয় রোগে আক্রান্ত বৃদ্ধরা এবং শ্বাসকষ্ট জনিত প্রদাহের কারণে শিশুরা অসুস্থ হয়ে জেলার হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে, এবং কেউ কেউ বর্হি বিভাগ থেকে চিকিৎসকের পারামর্শ নিয়ে বাসায় অবস্থান করছেন।
রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল সীমিত রয়েছে। প্রয়োজনের বাহিরে জরুরী না হলে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। শ্রমজীবিরা কাজে যেতে পারছে না বিশেষ করে বয়সী ও মাঝারী বয়সের মানুষও শীতের তিব্রতাকে গায়ে লাগাতে চাচ্ছে না। বাজারে শীত বস্ত্রের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে বিশেষ করে পুরানো গরম কাপরের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের চোখে পরার মতো ভীর রয়েছে। কৃষকরা বোরো আবাদের কাজে নামতে পারছে না। শীতকালিন শাক সবজি ও তরিতরকারির চাহিদার থাকলেও বিপননের কাজে শ্রমিকরা বাজারে কম আসছে।
ঘন কুয়াশার কারণে বোরের বীজতলার ক্ষতি হচ্ছে এবং পানের বরজে এই শীতের সময় পাতা ঝড়ে। এবারের তীব্রশীতে পানের পাতা ঝড়ার রোগ প্রকট হচ্ছে। কৃষকরা পানের বরজ পলিথিন দিয়ে ডেকে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
বাধন রায়/ইবিটাইমস