টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ গতকাল সংঘর্ষে নিহত পুলিশের সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা। ছেলে হারানোর কষ্টে বৃদ্ধ বাবা-মা নির্বাক হয়ে পড়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্বজনরা। এলাকাবাসি ও স্বজনরা এ ঘটনার বিচার দাবি করেছে।
সকালে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজা মো. গোলাম মাসুম নিহত পুলিশ সদস্যের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের স্বান্তনা দেন। একই সাথে তাদের পাশে দাঁড়ানোসহ সকল ব্যবস্থা গ্রহনের আশা¦াস দেন।
নিহত আমিরুল ইসলামের গ্রামের আদি বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে। নদীভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে তারা টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর উপজেলায় বসবাস শুরু করেন ৮/১০ আগে। বাবার নাম বীরমুক্তিযোদ্ধা সেকেন্দার আলী মোল্লা। আমিরুল ইসলাম পারভেজ ২০১১ সালে পুলিশে যোগদান করেন। তারা দুই ভাই। চাকরির সুবাদে পারভেজ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকাতেই বসবাস করে আসছিল।
২০১২ সালে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বোলদার ইউনিয়নের রুমা আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের ছয় বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। মৃত্যুর খবর শোনার পর থেকেই নিহত পুলিশ সদস্য আমিরুল ইসলাম পারভেজের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।
শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস
শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস