ভিয়েনা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে টাঙ্গাইলের ১০৬৩ ভোট কেন্দ্র ঝালকাঠিতে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী কার্যালয় ও কর্মীদের দোকানে আগুন টাঙ্গাইলে সেই জিয়ার পরিবারকে সান্ত্বনা দিলেন টুকু শহীদ শরীফ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর প্রধান উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংসদ নির্বাচন: আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল, কাল পরিবহন চলাচল বন্ধ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট : প্রস্তুতি সম্পন্ন হবিগঞ্জে ৬৪৭ কেন্দ্রে ভোট, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে দেশ পরিচালনা করতে তারা ব্যর্থ হবে – মেজর হাফিজ প্রতিদ্বন্দ্বী দল পাকবাহিনীর দাসত্ব করেছিল: নয়ন

ঝালকাঠিতে শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মবার্ষিকী পালন

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩
  • ৩৫ সময় দেখুন

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেখ রাসেল কেন্দ্রীয় কর্মসুচির সাথে সঙ্গতি রেখে ঝালকাঠিতে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ৫৯ পাউন্ড কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।

ঝালকাঠি শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শিশু কিশোরসহ সর্বস্তরের সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপদেষ্টা অন্যতম সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি।

জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুমের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা এই কর্মসূচিতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. খান সাইফুল্লাহ পনির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার সাঈদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সরদার মোঃ শাহ আলম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদার বিশেষ অতিথি ছিলেন।

অন্যদের মধ্যে শিশু মেহজাবীন ইসলাম মাইশা ও জান্নাতুল বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভার পূর্বে আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি সহ সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জঘন্যতম হত্যাকান্ড ছিল ১৫ই আগস্ট। এই দিন শিশু রাসেলসহ বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকলকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রতাত্মা বাংলাদেশের উচ্চাভিলাশী একটি সেনাবাহিনীর ইউনিট। এই দিনটিকে সরকার শেখ রাসেল দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। ১১ বছরের শিশু রাসলকে হত্যার কারণ আজও আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।

আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ী শিশুদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বাধন রায়/ইবিটাইমস 

 

জনপ্রিয়

নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে টাঙ্গাইলের ১০৬৩ ভোট কেন্দ্র

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝালকাঠিতে শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মবার্ষিকী পালন

আপডেটের সময় ০৭:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেখ রাসেল কেন্দ্রীয় কর্মসুচির সাথে সঙ্গতি রেখে ঝালকাঠিতে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ৫৯ পাউন্ড কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে।

ঝালকাঠি শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শিশু কিশোরসহ সর্বস্তরের সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ উপদেষ্টা অন্যতম সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক জননেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি।

জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুমের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা এই কর্মসূচিতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাড. খান সাইফুল্লাহ পনির, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার সাঈদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক মোঃ রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সরদার মোঃ শাহ আলম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খান আরিফুর রহমান ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব লিয়াকত আলী তালুকদার বিশেষ অতিথি ছিলেন।

অন্যদের মধ্যে শিশু মেহজাবীন ইসলাম মাইশা ও জান্নাতুল বক্তব্য রাখেন। আলোচনা সভার পূর্বে আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি সহ সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জঘন্যতম হত্যাকান্ড ছিল ১৫ই আগস্ট। এই দিন শিশু রাসেলসহ বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকলকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রতাত্মা বাংলাদেশের উচ্চাভিলাশী একটি সেনাবাহিনীর ইউনিট। এই দিনটিকে সরকার শেখ রাসেল দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। ১১ বছরের শিশু রাসলকে হত্যার কারণ আজও আমাদের কাছে বোধগম্য নয়।

আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ী শিশুদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

বাধন রায়/ইবিটাইমস