অস্ট্রিয়ায় নাইটজেট ট্রেনের পিছনে বহনকারী গাড়িতে আগুন, আহত ৩৩

Tirol রাজ্যের একটি সুড়ঙ্গ অতিক্রম করার সময় নাইটজেট ট্রেনে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে

ইউরোপ ডেস্কঃ বুধবার (৭ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানী ভিয়েনা থেকে ছেড়ে যাওয়া নাইটজেট ট্রেনটি Tirol রাজ্যের রাজধানী Innsbruck রেলস্টেশন ছেড়ে জার্মানির হামবুর্গ হয়ে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।

নাইটজেট ট্রেনটি Tirol রাজ্যের ফ্রিটজেনসের কাছে টেরফেন টানেলের মধ্য দিয়ে ছুটে চলার সময় ট্রেনের পিছনে থাকা একটি গাড়িতে হঠাৎ করে আগুন লাগে এবং মুহূর্তের মধ্যেই গাড়িটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ট্রেনের চালক এলার্ম পেয়ে সুড়ঙ্গের ভিতর ট্রেন থামিয়ে দ্রুত জরুরী সাহায্য পরিষেবার সাহায্য চান।

Tirol রাজ্য প্রশাসনের মতে,ঘটনার সময় নাইটজেট ট্রেনে থাকা ১৫১ জন যাত্রী আটকা পড়েছিল। এর মধ্যে ৩৩ জন যাত্রী পুড়ে যাওয়া গাড়ির ধোঁয়ার
কারনে নিঃশ্বাস জনিত সমস্যায় আক্রান্ত হন। রাজ্য প্রশাসন আরও জানায় সন্ধ্যার সামান্য পর রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে আগুন লাগে।

জরুরী সাহায্য বার্তা পাওয়ার সাথে সাথেই Tirol রাজ্যের প্রায় ২০টি ফায়ার ব্রিগেড অবিলম্বে টেরফেন টানেলের দিকে চলে যায়। পরে অস্ট্রিয়ান ফেডারেল রেলওয়ের (ÖBB) মুখপাত্র ক্রিস্টোফ গাসার-মাইর সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “বর্তমানে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী,রেলওয়ের ওভারহেড লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ট্রেনটিতে থাকা একটি গাড়িতে আগুন ধরে যায়।অবশেষে বুধবার রাতেই আগুন নিভিয়ে ফেলা হয় এবং রাত ১১টার পর যাত্রীদের সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসা হয়।

ÖBB এর মুখপাত্র আরও জানান, যাত্রীদের পরিবহনের জন্য বিশেষ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।যদিও হামবুর্গ বা আমস্টারডামের যাত্রা বুধবার সন্ধ্যায় চালিয়ে যাওয়া যায়নি। যাদের চিকিৎসা সেবার প্রয়োজন ছিল না তাদের প্রথমে বাসে করে ইন্সব্রুকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। প্রত্যেকের জন্য ঘুমের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে Tirol রাজ্যের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

যাইহোক, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা ছিল যে, পশ্চিম রুট সম্পর্কে তথ্য সময়মতো দেওয়া হয়নি। একজন ব্যবহারকারী ব্যঙ্গ করে বলেছেন যে যাত্রীদের জানানো হয়েছে।কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত টানেলের রুটটি বন্ধ ছিল এবং ট্রেনগুলিকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অবস্থানটি ফ্রিটজেনস (ইনসব্রুক-ল্যান্ড জেলা) এর কাছে নতুন আনটারিনটালবাহনের একটি টানেল।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »