গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক FFP2 মাস্ক পড়ার নিয়ম ছাড়াও হাসপাতাল এবং নার্সিং হোমে বাধ্যতামূলক পিসিআর পরীক্ষাও প্রত্যাহার করা হয়েছে
ইউরোপ ডেস্কঃ আজ বুধবার (১ মার্চ) থেকে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার গণপরিবহনে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা সহ করোনার নিয়ম শেষ হয়েছে। হাসপাতাল এবং নার্সিং হোমে বাধ্যতামূলক করোনার পিসিআর পরীক্ষাও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ভিয়েনা রাজ্য গভর্নর ও সিটি মেয়র মিখাইল লুডভিগ (SPÖ) ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, ১ মার্চ থেকে ভিয়েনার গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক মাস্ক পড়ার নিয়ম আর থাকবে না। তাছাড়াও তিনি আরও বলেছিলেন যে, একই সাথে ১ মার্চ থেকে হাসপাতাল এবং নার্সিং হোমে দর্শনার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক করোনার পিসিআর পরীক্ষার সনদ প্রদর্শনও আর লাগবে না।
অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ জানিয়েছে দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের ওপর থেকে চলে আসা ভিয়েনার গণপরিবহনে মুখোশের প্রয়োজনীয়তা সহ ভিয়েনায় করোনার বিশেষ বিধিবিধান অবশেষে শেষ হয়েছে। প্রবিধান বা বিধিবিধান, যা ফেব্রুয়ারির শেষ অবধি বলবৎ ছিল, তা ভিয়েনা প্রশাসন আর বাড়ায় নি। এর মানে হল এখন থেকে ভিয়েনার গণপরিবহন (পাবলিক ট্রান্সপোর্ট) এবং ফার্মেসিতে মাস্ক আর বাধ্যতামূলক নয়। হাসপাতাল এবং নার্সিং হোমে দর্শনার্থীদের জন্য পিসিআর পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তাও আর প্রযোজ্য নয়, এবং প্রতিদিন তিনজনের দর্শনার্থীর সীমাও তুলে নেওয়া হয়েছে।
আজ থেকে ভিয়েনার পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারকারীরাও আরেকটি পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন: মুখোশের প্রয়োজনীয়তার সমান্তরালে, ভিয়েনার গণপরিবহন সংস্থা আবার বাস এবং পুরানো ট্রামের সামনের দরজা খুলবেন যেখানে চালকের ক্যাব বন্ধ থাকে না। চালকদের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য মহামারীর শুরুতে দরজা লক করা হয়েছিল।
তবে সমগ্র দেশের সাথে ভিয়েনাতেও আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত হাসপাতাল এবং নার্সিং হোমে বাধ্যতামূলক মাস্ক পড়ার নিয়ম অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ একটি পরিমাপ হিসাবে, হাসপাতাল বা নার্সিং হোমের মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাস্কের প্রয়োজনীয়তা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বহাল থাকবে। যাইহোক, এটি একটি ফেডারেল প্রবিধান এবং অস্ট্রিয়া জুড়ে প্রযোজ্য। ফেডারেল সরকার সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে সর্বশেষে ৩০ জুনের মধ্যে অস্ট্রিয়ায় করোনার সকল প্রবিধান বা নিয়মকানুন শেষ হবে।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর