ভিয়েনা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে তীব্র গ্যাস সংকট, ব্যাহত চালকদের কর্মঘণ্টা ও আয়-রোজগার বাংলাদেশকে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় কলকারখানা ও তাঁতশিল্পে ধস, টাঙ্গাইলে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন লালমোহনে অটোরিকশার চাপায় শিশু নিহত তৃতীয় দিন শেষে ৬৭ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী ঝিনাইদহ সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ ঝিনাইদহে ব্যবসায়ী বরুন হত্যা মামলা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন ঝিনাইদহে নিখোঁজ ট্রাক হেলপারের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তির সংশোধন চায় বাংলাদেশ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:১৭:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১৩৮ সময় দেখুন

মোঃ নাসরুল্লাহ, ঢাকা: ভারতীয় জায়ান্ট আদানি গ্রুপের অঙ্গসংস্থা আদানি পাওয়ারের সঙ্গে ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সংশোধনে আগ্রহী বাংলাদেশ। বর্তমান চুক্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহে আদানির কয়লার দাম অনেক বেশি চেয়েছিল। নানামুখী সমলোচনায় এখন সেটি কমাতে তৎপর হয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় নির্মিত ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য ২০১৭ সালে আদানি পাওয়ারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় বিপিডিবি। চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ব্যবহৃত কয়লার দাম পরিশোধ করবে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ এখন মনে করছে, চুক্তিতে গৌতম আদানির কোম্পানি কয়লার দাম অনেক বেশি উল্লেখ করেছে।

এ অবস্থায় বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি সংশোধনের পাশাপাশি কয়লার দাম কমানোর জন্য আদানি পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এরইমধ্যে আদানি গ্রুপকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ভারতে এক সফরে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে আদানির সঙ্গে আলোচনাও করেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকতা জানান, কয়লার দাম বলা হয়েছিল প্রতি মেট্রিক টন ২৫০ ডলারে নিচে। কিন্তু সেখানে দাম ধরা হয়েছে ৪০০ ডলারের ওপরে। ওই কর্মকর্তা বলেন, চুক্তি পুনর্বিবেচনার জন্য ভারতীয় কোম্পানিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদেরকে আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, আদানি পাওয়ার-বাংলাদেশের মধ্যকার ওই চুক্তির সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং চুক্তি নিয়ে সাম্প্রতিক সমস্যাগুলো ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার নয়া দিল্লিতে মন্ত্রণালয়টির মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএস

জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে তীব্র গ্যাস সংকট, ব্যাহত চালকদের কর্মঘণ্টা ও আয়-রোজগার

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ আমদানি চুক্তির সংশোধন চায় বাংলাদেশ

আপডেটের সময় ০৭:১৭:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মোঃ নাসরুল্লাহ, ঢাকা: ভারতীয় জায়ান্ট আদানি গ্রুপের অঙ্গসংস্থা আদানি পাওয়ারের সঙ্গে ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি সংশোধনে আগ্রহী বাংলাদেশ। বর্তমান চুক্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহে আদানির কয়লার দাম অনেক বেশি চেয়েছিল। নানামুখী সমলোচনায় এখন সেটি কমাতে তৎপর হয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।

ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় নির্মিত ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য ২০১৭ সালে আদানি পাওয়ারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় বিপিডিবি। চুক্তি অনুযায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ব্যবহৃত কয়লার দাম পরিশোধ করবে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ এখন মনে করছে, চুক্তিতে গৌতম আদানির কোম্পানি কয়লার দাম অনেক বেশি উল্লেখ করেছে।

এ অবস্থায় বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি সংশোধনের পাশাপাশি কয়লার দাম কমানোর জন্য আদানি পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এরইমধ্যে আদানি গ্রুপকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝিতে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ভারতে এক সফরে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে আদানির সঙ্গে আলোচনাও করেছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকতা জানান, কয়লার দাম বলা হয়েছিল প্রতি মেট্রিক টন ২৫০ ডলারে নিচে। কিন্তু সেখানে দাম ধরা হয়েছে ৪০০ ডলারের ওপরে। ওই কর্মকর্তা বলেন, চুক্তি পুনর্বিবেচনার জন্য ভারতীয় কোম্পানিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদেরকে আনুষ্ঠানিক চিঠিও পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, আদানি পাওয়ার-বাংলাদেশের মধ্যকার ওই চুক্তির সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং চুক্তি নিয়ে সাম্প্রতিক সমস্যাগুলো ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার নয়া দিল্লিতে মন্ত্রণালয়টির মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএস