করোনার টিকায় সরকারের এই পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক
বাংলাদেশ ডেস্কঃ আজ সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারী) স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন টিকার আওতায় দেশের ৭০ ভাগ মানুষ। সরকার এখন টিকা দেয়ার মানুষ খুঁজে পাচ্ছে না । স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে টিকা কার্যক্রমে সফলভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১০ কোটি মানুষ প্রথম ডোজ টিকার আওতায় এসেছে। পৌনে সাত কোটি ২য় ডোজের আওতায় এসেছে। আর দেশে করোনার প্রতিষেধক টিকার বুস্টার ডোজ পেয়েছে প্রায় ২৬ লাখ মানুষ।
তিনি বলেন, আমরা এই পর্যন্ত মোট সাড়ে ২৭ কোটি টিকা পেয়েছি। আমাদের কাছে এখনো ১০ কোটি টিকা মজুদ আছে। সব দেয়ার পরেও টিকা বেঁচে যাবে। এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবাইকে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, টিকা নেয়ার কারণে মৃত্যুহার কমেছে। তাই যারা এখনো টিকা নেননি তারা টিকা নেন।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে মিলে আড়াই হাজার করোনা রোগী হাসপাতালে রয়েছে। এদের মধ্যে ঢাকায় রয়েছে দেড় হাজার রোগী। তাছাড়াও আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দেশের সব মানুষ বুস্টারসহ পরিপূর্ণ টিকার আওতায় আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন,করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা কেনার জন্য এখন পর্যন্ত সরকারের ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান দেশে টিকা কার্যক্রমে সফলভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। তাছাড়াও তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দেশের সব মানুষ বুস্টারসহ পরিপূর্ণ টিকার আওতায় আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে আজ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় সংক্রামিত শনাক্ত হয়েছেন ৯,৩৬৯ জন এবং একই সময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩৮ জন। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২৮ জন এবং নারী ১০ জন নারী। তাদের মধ্যে ৩২ জন সরকারি হাসপাতালে এবং বাকী ৬ জন বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন।
এতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ সারাদেশে ৮৬৮টি পরীক্ষাগারে ৪৪ হাজার ৬৭১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ৪৪ হাজার ৪৭১ টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ১ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার ৮৮০ টি।
বাংলাদেশে এই পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৮,৭০,৯০১ জন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন ২৮,৬২৭ জন। আর এই পর্যন্ত করোনার থেকে আরোগ্য লাভ করেছেন মোট ১৬ লাখ ১২ হাজার ৫৭ জন রোগী।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/ এম আর