ভিয়েনা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশের মধ্যে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তারা গুপ্ত – সিরাজগঞ্জে তারেক রহমান হবিগঞ্জে ১৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ড্রোনে নজরদারি নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের উন্নয়ন কোন ভাবেই সম্ভব নয়- মেজর হাফিজ বিএনপি ক্ষমতায় এলে আলেম ওলামাসহ প্রত্যেকে নিরাপদ থাকবে – নয়ন প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে নির্বাচনে ১৬টি দেশ পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে আধিপত্যবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে জনগণ একাট্টা হয়েছে : শফিকুর রহমান ডেনমার্কের অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তন ভয়াবহ আর্থিক সংকটে জাতিসংঘ- মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নেতাকর্মীদের হ্যাঁ ভোট দিতে বললেন তারেক রহমান

ভোলার তজুমদ্দিনে আমনের বাম্পার ফলনের আশা চাষিদের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৮:১৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১
  • ৩০ সময় দেখুন

শরীফ আল-আমীন, তজুমদ্দিন (ভোলা): ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন
চাষিরা।দুচোখের দৃষ্টি যতদূর যায় সর্বত্রই বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বাতাসে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো ছোট ছোট ঢেউ তুলছে কৃষকের স্বপ্ন সবুজ ধানের সমারোহ।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, এবছর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে রোপা আমন ধানের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ৮শত হেক্টর।লক্ষমাত্রার চেয়ে এ বছর উপজেলায় দুইশ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ কম হয়েছে।তবে শীতকালীন শাক-সবজি চাষের জন্যই এই ২শত হেক্টর জমি আমন চাষাবাদ কম হয়েছে।

সার,বীজ, কৃটনাশক, জমি প্রস্তুত ও বিবিধ পণ্যের দাম বেশি থাকায় উৎপাদন খরচ বেশি হয়েছে চাষিদের।ধান কাটা পর্যন্ত আবহাওয়া সুন্দর ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ না হলে এবং ধানের বাজার দর ভালো থাকলে চাষে বেশ লাভবান হওয়ার আশা করছেন কৃষকরা।এবছর রোপা আমনে দুইটি নতুন জাতের ব্রি ধান ৮৭ ও বিনা ধান ১৭ কৃষকের হাতে তুলে দেয় উপজেলা কৃষি অফিস। অপরদিকে নতুন ধানের জাত দুইটির তুলনা মূলক জীবনকাল কম হওয়ায় রবিশষ্য দ্রুত সময়ে করতে পারছেন কৃষকরা।নতুন ধান দুটিসহ উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় আশা করা
যায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ৪৬ হাজার ৮শত মেঃটঃ অর্জিত হবে।

জানতে চাইলে চাঁদপুর ইউনিয়নের কৃষক আঃ শহিদ বলেন, এ বছর করোনার কারণে সার,বীজ ও কীটনাশক একটু বেশি দামেই কিনতে হয়েছে। আমার ৩ একর জমিতে চাষ করতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা।ধান কাটার আগ পর্যন্ত দূর্যোগের কবলে আক্রান্ত না হলে ও ধানের বাজার দাম ভালো থাকলে আশা করি ১ লক্ষ টাকার ধান বিক্রি করতে পারবো।

কৃষক আব্বাছ বলেন, এবছর আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় আমনের বাম্পার ফল হয়েছে।আর কিছুদিন পরে ধান কেটে ঘরে আনবো। দাম ভালো ফেলে আশা করি যে পরিমান খরচ হয়েছে তাতে বেশ লাভবান হওয়া যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব লাল সরকার বলেন, মাঠে এবছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগের ক্ষতি না হলে আশা করা যায় লক্ষমাত্রা পুরোপুরি অর্জিত হবে। ধানের বাজার ভালো থাকলে কৃষক লাভবান হবে।

ভোলা/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

দেশের মধ্যে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তারা গুপ্ত – সিরাজগঞ্জে তারেক রহমান

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ভোলার তজুমদ্দিনে আমনের বাম্পার ফলনের আশা চাষিদের

আপডেটের সময় ০৮:১৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১

শরীফ আল-আমীন, তজুমদ্দিন (ভোলা): ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন
চাষিরা।দুচোখের দৃষ্টি যতদূর যায় সর্বত্রই বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বাতাসে সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো ছোট ছোট ঢেউ তুলছে কৃষকের স্বপ্ন সবুজ ধানের সমারোহ।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, এবছর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে রোপা আমন ধানের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ হাজার ৮শত হেক্টর।লক্ষমাত্রার চেয়ে এ বছর উপজেলায় দুইশ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ কম হয়েছে।তবে শীতকালীন শাক-সবজি চাষের জন্যই এই ২শত হেক্টর জমি আমন চাষাবাদ কম হয়েছে।

সার,বীজ, কৃটনাশক, জমি প্রস্তুত ও বিবিধ পণ্যের দাম বেশি থাকায় উৎপাদন খরচ বেশি হয়েছে চাষিদের।ধান কাটা পর্যন্ত আবহাওয়া সুন্দর ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ না হলে এবং ধানের বাজার দর ভালো থাকলে চাষে বেশ লাভবান হওয়ার আশা করছেন কৃষকরা।এবছর রোপা আমনে দুইটি নতুন জাতের ব্রি ধান ৮৭ ও বিনা ধান ১৭ কৃষকের হাতে তুলে দেয় উপজেলা কৃষি অফিস। অপরদিকে নতুন ধানের জাত দুইটির তুলনা মূলক জীবনকাল কম হওয়ায় রবিশষ্য দ্রুত সময়ে করতে পারছেন কৃষকরা।নতুন ধান দুটিসহ উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় আশা করা
যায় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ৪৬ হাজার ৮শত মেঃটঃ অর্জিত হবে।

জানতে চাইলে চাঁদপুর ইউনিয়নের কৃষক আঃ শহিদ বলেন, এ বছর করোনার কারণে সার,বীজ ও কীটনাশক একটু বেশি দামেই কিনতে হয়েছে। আমার ৩ একর জমিতে চাষ করতে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা।ধান কাটার আগ পর্যন্ত দূর্যোগের কবলে আক্রান্ত না হলে ও ধানের বাজার দাম ভালো থাকলে আশা করি ১ লক্ষ টাকার ধান বিক্রি করতে পারবো।

কৃষক আব্বাছ বলেন, এবছর আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় আমনের বাম্পার ফল হয়েছে।আর কিছুদিন পরে ধান কেটে ঘরে আনবো। দাম ভালো ফেলে আশা করি যে পরিমান খরচ হয়েছে তাতে বেশ লাভবান হওয়া যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব লাল সরকার বলেন, মাঠে এবছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগের ক্ষতি না হলে আশা করা যায় লক্ষমাত্রা পুরোপুরি অর্জিত হবে। ধানের বাজার ভালো থাকলে কৃষক লাভবান হবে।

ভোলা/ইবিটাইমস