অস্ট্রিয়া-চেক সীমান্তে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে নিহত ৫, আহত ১০০

ইউরোপ ডেস্ক: অস্ট্রিয়ান সংবাদ সংস্থা এপিএ এবং জাতীয় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছেন গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অস্ট্রিয়ার লোয়ার অস্ট্রিয়া (NÖ) রাজ্যের সীমান্তবর্তী চেক প্রজাতন্ত্রের ব্রেক্লাভ, হোডোনিন এবং মিকুলভ অঞ্চলে একটি শক্তিশালী টর্নেডো আঘাত হানে।

অস্ট্রিয়ার জনপ্রিয় দৈনিক “ক্রোনেন ছাইতুং” নির্ভরশীল সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান,এই শক্তিশালী টর্নেডোর হামলায় ৫ জন চেক নাগরিক নিহত এবং প্রায় ১০০ শত আহত হন। পত্রিকাটি আরও জানায়,ঘটনার পর পরই অস্ট্রিয়ান রেড ক্রস সহ বিভিন্ন রেসকিউ দলকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। NÖ রাজ্যের Weinviertel জেলা থেকে ২ টি উদ্ধার কারী হেলিকপ্টার এবং ২৫ টি এমবুলেন্স ঘটনাস্থল উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেছেন।

অস্ট্রিয়ার অনলাইন পত্রিকা Heute এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে জরুরি মেডিকেল সার্ভিস ১৪৪ এর মুখপাত্র স্টিফান স্পিলবিচলার বলেছেন, উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার ও এমবুলেন্স দিয়ে আহতদের অস্ট্রিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অস্ট্রিয়ার NÖ  রাজ্যের ভাইনভিয়ারটেল জেলার সমস্ত হাসপাতাল, সাঙ্কটপল্টেন,ভিয়েনার নিউস্টাড্ট হাসপাতাল এবং রাজধানী ভিয়েনার প্রায় সমস্ত হাসপাতালের জরুরী বিভাগকে এলার্ট অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে। মুখপাত্র স্টিফান স্পিলবিচলার আরও বলেন,আমরা আহতদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অস্ট্রিয়ার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। টর্নেডোর হামলায় ২ জন গুরুতর আহতকে হেলিকপ্টারে করে ভিয়েনার জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়েছে,চেক কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্থ অঞ্চলে টর্নেডোর সংঘটিত নাটকীয় ও ভয়ঙ্কর দৃশ্যের কথা স্বীকার করেছেন। রেড ক্রস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঘটনাস্থলে একটি স্টেডিয়ামে ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য একটি অস্থায়ী সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ এবং ছবি দেখে টর্নেডোর ধ্বংসের বিশালতা প্রকাশ পেয়েছে।

টর্নেডোর হানায় সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে অস্ট্রিয়ার সীমান্তবর্তী চেক প্রজাতন্ত্রের  মিকুলকিস গ্রাম। শক্তিশালী এই টর্নেডোর হামলায় গ্রামটি একেবারে মাটির সাথে মিশে গেছে। টর্নেডোটি NÖ রাজ্যের Mistelbach জেলার শ্র্যাটেনবার্গ গ্রামেও আঘাত হেনে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেন।

কবির আহমেদ/ ইবিটাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »