ভিয়েনা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী মাভাবিপ্রবিতে সিনিয়রকে মারধরের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও ভাঙচুর, সহকারী প্রক্টরসহ আহত ১০ ঝিনাইদহে কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে সার ও বীজ বিতরণ বাহুবলে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত লালমোহনে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বাসযোগ্য শহর কোপেনহেগেন,ভিয়েনা দ্বিতীয়,আর ঢাকা ১৭১তম অসাধারণ জয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে আর্জেন্টিনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল বিভাগের রায় কাল বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

ভোলায় শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১
  • ১২২ সময় দেখুন

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার দৌলতখানের ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর ২০২০ সালের (জুলাই-ডিসেম্বর) ৬ মাসের উপবৃত্তির ৩৭ হাজার ৮০০ টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে একটি আইটি প্রতিষ্ঠান। অভিযুক্ত ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “অর্না নেটে”র মালিক উপজেলার হাজিপুর এসএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন মিঠু।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অপারেটর মো: ছাব্বির হোসেন নিজের ও তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মোবাইল নাম্বার শিক্ষার্থীদের নামের বিপরীতে বসিয়ে দিয়ে নিজেদের মোবাইলে টাকা পেতে এ অপচেষ্টা চালান। আর এ কাজটি সম্পাদন করেছেন ওই ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা এন্ট্রি করার সময়।

যেসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম রাম রতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুকদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিদারুল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর পদ্মা রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বামনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ২০২১ সালের উপবৃত্তির কাজ করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।

জালিয়াতির শিকার বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের অভিযোগ, অর্না নেটের মালিক শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন ছাড়া বিদ্যালয়গুলোর পাসওয়ার্ড, ইএমআইএস কোড অন্য কারও জানা থাকার কথা নয়।

৪২ জন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে ছাব্বির ও তার মা ছায়েরা খাতুনের মোবাইল নাম্বার যথাক্রমে- ০১৫৮০৭২৩১০৯, ০১৬০৯৫৪৭৪১৬ এবং তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যুক্ত হলো কিভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ছাব্বির বলেন, আমাকে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু স্যার মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। আমাকে ফাঁসাতে তিনিই এ কাজ করেছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু বলেন, ছাব্বির অন্যত্র কাজ করবে বলে স্বেচ্ছায় আমার প্রতিষ্ঠানের কাজ ছেড়ে দিয়েছে। সে-ই এ কাজ করেছে। তাকে মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: হোসেন বলেন, ঘটনা সম্পর্কে শিক্ষকরা তাকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি সংশোধনের চেষ্টা চলছে।

ভোলা/ইবিটাইমস/এমএন

জনপ্রিয়

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ভোলায় শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

আপডেটের সময় ১২:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার দৌলতখানের ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর ২০২০ সালের (জুলাই-ডিসেম্বর) ৬ মাসের উপবৃত্তির ৩৭ হাজার ৮০০ টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে একটি আইটি প্রতিষ্ঠান। অভিযুক্ত ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “অর্না নেটে”র মালিক উপজেলার হাজিপুর এসএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন মিঠু।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অপারেটর মো: ছাব্বির হোসেন নিজের ও তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মোবাইল নাম্বার শিক্ষার্থীদের নামের বিপরীতে বসিয়ে দিয়ে নিজেদের মোবাইলে টাকা পেতে এ অপচেষ্টা চালান। আর এ কাজটি সম্পাদন করেছেন ওই ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা এন্ট্রি করার সময়।

যেসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম রাম রতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুকদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিদারুল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর পদ্মা রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বামনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ২০২১ সালের উপবৃত্তির কাজ করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।

জালিয়াতির শিকার বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের অভিযোগ, অর্না নেটের মালিক শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন ছাড়া বিদ্যালয়গুলোর পাসওয়ার্ড, ইএমআইএস কোড অন্য কারও জানা থাকার কথা নয়।

৪২ জন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে ছাব্বির ও তার মা ছায়েরা খাতুনের মোবাইল নাম্বার যথাক্রমে- ০১৫৮০৭২৩১০৯, ০১৬০৯৫৪৭৪১৬ এবং তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যুক্ত হলো কিভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ছাব্বির বলেন, আমাকে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু স্যার মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। আমাকে ফাঁসাতে তিনিই এ কাজ করেছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু বলেন, ছাব্বির অন্যত্র কাজ করবে বলে স্বেচ্ছায় আমার প্রতিষ্ঠানের কাজ ছেড়ে দিয়েছে। সে-ই এ কাজ করেছে। তাকে মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: হোসেন বলেন, ঘটনা সম্পর্কে শিক্ষকরা তাকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি সংশোধনের চেষ্টা চলছে।

ভোলা/ইবিটাইমস/এমএন