চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধিঃ ভোলা-৪ আসনে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের নির্বাচনী প্রচারনা চলাকালে তার নেতা-কর্মীদের ওপর জামায়াত ও শিবিরের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিএনপির ৮ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করান। এই ঘটনায় আহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামী করে দুলারহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৮টায় উপজেলার আহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, বিএনপির মনোনিত প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের নেতা-কর্মীরা তার নির্বাচনী প্রচারনা আহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মৃধা বাড়ীর জামে মসজিদের সামনে এলে জামায়াত ও শিবির সদস্যরা মিলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালান।
আহাম্মদপুর ইউনিয়ন নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক অধ্যাপক মঈন চরফ্যাশন প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে বলেন, ভোলা-৪ (চরফ্যাশন ও মনপুরা) আসনের বিএনপির মনোনিত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের নির্বাচনী প্রচারনার জন্য আহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড মৃধা বাড়ীর জামে মসজিদের সামনে আসলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াত ও শিবিরের কয়েকজন কর্মী আপত্তি কর ভাষঅয় মিছিল দিতে থাকে। আমাদের কর্মী নিরব মিয়াজী ও মান্নান তাদের স্লোগান দিতে নিষেধ করে। এসময় আহাম্মদপুর ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর আমির জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রায় ৫০/৬০ জন নারী ও পুরুষ মিলে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে করে আহাম্মদপুর ইউনিয়নের যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীরসহ ৮জন নেতা-কর্মী গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আহাম্মদপুর ইউনিয়নের জামায়াত ইসলামীর আমির জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা তাদের ওপর হামলা করিনি। উল্টো তারা আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে।
দুলারহাট থানার ওসি মো. মিজান জানান, এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর উভয় দলের নেতা কর্মী যাওয়ার কথা ছিল।
শহিদুল ইসলাম জামাল/ইবিটাইমস/এম আর




















