শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল (প্রতীক: হরিণ)–এর নির্বাচনী প্রচারণায় ধারাবাহিক বাধা, হামলা ও ভয়ভীতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট ফজলুল হক বাচ্চু।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে তাদের পথসভা ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একই সময় ও স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আহমেদ আজম খানের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এর মাধ্যমে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি, ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং শান্তিপূর্ণ প্রচারণা ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তোলেন।
তিনি আরও বলেন, তাদের মিছিল-সমাবেশে হামলার চেষ্টা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকি এবং নিজেদের কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটিয়ে তার দায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর চাপানোর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচন আচরণবিধির লঙ্ঘন বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া, অফিসের মালামাল ভাঙচুর এবং কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রমাণ গণমাধ্যমের কাছে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান নির্বাচনী এজেন্ট।
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার ভাষায়, একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী কি নিরাপদে প্রচারণা চালাতে পারবে না? নিয়মিত আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।
তবে তারা কোনো সংঘাতে জড়াতে চান না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। পাল্টা সহিংসতায় যাব না। আমরা আইনের শাসন ও সমান সুযোগ চাই।
সংবাদ সম্মেলন থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়: অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা, সকল প্রার্থীর জন্য সমান প্রচারণার সুযোগ নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচন কমিশনের সক্রিয় হস্তক্ষেপ।
শেষে বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল-৮ আসনের জনগণ ভয়ের রাজনীতি নয়, ভোটের রাজনীতি চায় এবং তারা আশা করেন গণমাধ্যম সত্য তুলে ধরবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস




















