ভিয়েনা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এআই’কে গুটিকয়েক ধনকুবেরের মর্জির ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না : জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ বাংলাদেশে সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে ইইউর ধন্যবাদ জ্ঞাপন দেশের সব আবর্জনা দূর করতে চাই: শফিকুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হামলায় নিহত ১৪

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:০২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২১ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধারকারীরা এখনও নিখোঁজ ১২ জনকে খুঁজে বের করার জন্য উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। শনিবার দেশটির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা একথা জানিয়েছেন।

প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে বৃহস্পতিবার মধ্য জাভা প্রদেশের তিনটি গ্রামের কিছু ঘরবাড়ি চাপা পড়ে ও অন্যান্য বেশকিছু স্থাপনার ক্ষতি হয়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এএফপিকে বলেন, শনিবার বিকেল পর্যন্ত ১১ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিখোঁজ আরও ১২ জনের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘অনুসন্ধান ও উদ্ধার অফিস, সামরিক বাহিনী, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন।’

এর আগে জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার দুটি, শুক্রবার একটি ও শনিবার আটটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার অনুসন্ধানে সহায়তা করার জন্য খননকারী যন্ত্র ও (অনুসন্ধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ট্র্যাকিং কুকুর মোতায়েন করেছে।

জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা চলতি সপ্তাহের শুরুতে জলবায়ু বিপর্যয়ের বিষয়ে সতর্ক করেছিল।

তারা আরো জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহগুলোতেও ইন্দোনেশিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশটিতে বার্ষিক বর্ষা মৌসুম সাধারণত নভেম্বর মাস থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত থাকে।

ইন্দোনেশিয়ায় এই সময়ে প্রায়শই ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও জলবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

জলবায়ু পরিবর্তন ঝড়ের ধরণকেও প্রভাবিত করেছে এবং আগের চেয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো স্বরূপ পাল্টে গেছে। যার মধ্যে রয়েছে মৌসুমের সময়কাল ও তীব্রতা, ভারী বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা ও শক্তিশালী বাতাসের আঘাত।

নভেম্বরের শুরুতে, পাপুয়ার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটে।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

এআই’কে গুটিকয়েক ধনকুবেরের মর্জির ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না : জাতিসংঘ মহাসচিব

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১

আপডেটের সময় ০৯:০২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

ইবিটাইমস ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধারকারীরা এখনও নিখোঁজ ১২ জনকে খুঁজে বের করার জন্য উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। শনিবার দেশটির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা একথা জানিয়েছেন।

প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে বৃহস্পতিবার মধ্য জাভা প্রদেশের তিনটি গ্রামের কিছু ঘরবাড়ি চাপা পড়ে ও অন্যান্য বেশকিছু স্থাপনার ক্ষতি হয়।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এএফপিকে বলেন, শনিবার বিকেল পর্যন্ত ১১ জনের প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিখোঁজ আরও ১২ জনের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘অনুসন্ধান ও উদ্ধার অফিস, সামরিক বাহিনী, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের ৭০০ জনেরও বেশি সদস্য এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন।’

এর আগে জাতীয় দুর্যোগ সংস্থার এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার দুটি, শুক্রবার একটি ও শনিবার আটটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার অনুসন্ধানে সহায়তা করার জন্য খননকারী যন্ত্র ও (অনুসন্ধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ট্র্যাকিং কুকুর মোতায়েন করেছে।

জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা চলতি সপ্তাহের শুরুতে জলবায়ু বিপর্যয়ের বিষয়ে সতর্ক করেছিল।

তারা আরো জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহগুলোতেও ইন্দোনেশিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশটিতে বার্ষিক বর্ষা মৌসুম সাধারণত নভেম্বর মাস থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত থাকে।

ইন্দোনেশিয়ায় এই সময়ে প্রায়শই ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা ও জলবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।

জলবায়ু পরিবর্তন ঝড়ের ধরণকেও প্রভাবিত করেছে এবং আগের চেয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলো স্বরূপ পাল্টে গেছে। যার মধ্যে রয়েছে মৌসুমের সময়কাল ও তীব্রতা, ভারী বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা ও শক্তিশালী বাতাসের আঘাত।

নভেম্বরের শুরুতে, পাপুয়ার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটে।
ঢাকা/এসএস