ভিয়েনা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক : শ্রমবাজার খোলা, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও ব্যয় কমাতে সম্মতি টাঙ্গাইলে ছয় মাদক বিক্রতা ও তিনজন মাদকসেবী গ্রেফতার টিআর কাবিখার তথ্য নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার লুকোচুরি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি : যা জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমান বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ : সংসদে প্রধানমন্ত্রী হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী কারাগারে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারি দলের সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত

অন্তর্বর্তী সরকারেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি: টিআইবি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:২৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৬ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের একবছরে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি উল্লেখ করে ভিন্ন প্রক্রিয়া ও ভিন্ন উপায়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব, অবাধ তথ্য প্রবাহ ও জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে ‘কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করা হয়।

টিআইবি গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে বলছে, সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার, এর মধ্যে ২৬৬ জনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত হত্যা মামলার আসামি করা; তিন জন সাংবাদিক দায়িত্ব পালনকালে হামলায় নিহত (আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত); ২৪ জনের বেশি গণমাধ্যমকর্মীকে পদ থেকে অপসারণ; আটটি সংবাদপত্রের সম্পাদক এবং ১১টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বার্তা প্রধান বরখাস্ত, অন্তত ১৫০ জন সাংবাদিক চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।

পর্যবেক্ষণে টিআইবি বলছে, মব তৈরি করে গণমাধ্যম কার্যালয়গুলোতে আতঙ্ক সৃষ্টি, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিয়ে সরকারের বিতর্কিত কার্যক্রম, তিন দফায় ১৬৭ জন সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল; সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডে সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমাবদ্ধ করা; প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা ২০২২ সংশোধন, তথ্য কমিশন কার্যকর করা এবং তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের উদাসীনতা রয়েছে।

টিআইবি তার মন্তব্যে আরও বলছে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন হলেও জাতিসংঘের কিছু সুপারিশ না মানা- কিছু ক্ষেত্রে অস্পষ্ট সংজ্ঞা মতপ্রকাশে বাধা হওয়া এবং কোনো কোনো ধারায় আইনের অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ও নজরদারিমূলক আইনি কাঠামো সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।

টিআইবি জানায়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত না করা; সরকারি দপ্তরসমূহে তথ্য গোপন করার প্রবণতা, স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ না করার চর্চা অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা/এসএস

Tag :
জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

অন্তর্বর্তী সরকারেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি: টিআইবি

আপডেটের সময় ১০:২৮:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

ইবিটাইমস ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের একবছরে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়নি উল্লেখ করে ভিন্ন প্রক্রিয়া ও ভিন্ন উপায়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব, অবাধ তথ্য প্রবাহ ও জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে ‘কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করা হয়।

টিআইবি গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে বলছে, সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ৪৯৬ জন সাংবাদিক হয়রানির শিকার, এর মধ্যে ২৬৬ জনকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংক্রান্ত হত্যা মামলার আসামি করা; তিন জন সাংবাদিক দায়িত্ব পালনকালে হামলায় নিহত (আগস্ট ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত); ২৪ জনের বেশি গণমাধ্যমকর্মীকে পদ থেকে অপসারণ; আটটি সংবাদপত্রের সম্পাদক এবং ১১টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বার্তা প্রধান বরখাস্ত, অন্তত ১৫০ জন সাংবাদিক চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে।

পর্যবেক্ষণে টিআইবি বলছে, মব তৈরি করে গণমাধ্যম কার্যালয়গুলোতে আতঙ্ক সৃষ্টি, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিয়ে সরকারের বিতর্কিত কার্যক্রম, তিন দফায় ১৬৭ জন সাংবাদিকের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল; সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডে সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমাবদ্ধ করা; প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা ২০২২ সংশোধন, তথ্য কমিশন কার্যকর করা এবং তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের উদাসীনতা রয়েছে।

টিআইবি তার মন্তব্যে আরও বলছে, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন হলেও জাতিসংঘের কিছু সুপারিশ না মানা- কিছু ক্ষেত্রে অস্পষ্ট সংজ্ঞা মতপ্রকাশে বাধা হওয়া এবং কোনো কোনো ধারায় আইনের অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ও নজরদারিমূলক আইনি কাঠামো সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে।

টিআইবি জানায়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত না করা; সরকারি দপ্তরসমূহে তথ্য গোপন করার প্রবণতা, স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ না করার চর্চা অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা/এসএস