মনজুর রহমান, ভোলা : ভোলায় ছাত্রদল নেত্রী সুকর্না আক্তার ইস্পিতার মৃত্যু সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তবে আলোচিত এ ঘটনায় রহস্যের জট খুলেনি। কিভাবে তাার মৃত্যু হলো বা হত্যা করা হয়েছে তা নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজের চারদিন পর ছাত্রদল নেত্রী
সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতার মরদেহ উদ্ধার হয়। এরপর পরই দাবী উঠে রহস্য উদঘাটনে।
এটি পরিকল্পিত হত্যা নাকি আত্নহত্যা তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কেউ। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনার তদন্ত করছে।
এদিকে ছাত্র দল নেত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ট তদন্ত দাবী জানিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা।
জানা গেছে, ভোলা পৌর ৯ নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল সড়কের বাসিন্দা মাসুদ রানার মেয়ে ও ভোলা সরকারি কলেজের প্রানীবিদ্যা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী সুকর্ণা আক্তার ইপ্সিতা। দীর্ঘদিন ধরে কলেজ শাখা ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত। প্রাইভেট পড়িয়ে নিজের হাত খরচের টাকা যোগাড় করতেন।
৬ মাস আগে স্বামীর মেহেদী হাসানের সাথে ডিভোর্স হয়। বিয়ের আগে থেকেই বাবার বাড়িতে থেকেই পড়াশুনা করতেন ইস্পিতা।
গত ১৭ জুন প্রাইভেটে যাওয়ার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এরপর থেকে তার মোবাইলে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার চারদিন পর ২১ জুন লক্ষীপুরের মেঘনা নদী থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের বাবা মেয়ের ছবি দেখে শনাক্ত করেন।
জানা গেছে, ১৭ জুন ভোলা থেকে কর্নফূলী-৪ লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে গভীর রাতে হঠাৎ করেই লঞ্চের তৃতীয় তলা থেকে ঝাপ দেন তিনি। তিনি ঝাপ দিয়েছেন নাকি ফেলে দেয়া হয়েছে তা জানা যায়নি।
এ নেত্রী কি কারনে মানুষিক যন্ত্রনায় ভুগছিলেন তা জানেননা সহপাঠি কিংবা তা বাবা মা।
ইস্ফিতার বাবা মাসুম রানা মেয়ের হত্যাকান্ড হয়ে থাকলে বিচার চেয়েছেন।
একই দাবী ইস্পিতার মা ও বোনের।
সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার চান সহপাঠির ও ছাত্র দল নেতারা।
এতিকে মৃত্যুর ২ দিন আগে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে রাজনীতি থেকে সরে আসার ঘোষনা দেন সুকর্না।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসনাইন পারভেজ বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।
এরআগে ইস্পিতার মরদেহ উদ্ধারের পর নৌ পুলিশ বাদী হয়ে লক্ষীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ভোলায় ছাত্রদল নেত্রীর মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল, বিচার চান পরিবার
