ব্রুনাই শ্রমবাজার উন্মুক্তের দাবি

ইবিটাইমস ডেস্ক : ব্রুনাই শ্রমবাজার উন্মুক্ত করে সকল এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর সুযোগ প্রদানের দাবি জানিয়েছে ব্রুনাই রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন। আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ব্রুনাই শ্রমবাজারের সংকট ও সিন্ডিকেট দুর্নীতির বিরুদ্ধে জরুরী সংবাদ সম্মেলন সংগঠনটি এ দাবি জানায়।

সংবাদ সন্মেলনে বক্তারা বলেন, আমরা বায়রা সদস্যরা অতি কষ্টে ‘ব্রুনাই শ্রমবাজার’ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। দুঃখের বিষয় হঠাৎ করে ব্রুনাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যোগসাজশে দুর্নীতির মাধ্যমে কালো টাকা আত্মসাতের জন্য কৌশলে বায়রা সদস্যদের মৌলিক অধিকার হরণ করে একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বোয়েসেল’-এর মাধ্যমে ব্রুনাই দারুসসালামে কর্মী প্রেরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যার ফলে আমরা যারা ব্রুনাই দারুসসালামে বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণ করতাম তারা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুক্ষীন হই।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে ‘ব্রুনাই রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন’-এর সভাপতি ইকরাম চৌধুরী বলেন, ব্রুনাই বেসরকারিভাবে লোক পাঠাতে না দেওয়া বায়রা সদস্যদের মৌলিক অধিকার হরণের সামিল। এই সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য এবং বোয়েসেলের পাশাপাশি আমরা যারা বায়রা সদস্য আছি তাদেরকেও ব্রুনাই দারুসসালামে শ্রমিক প্রেরণের অনুমতি প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা, সচিব, বিএমইটির ডিজি মহোদয়ের সাথে দেখা করে আমাদের দাবি উত্থাপন করেও অদ্যাবধি কোনো সুবিচার পাইনি।

বোয়েসেল চাহিদা পূরণ করতে পারছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্রুনাই দারুসালামে প্রচুর কর্মীর চাহিদার বিপরীতে ‘বোয়েসেল’ মাত্র ২ ‍শতাংশ শ্রমিক প্রেরণে সক্ষম হয়। এমতাবস্থায় ব্রুনাই দারুসসালামের সুন্দর বাজারটি বোয়েসেলের গদাই লস্করি সরকারি ব্যবস্থাপনার জন্য হাতছাড়া হয়ে বাংলাদেশ হারাতে যাচ্ছে রেমিট্যান্স। দেশ ও জাতির কল্যাণে ও স্বার্থে এই অচলাবস্থা নিরসনে সরকারি আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ‘ব্রুনাই রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন (BRAA)’-এর পক্ষ থেকে দেশ ও জাতিকে বিষয়টি মিডিয়ার মাধ্যমে অবহিত করনের লক্ষ্যে আমাদের এই সংবাদ সম্মেলন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জনশক্তি কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগসাজসে ব্রুনাই দারুসসালামে বোয়েসেল একতরফাভাবে শ্রমশক্তি রপ্তানিতে জড়িত হয়ে আমাদেরকে যে কারণে রিক্রুটিং লাইসেন্স দেয়া হলো তা অস্বীকার করে সরকার নিজেই ব্যবস্থা শুরু করে আমাদের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক লায়ন দেলোয়ার চৌধুরী, সাংগঠনিক ও আইন সম্পর্কিত সম্পাদক মো. নুরুল আলম, আটাব ও হাবের অন্যতম নেতা লায়ন্সের সাবেক কাউন্সিল চেয়ারপারসন ও জেলা গভর্নর লায়ন এম এ রশিদ শাহ সম্রাট ও সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক বিল্লাল হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »