শেখ ইমন, ঝালকাঠি : ঝালকাঠিতেও করোনা সংক্রমণ হাটি হাটি পা পা করে অগ্রসর হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কীটস না থাকায় এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানে আসছে না।
ঝালকাঠির সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, কীট আনার জন্য একজন কর্মচারী ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং আগামীকাল থেকেই করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা শুরু হবে।
২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া কোভিড-১৯ ২০২২ সালের জুন মাস পর্যন্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা চলেছে। এই সময়ের মধ্যে ১৯ হাজার ৭৮০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ৫৭৫০জন আক্রান্ত হয়েছে ৭৬জনের মৃত্যু হয়েছে এবং সুস্থ্য হয়েছিল ৫৬৭৪জন।
ঝালকাঠির স্বাস্থ্য বিভাগের বিগত কোভিড-১৯ কালীন করোনা যোদ্ধা হিসেবে সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন সদর হাসপাতালের
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আবুয়াল হাসান।
তিনি জানান, বর্তমানে শুরু হওয়া পূর্বের করোনা ভাইরাসের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। এই ভাইরাসটি অমিক্রণ জাতীয়। এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শ্বাসকষ্ট, জ্বর হতে পারে এবং বিগত করোনা ভাইরাসের নাকের ঘ্রাণের যে বিষয়টি ছিল সেই উপাদানটি এই ভাইরাসে নেই। তবে কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের মতই এই ভাইরাস ছড়ায়। এর আক্রান্তের প্রকৃতি
আরও বেশি।
এজন্য সাধারণ মানুষদের প্রয়োজনের বাহিরে রাস্তাঘাটে ঘোরাঘুরি না করা এবং একজায়গায় অনেক মানুষের সমাগম না করা
এবং পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখা। বাহিরে মাস্ক ব্যবহার করাসহ এই সব সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন এবং কারো যদি এই ধরণের উপসর্গ থাকে তবে হাসপাতালে এসে পরিক্ষা ও চিকিৎসার পরামর্শ
দেওয়া হয়েছে।
ঝালকাঠিতে সদর হাসপাতালে ইতিমধ্যেই আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস