আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ গতকাল শুক্রবার মায়ানমারে সংগঠিত শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি ইতোমধ্যে হাজার ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছে দুই হাজারের বেশি মানুষ। থাইল্যান্ডে নিহত হয়েছে কমপক্ষে দশজন। মিয়ানমারে নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। নেপিডো, সাইগাইং, মান্দালয়সহ পাঁচটি শহরে ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়েছে অসংখ্য মানুষ। সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে জাতিসংঘ যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ।
উল্লেখ্য যে,৭.৭ (সাত দশমিক সাত) মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত মায়ানমারে যতই বাড়ছে উদ্ধার তৎপরতা, ততোই বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। শুক্রবারের ভূমিকম্পে দেশটিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী নেপিডো, সাইগাইং, মান্দালয়সহ পাঁচটি শহর। আশঙ্কা করা হচ্ছে এসব শহরে ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়েছেন অসংখ্য মানুষ। মান্দালয় ও ইয়ানগন শহরে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধার কার্যক্রম। সময় গড়ানোর সাথে সাথে বাড়ছে মানুষের আর্তনাদ।
মান্দালয় শহরে হাজার হাজার মানুষ বাড়ির বাইরে অবস্থান করছেন। আতঙ্কে ঘরে ফিরছেন না তারা। রাজধানী নেপিডোর রাস্তায় দেখা দিয়েছে ফাটল। জান্তা সরকারের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের মান্দালয়, সাইগাইংসহ ছয়টি অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি আছে। জান্তা প্রধান মিন অং লাইং আন্তর্জাতিক সাহায্য আবেদনের পর জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে।
এদিকে, থাইল্যান্ডে শতাধিক মানুষ হতাহত হয়েছে। দেশটির রাজধানী ব্যাংককে ৩৩ তলা ভবন ধসে চাপা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে কাজ চলছে। এরআগে শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মিয়ানমারে আঘাত হানে সাত দশমিক সাত মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। এটির কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের মান্দালয় শহর থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর