জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন যে এটি আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে স্পষ্ট যে ইসরায়েলের দখলকৃত ভূখণ্ডটি আসলে সিরিয়ার মালিকানাধীন
ইউরোপ ডেস্কঃ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ক্রিশ্চিয়ান ভাগনার ইসরায়েলকে তাদের সম্প্রতি ঘোষিত পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন,ইসরায়েল গোলানে একটি দখলকারী বাহিনী ছাড়া,আর কিছুই না।
মুখপাত্র আরও বলেছেন, “আন্তর্জাতিক আইনে এটা পুরোপুরি পরিষ্কার যে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত এই এলাকাটি সিরিয়ার অন্তর্গত এবং তাই ইসরাইল এখানে একটি দখলকারী শক্তি”। তাই জার্মানি গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন করার পরিকল্পনা ত্যাগ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
তুরকিয়ে সংবাদ মাধ্যম আনাদোলু নিউজ এজেন্সি জানায়, জার্মানি সোমবার ইসরায়েলকে সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অধিকৃত এবং সংযুক্ত গোলান মালভূমিতে বসবাসকারী জনসংখ্যাকে দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা “ত্যাগ করার” আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত সপ্তাহে বিরোধী বাহিনী সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সেনাদের গোলান মালভূমিতে অসামরিক অঞ্চল দখল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও ইসরায়েল সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্রসহ কৌশলগত সামরিক সাইট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে শত শত বিমান হামলা চালিয়েছে।
ভাগনার বলেছেন যে “সিরিয়ার রাজনৈতিক অভ্যুত্থানের এই পর্যায়ে এটি এখন একেবারেই গুরুত্বপূর্ণ, এই অঞ্চলের সমস্ত দল সিরিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে বিবেচনায় রাখবেন এবং এটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না”।
একটি নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে তিনি যোগ করেন যে পরিস্থিতি “জটিল” এবং আসাদ সরকারের অস্ত্র যাতে “ভুল হাতে না পড়ে” তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের আগ্রহ রয়েছে।
তবে তিনি জোর দিয়েছিলেন যে জার্মানি “এখন এই অঞ্চলের সমস্ত সংশ্লিষ্টদের সংযম অনুশীলনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে” এবং যুদ্ধ-বিধ্বস্ত “সিরিয়া অনেক দিন ধরে বিদেশী শক্তির খেলা হয়ে আসছে”।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস