ভিয়েনা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে টাঙ্গাইল সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে পিআইবির নির্বাচনকালীন দুইদিনের কর্মশালা পণ্ড তেহরানের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী ট্রাম্প প্রায় দুই লক্ষ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে সুইট এগ্রোভেট লিঃ এর বার্ষিক সেলস্ কনফারেন্স ২০২৫ অনুষ্ঠিত ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের রিট ভোলা জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ ও আচরণবিধি অবহিতকরণে লালমোহনে উঠান বৈঠক সুই-সুতোয় গাঁথা অর্ধশতকের গল্প: বিনা রানীর শখের পাখা ও পুতুল কুমিল্লা-৪ আসনে মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় হাসনাতের বিপুল ভোটে জয়ের আভাস

অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে জার্মানির আবারও স্থল সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৮:৩১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ৪০ সময় দেখুন

স্থল সীমান্তে আবারো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে যাচ্ছে জার্মানি৷ অনিয়মিত পথে অভিবাসন ঠেকাতে এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের এমন পদক্ষেপ 

ইউরোপ ডেস্কঃ মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইউরোপের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অভিবাসন বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ইনফোমাইগ্রান্টস তাদের এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানায়। অবশ্য অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে এবং নিরাপত্তার খাতিরে জার্মান সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপের এমন ঘটনা নতুন নয়৷

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যান্সি ফ্যাজার সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) জার্মানির সীমান্তে জুড়ে কড়াকড়ি আরোপের কথা ঘোষণা করেন৷ অর্থাৎ, স্থল পথে জার্মানির সীমান্ত পারাপারের সময় ভ্রমণকারীদের পাসপোর্ট চেক করবে নিরাপত্তারক্ষীরা ৷

আগামী সোমবার থেকে সীমান্তে চালু হতে যাওয়া এই কড়াকড়ি ছয় মাস বলবৎ থাকবে ৷ তবে এরপর আর কড়াকড়ি মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না সে বিষয়ে জানা যায়নি৷ মূলত, কেউ যেন ভিসা ছাড়া জার্মানিতে প্রবেশ করতে না পারে তা নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে সরকার ৷

বিদ্যমান অভিবাসন নীতির বিষয়ে বেশ কয়েক মাস ধরেই চাপে রয়েছে ওলাফ শলৎসের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার৷ কয়েক সপ্তাহে আগে দেশটির জোলিঙ্গেন শহরে এক সন্দেহভাজন সিরীয় অভিবাসীর ছুরি হামলায় তিনজন নিহত হওয়া ঘটনায় বিষটি আবারো সামনে এসেছে৷ এরইমাঝে কট্টর ডানপন্থিদল এএফপডি অভিবাসন ইস্যুতে সরকারের উপর চাপ অব্যহত রেখেছে৷

সরকারের বক্তব্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অনিয়মিত উপায়ে জার্মানিতে প্রবেশ ঠেকানো এবং সেই সাথে ইসলামিস্ট সন্ত্রাসী ওবং অপরাধী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ৷

‘‘এই ধরনের কার্যক্রম থেকে আমাদের দেশের বাসিন্দাদের সুরক্ষা দিতে যা করা দরকার তার সবটাই আমরা করছি৷ আমরা আমাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি এবং অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে আমাদের শক্তিশালি অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছি ৷’’

সূত্র জানায়, সরকারের এমন পদক্ষেপের বিষয়ে এরইমধ্যে ইউরোপিয়ান কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ উল্লেখ্য, তিন হাজার ৭০০ কিলোমিটারের স্থল সীমান্তে জার্মানির প্রতিবেশী হিসেবে রয়েছে ইউরোপের ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, লুক্সেমবুর্গ, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, চেক রিপাবলিক এবং পোল্যান্ড ৷

জার্মান সীমান্ত থেকে ফেরানোদের গ্রহণ করবে না অস্ট্রিয়া: সীমান্তে পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণে জার্মান সরকারের এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে প্রতিবেশী অস্ট্রিয়া৷ সেইসাথে জার্মান সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠানো কাউকে দেশটি গ্রহণ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে দেশটির সরকার ৷

সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গেরহার্ড কার্নার বলেন, ‘‘জার্মানি থেকে ফেরত পাঠানো কাউকে অস্ট্রিয়া গ্রহণ করবে না ৷’’
তিনি বলেন, ‘‘জার্মানির অবশ্যই কোনো ব্যক্তিকে ওই দেশে ফেরত পাঠানোর অধিকার রয়েছে যেই দেশটিতে সেই ব্যাক্তির আশ্রয়আবেদন প্রক্রিয়া চলমান আছে ৷ কিন্তু এরজন্য অবশ্যই একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের অনুমতি প্রয়োজন ৷’’

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

লালমোহনে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ স্বজনদের

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে জার্মানির আবারও স্থল সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তা

আপডেটের সময় ০৮:৩১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

স্থল সীমান্তে আবারো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে যাচ্ছে জার্মানি৷ অনিয়মিত পথে অভিবাসন ঠেকাতে এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের এমন পদক্ষেপ 

ইউরোপ ডেস্কঃ মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইউরোপের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অভিবাসন বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম ইনফোমাইগ্রান্টস তাদের এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানায়। অবশ্য অনিয়মিত অভিবাসন ঠেকাতে এবং নিরাপত্তার খাতিরে জার্মান সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ আরোপের এমন ঘটনা নতুন নয়৷

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যান্সি ফ্যাজার সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) জার্মানির সীমান্তে জুড়ে কড়াকড়ি আরোপের কথা ঘোষণা করেন৷ অর্থাৎ, স্থল পথে জার্মানির সীমান্ত পারাপারের সময় ভ্রমণকারীদের পাসপোর্ট চেক করবে নিরাপত্তারক্ষীরা ৷

আগামী সোমবার থেকে সীমান্তে চালু হতে যাওয়া এই কড়াকড়ি ছয় মাস বলবৎ থাকবে ৷ তবে এরপর আর কড়াকড়ি মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না সে বিষয়ে জানা যায়নি৷ মূলত, কেউ যেন ভিসা ছাড়া জার্মানিতে প্রবেশ করতে না পারে তা নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে সরকার ৷

বিদ্যমান অভিবাসন নীতির বিষয়ে বেশ কয়েক মাস ধরেই চাপে রয়েছে ওলাফ শলৎসের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার৷ কয়েক সপ্তাহে আগে দেশটির জোলিঙ্গেন শহরে এক সন্দেহভাজন সিরীয় অভিবাসীর ছুরি হামলায় তিনজন নিহত হওয়া ঘটনায় বিষটি আবারো সামনে এসেছে৷ এরইমাঝে কট্টর ডানপন্থিদল এএফপডি অভিবাসন ইস্যুতে সরকারের উপর চাপ অব্যহত রেখেছে৷

সরকারের বক্তব্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অনিয়মিত উপায়ে জার্মানিতে প্রবেশ ঠেকানো এবং সেই সাথে ইসলামিস্ট সন্ত্রাসী ওবং অপরাধী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ৷

‘‘এই ধরনের কার্যক্রম থেকে আমাদের দেশের বাসিন্দাদের সুরক্ষা দিতে যা করা দরকার তার সবটাই আমরা করছি৷ আমরা আমাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছি এবং অনিয়মিত অভিবাসনের বিরুদ্ধে আমাদের শক্তিশালি অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছি ৷’’

সূত্র জানায়, সরকারের এমন পদক্ষেপের বিষয়ে এরইমধ্যে ইউরোপিয়ান কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ উল্লেখ্য, তিন হাজার ৭০০ কিলোমিটারের স্থল সীমান্তে জার্মানির প্রতিবেশী হিসেবে রয়েছে ইউরোপের ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, লুক্সেমবুর্গ, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, চেক রিপাবলিক এবং পোল্যান্ড ৷

জার্মান সীমান্ত থেকে ফেরানোদের গ্রহণ করবে না অস্ট্রিয়া: সীমান্তে পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণে জার্মান সরকারের এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে প্রতিবেশী অস্ট্রিয়া৷ সেইসাথে জার্মান সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠানো কাউকে দেশটি গ্রহণ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে দেশটির সরকার ৷

সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গেরহার্ড কার্নার বলেন, ‘‘জার্মানি থেকে ফেরত পাঠানো কাউকে অস্ট্রিয়া গ্রহণ করবে না ৷’’
তিনি বলেন, ‘‘জার্মানির অবশ্যই কোনো ব্যক্তিকে ওই দেশে ফেরত পাঠানোর অধিকার রয়েছে যেই দেশটিতে সেই ব্যাক্তির আশ্রয়আবেদন প্রক্রিয়া চলমান আছে ৷ কিন্তু এরজন্য অবশ্যই একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের অনুমতি প্রয়োজন ৷’’

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস