ইবিটাইমস, ঢাকা: অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনার দিল্লিতে দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
সোমবার বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে নতুন সরকার সম্পর্কে ব্রিফ করার পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, কানাডা, ইইউসহ প্রায় ৬০টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা যোগ দেন।
ভারতে শেখ হাসিনার দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক একটি বড় বিষয়। এটি পারস্পরিক স্বার্থের ওপর গড়ে ওঠে।
তৌহিদ হোসেন বলেন, এটি একটি অনুমানমূলক প্রশ্ন। কেউ কোনো দেশে থাকলে কেন ওই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়। স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে এবং এসব স্বার্থগুলোতে আপস করা হলে তা টিকে না।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে যেমন ভারতের স্বার্থ আছে, তেমনি দিল্লিতে ঢাকার স্বার্থ আছে। আমরা আমাদের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করব এবং ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
তৌহিদ হোসেন বলেন, নতুন সরকারের বিষয়ে বিদেশি বন্ধুরা খুবই ইতিবাচক, সরকার বিদেশিদের সঙ্গে করা সকল চুক্তি সমঝোতা সবই ধারাবাহিকভাবে রক্ষা করে যাবে।
গণমাধ্যমকর্মীদের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে অনেক দেশের পর্যবেক্ষণ আছে। আগামী দিনে মানবাধিকার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে। তিনি দাবি করেন, দেশের পরিস্থিতি বাইরের কারও নিয়ন্ত্রণে নেই, উপদেষ্টা পরিষদে দায়িত্বপ্রাপ্তরাই দেশের জন্য কাজ করছেন।
এ সময় বিদেশি কূটনীতিকরা নির্বাচিত সরকারেও যুবকদের প্রতিনিধিত্ব আশা করেছেন বলে জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এনএল/আরএন