ইবিটাইমস, ঢাকা: কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে গণহত্যা ও গণগ্রেপ্তারের প্রতিবাদসহ শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শুক্রবার (২ আগষ্ট) জুমা’র নামাজের পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে ছাত্র-জনতার গণমিছিল কর্মসূচি পালিত হয়েছে। তাদের এ কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে অসংখ্য শিক্ষক, অভিভাবক ও আইনজীবী এতে যোগ দেন।
এ ছাড়া অনেক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এতে অংশ নেয়। গণমিছিলে খুলনা, হবিগঞ্জ, নরসিংদী, সিলেটসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা পুলিশসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বাধার মুখে পড়ে; অনেক স্থানে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবারের সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য বলছে, সংঘর্ষে খুলনায় এক পুলিশ কনস্টেবল এবং হবিগঞ্জে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে।
এদিকে শুক্রবার রাতে নতুন কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলা করে খুনের প্রতিবাদ এবং ৯ দফা দাবি আদায়ে শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও কাল রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আপামর জনসাধারণকে অলিতে-গলিতে, পাড়ায় পাড়ায় সংগঠিত হয়ে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা নতুন এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, মো. মাহিন সরকার, আব্দুল হান্নান মাসউদ, সহ-সমন্বয়ক রিফাত রশীদসহ বেশ কয়েকজন তাদের ফেসবুক পোস্টে নতুন কর্মসূচির ডাক দেন। তারা ফেসবুক লাইভে এসেও এ সংক্রান্ত ঘোষণা দেন এবং সারাদেশের আপামর জনসাধারণকে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এনএল/আরএন