ভিয়েনা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভিয়েনায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হবিগঞ্জে বিএনপি নেতার মুক্তির দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ অস্ট্রিয়ায় তুষারধসে আরও ২ জন নিহত : পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর একান্ত সচিব হলেন আকবর স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন জামায়াত আমিরসহ বিরোধীদলীয় নেতারা ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিরা যদি কোটা না পায় তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে: প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪
  • ৪৭ সময় দেখুন

ইবিটাইমস, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিরা যদি কোটা না পায় তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধের কথা বলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে?

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে গণভবনে চীন সফর নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি প্রশ্ন রেখে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না।

সরকার প্রধান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে? তারা দেশ স্বাধীন করার জন্য জীবনপণ লড়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় কীভাবে? মুক্তিযুদ্ধ তাদের এখন ভালো লাগে না।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনকারীদের জন্য আদালতের দরজা খোলা, আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে আমার কোনো কিছু করার এখতিয়ার নেই। এ ছাড়া আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আদালতের বিষয় আদালতেই সমাধান হওয়া উচিত, কোটা আন্দোলনকারীদের দেশের বিচার ব্যবস্থা ও সংবিধান সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।

এর আগে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালে আন্দোলন ও সহিংসতার ঘটনায় বিরক্ত হয়ে তিনি কোটা বাতিল করেছিলেন।

তিনি বলেন, একবার তারা এ ধরনের আন্দোলন করেছিল। আন্দোলন তো না সহিংসতা। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করেছিল। তখন আমি বিরক্ত হয়ে বলেছিলাম সব কোটা বাদ দিয়ে দিলাম। তখনই বলেছিলাম যে কোটা বাদ দিলে দেখেন কী অবস্থা হয়। এখন দেখেন কী অবস্থা তৈরি হয়েছে?

ঢাকা/ইবিটাইমস/এনএল/আরএন

জনপ্রিয়

ভিয়েনায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিরা যদি কোটা না পায় তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে: প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটের সময় ০৯:৩৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪

ইবিটাইমস, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নাতিরা যদি কোটা না পায় তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধের কথা বলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে?

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে গণভবনে চীন সফর নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি প্রশ্ন রেখে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা কোটা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিরা কোটা পাবে? তা তো আমরা দিতে পারি না।

সরকার প্রধান বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার তাদের কে দিয়েছে? তারা দেশ স্বাধীন করার জন্য জীবনপণ লড়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় কীভাবে? মুক্তিযুদ্ধ তাদের এখন ভালো লাগে না।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনকারীদের জন্য আদালতের দরজা খোলা, আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে আমার কোনো কিছু করার এখতিয়ার নেই। এ ছাড়া আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আদালতের বিষয় আদালতেই সমাধান হওয়া উচিত, কোটা আন্দোলনকারীদের দেশের বিচার ব্যবস্থা ও সংবিধান সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।

এর আগে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০১৮ সালে আন্দোলন ও সহিংসতার ঘটনায় বিরক্ত হয়ে তিনি কোটা বাতিল করেছিলেন।

তিনি বলেন, একবার তারা এ ধরনের আন্দোলন করেছিল। আন্দোলন তো না সহিংসতা। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করেছিল। তখন আমি বিরক্ত হয়ে বলেছিলাম সব কোটা বাদ দিয়ে দিলাম। তখনই বলেছিলাম যে কোটা বাদ দিলে দেখেন কী অবস্থা হয়। এখন দেখেন কী অবস্থা তৈরি হয়েছে?

ঢাকা/ইবিটাইমস/এনএল/আরএন