ভিয়েনা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের অভিনন্দন এআই’কে গুটিকয়েক ধনকুবেরের মর্জির ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না : জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ বাংলাদেশে সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে ইইউর ধন্যবাদ জ্ঞাপন দেশের সব আবর্জনা দূর করতে চাই: শফিকুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু

ঝালকাঠি জেলায় এবছর ব্যাপক সরিষার চাষ হয়েছে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৮:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪
  • ৫৪ সময় দেখুন

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলাজুড়ে গ্রামীন জনপদ সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে। সরকার তৈল জাতীয় ফসলের আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করার জন্য কৃষি বিভাগের মাধ্যমে কৃষকদের নিয়ে সরিষা সূর্যমুখী ও তীল জাতীয় তেলের আবাদ বৃদ্ধি করার জন্য প্রনোদনা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে। প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের চাষাবাদের জন্য প্রনোদনার সহায়তা দেয়া হচ্ছে। ২ বছর পূর্বেও ঝালকাঠি জেলায় সর্বাধিক ৪০০ হেক্টরে সরিষার আবাদ হতো এবং এবছর আবাদ হয়েছে ১০১৭ হেক্টর জমিতে।

জেলার ৪টি উপজেলার মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ৩২০ হেক্টর ও নলছিটি উপজেলা ৩১৬ হেক্টরে সর্বাধিক সরিষার চাষ হচ্ছে। জেলার অন্য ২টি উপজেলার রাজাপুর উপজেলায় ১৮৫ হেক্টর ও কাঠালিয়া উপজেলায় ১৯৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এবছর ভাল উৎপাদন হয়েছে কৃষক ও কৃষি বিভাগের দাবি করেছে। ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এবছর সরিষা চাষীদের মধ্যে ৬ হাজার কৃষককে ৬ হাজার বিঘা চাষের জন্য সার, বীজসহ প্রনোদনা সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং জেলায় কৃষি গবেষনা প্রতিষ্ঠান আরও ২৫০ বিঘা চাষের জন্য সম সংখ্যক কৃষকের মধ্যে ৬ মন বিভিন্ন জাতের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করেছে। কৃষি বিভাগ সব সময় কৃষকের পাশে রয়েছে।

এই জেলায় প্রধানত বারি-৯, বারি-১৪, বারি-১৫, বারি-১৭ ও বারি-১৮ জাত, টরি-৭, বীনা-৪, ও বীনা-৫ এবং বিএডিসি-১ জাতের সরিষার চাষ হচ্ছে। বারি জাতের চেয়ে বীনা জাতের উৎপাদন একটু বেশি তবে এইসকল জাতের হেক্টর প্রতি উৎপাদন গড় প্রায় ১.২৪ মেট্রিক টন। কৃষকরা এখন আর স্থানীয় জাতের সরিষার চাষ করে না, কারণ এর উৎপাদন হেক্টর প্রতি ১ টনেরও কম। জেলার গ্রামা লে ছোট ও বড় আকারে অপেক্ষাকৃত উচঁু জমিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সরিষার চাষ। সরিষা চাষের কারণে কোন কোন এলাকা হলুদ ফুলের বাগান হয়ে রয়েছে। তবে অনেক এলাকায় সরিষার ক্ষেতে ফুল ঝড়ে ফলন ধরেছে। সরিষার ক্ষেতে কৃষকদের জন্য ইঁদুরের উপদ্রপ হতাশায় ফেলে দিচ্ছে। ইঁদুর গাছের গোরা কেটে ফলসহ গাছ নিয়ে যায়। এদের ট্রাপ করে ধরা কঠিন কাজ।

প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মধ্যে আক্ষেপ রয়েছে দলীয় পর্যায়ের এক শ্রেণির লোক যারা চাষাবাদ করে না ভূয়া কৃষকের পরিচয় দিয়ে প্রনোদনার সার বীজ হাতিয়ে নিয়ে বাজারে বিক্রি করে অথচ যারা প্রকৃত চাষাবাদ করে তারা প্রনোদনার সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়। ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিনয়কাঠি ইউনিয়নের গরমগল এলাকার কৃষক সৈয়দ আবুল বাসার ১ একরে সরিষার চাষ করেছে পাশাপাশি তার ভাই সৈয়দ দেলোয়ারেরও ২ একর সরিষার চাষ রয়েছে।

তারা জানান, এবছর ভাল ফলন হয়েছে আরও পরিচর্চা করা হলে আরও বেশি ফলন পাওয়া যেত। একই গ্রামের পৃথক পৃথক প্লটে সরোয়ার হোসেন, সৈয়দ রিপন ও রিফাত হোসেনসহ শতশত কৃষক সরিষার চাষ করেছে।

বাধন রায়/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের অভিনন্দন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝালকাঠি জেলায় এবছর ব্যাপক সরিষার চাষ হয়েছে

আপডেটের সময় ০৮:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৪

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলাজুড়ে গ্রামীন জনপদ সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে। সরকার তৈল জাতীয় ফসলের আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করার জন্য কৃষি বিভাগের মাধ্যমে কৃষকদের নিয়ে সরিষা সূর্যমুখী ও তীল জাতীয় তেলের আবাদ বৃদ্ধি করার জন্য প্রনোদনা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে। প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের চাষাবাদের জন্য প্রনোদনার সহায়তা দেয়া হচ্ছে। ২ বছর পূর্বেও ঝালকাঠি জেলায় সর্বাধিক ৪০০ হেক্টরে সরিষার আবাদ হতো এবং এবছর আবাদ হয়েছে ১০১৭ হেক্টর জমিতে।

জেলার ৪টি উপজেলার মধ্যে ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ৩২০ হেক্টর ও নলছিটি উপজেলা ৩১৬ হেক্টরে সর্বাধিক সরিষার চাষ হচ্ছে। জেলার অন্য ২টি উপজেলার রাজাপুর উপজেলায় ১৮৫ হেক্টর ও কাঠালিয়া উপজেলায় ১৯৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এবছর ভাল উৎপাদন হয়েছে কৃষক ও কৃষি বিভাগের দাবি করেছে। ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এবছর সরিষা চাষীদের মধ্যে ৬ হাজার কৃষককে ৬ হাজার বিঘা চাষের জন্য সার, বীজসহ প্রনোদনা সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং জেলায় কৃষি গবেষনা প্রতিষ্ঠান আরও ২৫০ বিঘা চাষের জন্য সম সংখ্যক কৃষকের মধ্যে ৬ মন বিভিন্ন জাতের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করেছে। কৃষি বিভাগ সব সময় কৃষকের পাশে রয়েছে।

এই জেলায় প্রধানত বারি-৯, বারি-১৪, বারি-১৫, বারি-১৭ ও বারি-১৮ জাত, টরি-৭, বীনা-৪, ও বীনা-৫ এবং বিএডিসি-১ জাতের সরিষার চাষ হচ্ছে। বারি জাতের চেয়ে বীনা জাতের উৎপাদন একটু বেশি তবে এইসকল জাতের হেক্টর প্রতি উৎপাদন গড় প্রায় ১.২৪ মেট্রিক টন। কৃষকরা এখন আর স্থানীয় জাতের সরিষার চাষ করে না, কারণ এর উৎপাদন হেক্টর প্রতি ১ টনেরও কম। জেলার গ্রামা লে ছোট ও বড় আকারে অপেক্ষাকৃত উচঁু জমিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সরিষার চাষ। সরিষা চাষের কারণে কোন কোন এলাকা হলুদ ফুলের বাগান হয়ে রয়েছে। তবে অনেক এলাকায় সরিষার ক্ষেতে ফুল ঝড়ে ফলন ধরেছে। সরিষার ক্ষেতে কৃষকদের জন্য ইঁদুরের উপদ্রপ হতাশায় ফেলে দিচ্ছে। ইঁদুর গাছের গোরা কেটে ফলসহ গাছ নিয়ে যায়। এদের ট্রাপ করে ধরা কঠিন কাজ।

প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মধ্যে আক্ষেপ রয়েছে দলীয় পর্যায়ের এক শ্রেণির লোক যারা চাষাবাদ করে না ভূয়া কৃষকের পরিচয় দিয়ে প্রনোদনার সার বীজ হাতিয়ে নিয়ে বাজারে বিক্রি করে অথচ যারা প্রকৃত চাষাবাদ করে তারা প্রনোদনার সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়। ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিনয়কাঠি ইউনিয়নের গরমগল এলাকার কৃষক সৈয়দ আবুল বাসার ১ একরে সরিষার চাষ করেছে পাশাপাশি তার ভাই সৈয়দ দেলোয়ারেরও ২ একর সরিষার চাষ রয়েছে।

তারা জানান, এবছর ভাল ফলন হয়েছে আরও পরিচর্চা করা হলে আরও বেশি ফলন পাওয়া যেত। একই গ্রামের পৃথক পৃথক প্লটে সরোয়ার হোসেন, সৈয়দ রিপন ও রিফাত হোসেনসহ শতশত কৃষক সরিষার চাষ করেছে।

বাধন রায়/ইবিটাইমস