ঢাকা প্রতিনিধি: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, যে সরকার গণতন্ত্রের ভান করে তারা স্বৈরাচারের চেয়েও ভয়ংকর। দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই।
শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, এই সরকার মুখে যা বলে, তা কাজে করে না। আর কাজে যা করে, তা মুখে বলে না। ।কিন্তু তাদের বক্তব্য এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না।
তিনি বলেন, হিটলারও মন্ত্রণালয় বানিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়াতো। যেটা হিটলার নিজে বিশ্বাস করতো না। এখানেও তারা ভাবছে তারা জনপ্রিয়। জনগণের ভোট তাদের দরকার নেই। আসন ভাগাভাগি নিজেরাই করে নিচ্ছে। তারা সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হলে তো, গণতন্ত্রের গলা টিপে দিতে পারতো না। ভোটের অধিকার হরণ করতে পারতো না। ক্ষমতার নামে অর্থপাচার, দুর্নীতি করতে পারতো না।
সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, সবাই জানে এটা কোনো ভোট হচ্ছে না, বানরের পিঠা ভাগাভাগি হচ্ছে। ল্যাংড়া-কানা-খোরা যাই হোক, সবাইকে ভোটে টানছে সরকার। ৭ জানুয়ারি কেউ ভোট দিতে যাচ্ছে না। কোনো ভোট হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী নিজেই দলীয় প্রার্থী থাকার পরেও স্বতন্ত্র প্রার্থী দিয়ে রাখছেন। এটা প্রহসন, নাটক। ওরা তো সংসদেও সিনেমা করে, গান গায়। বিএনপিকে ধন্যবাদ দেই, তারা জেলায়-বিভাগে সমাবেশ করে জনতার অভ্যুত্থান ঘটিয়েছেন।
এছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন বলেন, গণতন্ত্র বন্দী হয়ে গেছে, সেটাকে উদ্ধারে সংগ্রাম চালু আছে। নিরপেক্ষ সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন চলবে, এই নির্বাচন হতে দেবো না।
ঢাকা/ইবিটাইমসএনএল