ভিয়েনা ০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাভাবিপ্রবিতে পরিবেশ বিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের রোমানিয়া-বুলগেরিয়ার যৌথ অভিযানে ৮ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার মাধবপুরে ইঞ্জিন বিকল, ৩ ঘন্টা পর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় যাত্রা বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময়

রাতের আঁধারে খাল দখলের জন্য আরসিসি পিলার

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:২০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৬ সময় দেখুন
ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ ভোলা-চরফ্যাশনের আঞ্চলিক মহাসড়কের লালমোহন গজারিয়া এলাকায় রাতের আঁধারে খাল দখলের জন্য আরসিসি পিলার বসানো হয়েছে। রাতারাতি বসানো এই পিলার দেখে এলাকায় চলছে তোলপাড়। এনিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, ভোলা-চরফ্যাশনের আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। এই অবস্থায় রাস্তার পাশে খাল থাকায় রাস্তার কাজের ঠিকাদার খালের পাড়ে আরসিসি ঢালাইর কাজ করে। ওই ঢালাই এর পাড় ভেঙ্গে কিছুদিন আগে গভীর রাতে দখলদাররা খালের পাড়ে আরসিসি পিলার নির্মাণ করে। ভবিষ্যতে খালের মধ্যে আরেকটি পিলার করে দখলদাররা খালের উপর স্থাপনা নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেয়।
স্থানীয় গজারিয়া ৮নং ওয়ার্ডের রফিক মেলেটারীর ছেলে রাজু, হারুন, কুট্টি মিয়ার ছেলে সিরাজ মিস্ত্রি, আ: রশিদ ফরাজীর ছেলে বাবু, সেকান্তর ফরাজীর ছেলে ইদ্রিছ ফরাজী, আ: রব, কাদির ফরাজীর ছেলে বাবুল ফরাজী, শাহে আলমের ছেলে জামাল মিঝি, আবুল হোসেন মিঝির ছেলে বশির মিঝি, কামাল মিঝি, আজিজুল মাষ্টার, খোরশেদ মিঝির ছেলে কাশেম মিঝি, মোতাহারের ছেলে বাবুল মিঝি, ফারুক মিঝি এই পিলারগুলো নির্মাণ করে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, খালটি দখল হয়ে গেলে কৃষি কাজের জন্য পর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হবে কৃষকরা। এতে কৃষি কাজের জন্য ক্ষতির আশংকা রয়েছে। অভিযোগকারীরা বাঁধা দিলে তাদের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্মানাধীন পিলারগুলো জেলা পরিষদের জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে। জেলা পরিষদকে এবিষয়ে কোন ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি। স্থানীয়রা জেলা পরিষদকে বিষয়টি আমলে নেওয়ার দাবী জানান। না হলে অচিরেই গজারিয়া খাল বন্ধ হয়ে যাবে।
ভোলা/ইবিটাইমস 
জনপ্রিয়

মাভাবিপ্রবিতে পরিবেশ বিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

রাতের আঁধারে খাল দখলের জন্য আরসিসি পিলার

আপডেটের সময় ০৩:২০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩
ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধিঃ ভোলা-চরফ্যাশনের আঞ্চলিক মহাসড়কের লালমোহন গজারিয়া এলাকায় রাতের আঁধারে খাল দখলের জন্য আরসিসি পিলার বসানো হয়েছে। রাতারাতি বসানো এই পিলার দেখে এলাকায় চলছে তোলপাড়। এনিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, ভোলা-চরফ্যাশনের আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে। এই অবস্থায় রাস্তার পাশে খাল থাকায় রাস্তার কাজের ঠিকাদার খালের পাড়ে আরসিসি ঢালাইর কাজ করে। ওই ঢালাই এর পাড় ভেঙ্গে কিছুদিন আগে গভীর রাতে দখলদাররা খালের পাড়ে আরসিসি পিলার নির্মাণ করে। ভবিষ্যতে খালের মধ্যে আরেকটি পিলার করে দখলদাররা খালের উপর স্থাপনা নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেয়।
স্থানীয় গজারিয়া ৮নং ওয়ার্ডের রফিক মেলেটারীর ছেলে রাজু, হারুন, কুট্টি মিয়ার ছেলে সিরাজ মিস্ত্রি, আ: রশিদ ফরাজীর ছেলে বাবু, সেকান্তর ফরাজীর ছেলে ইদ্রিছ ফরাজী, আ: রব, কাদির ফরাজীর ছেলে বাবুল ফরাজী, শাহে আলমের ছেলে জামাল মিঝি, আবুল হোসেন মিঝির ছেলে বশির মিঝি, কামাল মিঝি, আজিজুল মাষ্টার, খোরশেদ মিঝির ছেলে কাশেম মিঝি, মোতাহারের ছেলে বাবুল মিঝি, ফারুক মিঝি এই পিলারগুলো নির্মাণ করে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, খালটি দখল হয়ে গেলে কৃষি কাজের জন্য পর্যাপ্ত সেচ ব্যবস্থা থেকে বঞ্চিত হবে কৃষকরা। এতে কৃষি কাজের জন্য ক্ষতির আশংকা রয়েছে। অভিযোগকারীরা বাঁধা দিলে তাদের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্মানাধীন পিলারগুলো জেলা পরিষদের জায়গায় স্থাপন করা হয়েছে। জেলা পরিষদকে এবিষয়ে কোন ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি। স্থানীয়রা জেলা পরিষদকে বিষয়টি আমলে নেওয়ার দাবী জানান। না হলে অচিরেই গজারিয়া খাল বন্ধ হয়ে যাবে।
ভোলা/ইবিটাইমস