ইবিটাইমস ডেস্ক: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ২৮, ২৯ ও ৩১ অক্টোবর আওয়ামী পুলিশ রক্তের যে হোলিখেলা খেলেছে সেটি নজিরবিহীন পৈশাচিক ঘটনা। তিনি অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলেছেন জাতির সামনে।
বুধবার ভার্চুয়ালি এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।
রিজভী বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন বলেছে- মুখোশপরা হেলমেটধারী ব্যক্তিরা সরকারের লোক। এভাবে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সংস্থা সরকারের পরিকল্পিত আক্রমণ সম্পর্কে এখন ওয়াকিফহাল। আওয়ামী লীগ শুধু বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের আক্রমণ ও জখম করে হতাহত করছে না। খেটেখাওয়া শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য দাবির আন্দোলনকেও রক্তাক্ত পন্থায় দমন করছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠান ধবংস করে ‘ডান্ডালীগ’ গড়ে তুলেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও যুবলীগ-ছাত্রলীগ একযোগে ‘ডান্ডালীগ’ হিসেবে কাজ করছে। এরাই সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের কফিনে পেরেক ঠুকছে। বিরোধী দলকে স্তব্ধ করার উদ্দেশ্যই হচ্ছে দেড় দশকের আওয়ামী লুন্ঠন ও অর্থপাচারের কাহিনীগুলো যেন সাধারণ জনগণ জানতে না পারে।
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, জেলখানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দুর্দশা এখন চরমে উঠেছে। বিএনপির যে সমস্ত নেতা এক সময় মন্ত্রী-এমপি ছিলেন তাদেরও ডিভিশন দেওয়া হচ্ছে না। কারাগারের ভিতরে বিএনপি নেতাদের আটকে রাখা হচ্ছে।
রিজভী বলেন, গতকাল জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতারের পর আজকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। এটা সরাসরি মির্জা আব্বাসের ওপর সরকারি নিপীড়ন। কারাগারে অসুস্থ বিএনপি নেতাদের হাসপাতালের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমি কারাগারে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর কারা কর্তৃপক্ষের নিপীড়ন ও নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
ডেস্ক/ইবিটাইমস/এনএল