ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট; পিরোজপুর: পিরোজপুরের কাউখালীতে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের সময় নৌ পুলিশের হাতে আটক দুই জেলে পালিয়ে গেছে। শনিবার (২১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার লঞ্চঘাট সংলগ্ন নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া দুই জেলেরা হলেন উপজেলার সুবিদপুর গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে মো. শাহিন (২৫), একই গ্রামের বেলায়েত হোসেন হাওলাদারের ছেলে মো. কাইউম (১৯)।
জানা গেছে, ইলিশ মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসাবে শনিবার (২১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার সন্ধ্যা নদীতে নৌ-পুলিশ অভিযান চালান। অভিযান চলার সময় সন্ধা নদীর সুবিদপুর খালের মোহনায় ইলিশ জেলেরা নদীতে মাছ ধরার সময় নৌ-পুলিশের হাতে ওই ২ জেলে আটক হয়।
এদেরেকে উপজেলার লঞ্চঘাট সংলগ্ন নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। এ সময় পুলিশের অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে হ্যান্ডকাপ পড়ার পূর্বেই ফাড়িঁর দরজায় ধাক্কা দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। দৌড়ে পালিয়ে যাবার সময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ তাদেরকে আটকৃত চেষ্টা করলে পুলিশ ধরতে পারেনি।
এব্যাপারে নৌ-পুলিশের ইনচার্জ আব্দুল রাজ্জাক জানান, তারা দরজার কাছে থুথু ফেলার কথা বলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে আটকৃতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ ছাড়া একই দিন দুপুরে জেলার নেছারাবাদের সন্ধ্যা নদীতে ইলিশ মাছ ধরার কালে দুই জেলেকে আটক করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। নেছারবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব উল্লাহ মজুমদার এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো-বানরীপাড়া উপজেলার বাইশারী গ্রামের সেলিম হাওলাদারের ছেলে রনি (৩৫) ও একই উপজেলার ব্রাহ্মনকাঠী গ্রামের হারুন বেপারীর ছেলে মো. বেল্লাল হোসেন (২৬)।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানান, ওই দিন সকালে থানা পুলিশ ও উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে উপজেলার সন্ধ্যা নদীল বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৫ শত মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও দুই কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। পরে ওই জাল পুড়িয়ে ও মাছ স্থানীয় এতিম খানায় প্রদান করা হয়।
এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস